Posts

Showing posts from September, 2018

395>||- জীবন ও নদী -||

 395>||- জীবন ও নদী -||              <-----©-আদ্যনাথ---> জীবন নদী সম বহে আপন বেগে, শুরুতে ক্ষীণ উৎসাহ তাহে। মাঝে পেলে ধারা উৎসাহ, ক্রম বর্ধমান প্রবাহ। নদী বহে নুতন উদ্দামে। প্রবাহমান নদী প্রবাহের অভাবে,  মাঝপথে যায় শুকায়ে। জল হীন শুষ্ক নদীরে কে মনেরাখে। নদী আর জীবন সুন্দর ততোক্ষণ, প্রবাহের টান বর্তমান যতক্ষণ। নদী বহে রাশি রাশি জল লোয়ে। ধরায় সৃষ্টির কল্যাণে, প্রকৃতির অহেতুক দানে, নদী বহে জীবের কল্যাণে, মানুষের কর্তব্য নদীকে সুন্দর স্বচ্ছ রাখা, নিজের স্বার্থে পরিবেশ কে স্বচ্ছ রাখা। আমরা ভুলেযাই এই সামান্য কথা, প্রকৃতি কিকরে ঘূচাইবে আমাদের ব্যথা। মানুষ শ্রেষ্ঠ প্রকৃতির দান, প্রকৃতি সুন্দর সেতো প্রকৃতির দান। সুন্দর কে উপেক্ষা, সে কি মানুষের শোভা পায়? মানুষ শ্রেষ্ঠ বুদ্ধি ও ভালোবাসার গুনে, সুন্দর পরিবেশ সুন্দরকে বিকশিত করে। বুদ্ধি স্বাস্থ্য দেহ মনে আনন্দ ভরে, প্রকৃতি আনন্দে শতরুপে লহরে।      【--anrc--29/01/2019--】      【=সকাল:04:30:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 =======...

394> ||- আমরা বাঙালি -||

 394>||- আমরা বাঙালি -||                   <--©➽--আদ্যনাথ-->   আমরা বাঙালি বাংলা মোদের ভাষা, মোদের গরব মোদের আশা, আমাদের বাংলা ভাষা। বাংলা আমাদের ভালোবাসা, বাংলা নিয়ে অনেক আশা। বাংলায় কথাবলা, বাংলায় কাঁদা কাটা। বাংলায় আনন্দ প্রকাশ, বাংলায় হৃদয়ের উচ্ছ্বাস। বাংলায় একাত্মতা প্রকাশ, বাংলায় হৃদয়ের কাছে পাওয়া। বাংলার অনাবিল আনন্দ ভালোবাসা, বাংলায় নির্মল শান্তি ভালোবাসা। এমন দেশটি পাবেনা কোথাও তুমি খুঁজে, আমরা দুই বাংলা নিয়েই ভাবি নিজে। আমাদের গর্ব আমাদের আশা, দুই বাংলাকেই হৃদয় দিয়ে ভালোবাসা। আজ হোয়েছি এপার ওপার, দুই বাংলা আজও সবাকার। আমাদের সৃষ্টি কৃষ্টি আনন্দ, আজও মিলে মিশে একাকার। এমন দেশটি  পাবেনাকো  আর, আমরা বাঙ্গালী, বাংলা একাকার। আমাদের সৃষ্টি, কৃষ্টি, বিশ্বজোড়া খ্যাতি, আজও আমরা সমগ্র বিশ্বকে নিয়ে ভবি। ------<--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------      【--anrc--21/03/2019--】      【=সন্ধ্যা:07:08:22=】   【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ||=======================...

393>||-বিশ্ব প্রকৃতি-||

393>||-বিশ্ব প্রকৃতি-||       <----আদ্যনাথ--->( © ) এই বিশ্ব প্রকৃতি সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয় লয়ে, আপন মনে খেলা করে। তাইত বার বার করে সৃষ্টি,আর ধ্বংস । এই সৃষ্টি ও ধ্বংসের মাঝে, কত আদরে করে পালন। ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ, ঈশ্বর নিজের ইচ্ছায়, সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়ের খেলা খেলে। কিন্তু ঈশ্বর নির্বিকল্প, নির্দায়। ঈশ্বর সকলের মূলে, মানুষকেই দায়ী করে। ঈশ্বর তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, মানুষকে দিয়েই করিয়ে নেয়, সকল কর্ম, সকল ধর্ম, সকল পূজা অর্ঘ। তাইত মানুষ ফেরে নামের ফেরে, ঈশ্বর এক অদ্বিতীয় সেটা ভুলে। প্রকৃতি রূপী ঈশ্বরের খেলায় ভুলে, মানুষ ঘুরে মরে কলুর বলদের প্রায়। বিধাতা অলক্ষে হাসে, পরম সন্তোষে অদ্ভুত তৃপ্তিতে। মানুষ জখোন কাম বাসনায় মাতে, বিধাতা তখনো তৃপ্তির হাসি হাসে । মানুষ জখোন হাসে বিধাতা হাসে। মানুষ জখোন কাঁদে বিধাতা হাসে। আসলে বিধাতা মানুষ লয়ে পুতুল খেলে। তাই মানুষের হাসি কান্না বিধাতার খেলা। মানুষ নিজের নিজের করে ব্যাকুল থাকে, মানুষের কোনটা নিজের, সেটা কজন জানে । যেদিন মানুষ বোঝে, এই ধরায় কিছুই তাঁর নিজের নয়। সেদিন সে নিজেই আর না রয়...

392>||-মানুষ পুতুল মাত্র--||

392>||-মানুষ পুতুল মাত্র--||             <----আদ্যনাথ--->( © ) একটু বেশি বয়সে, মানুষের বয়সের সাথে সাথে চিন্তাও বাড়ে। যে সমর্থ--- তার চিন্তা সঞ্চয়,সামর্থ/শরীর নিয়ে। যে অসমর্থ--- তার চিন্তা আহার ও রোজগারের। মানুষ বড়ই অসহায়, চিন্তা থেকে মুক্তি নাহি পায়। চিন্তা মানুষকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায়। কেউ হয়তো চিন্তা মুক্তির, উপায় খুঁজে বেড়ায়। চিন্তা কি কোন বস্তু-- যে খুঁজে পাবে হেথায়,হোথায়? চিন্তার মূল তো মস্তিষ্কে, ধীরে ধীরে বিস্তার করে সম্পুর্ন শরীরে। একে একে অঙ্গ হানি হয়। নানান রোগের বাস হয়। রোগের চিন্তা কষ্ট শরীরকে ভোগায়। তখন মানুষ মৃত্যু যাচনা করে। মৃত্যু কি এতোই সহজ। জীবনে বেঁচে থাকাটা অনেক সহজ। মৃত্যু সেতো ভয়ঙ্কর, অতি কঠিন। মৃত্যু তো কেবলি যাতনা ময়। মৃত্যু তো অসহ্য জন্ত্রনা। মৃত্যু তো সত্য শান্তির আলয়। মৃত্যু তো ভয়ঙ্কর যাতনা ময়। মৃত্যু তো গভীর সন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া। মৃত্যু তো শুধু শরীর টাকে বদলে ফেলা। মৃত্যু তো আবার ফিরে আসার আমন্ত্রণ              জানায়। মৃত্যু আর জন্ম দুই রহস্য ময়। জন্মের...

391>||-"মা"-"বাবা" কি করেন-||

391>||-"মা"-"বাবা" কি করেন-||             <----আদ্যনাথ--->( © ) "বাবা"র কি করেন? এমন প্রশ্নের জবাবে, উত্তর হবে লম্বা ফিরিস্তি। "বাবা" চাকুরী করেন, বাজার করেন, গ্রহের সকল কর্ম করেন। "বাবা"র কাজের নাই অন্ত। "বাবা" নিজেই দুর্দান্ত। তার কর্মের ফিরিস্তি অফুরন্ত। গৃহের জন্য কর্ম করতে করতে "বাবা" হলেন সর্বশান্ত। তাই "বাবা" সকল কর্মে দুর্দান্ত। যদি জিজ্ঞাসি "মা" কি করেন? সামান্য একটু উত্তর । "মা" গৃহ বধূ,(হাউস ওয়াইফ), "মা" করেন না কিছু। "মা" এর তো নাই কোন কর্ম, "ম" গৃহবধূ তাঁর নাই কোন কাজ কর্ম। "মা" করেন না কোন চাকুরী। "মা" তো ঘরেই থাকেন, ব্যাস এক কথায় দেবে উত্তর। কারন আমরা "মা"য়ের নয়-- "বাবা"র সু পুত্র/ পুত্রী "মা"য়ের কিছুই নই। "মা" এর তো নাই কোন কর্ম, "ম" গৃহবধূ তাঁর নাই কোন কাজ কর্ম। "মা"তো কিছুই করেন না, অথচ "মা" ছাড়া চলে না। বাড়ি...

390>||বন্ধি জীবন দায়িত্য অনেক +ছোট এইটুকু জীবনটা

  390> 1> .||-বন্ধি জীবন দায়িত্য অনেক ||-- 2>.||-ছোট এইটুকু জীবনটা-||  ==================================== 1> .||-বন্ধি জীবন দায়িত্য অনেক ||-- বন্ধি জীবন দায়িত্য অনেক// শুধু আজ্ঞা পালন, // মন,চিন্তা থেকেও নাই শুধু আজ্ঞা--// করতে হবে নিখুঁত পালন। // এরই নাম বোধ হয় জীবন // নাকি শুধুই বিড়ম্বনা ময়, // জানিনা জানলেও ভুলেছি // কোনটা কেমন হয়। // সইতে হবে বইতে হবে সকল // ভালো লাগা না লাগার মূল্য কোথা। // ||---©➽-ANRC------------------------|| ||=========================|| 2>.||-ছোট এইটুকু জীবনটা-||  ছোট এইটুকু জীবনটা // দাগ রেখেজায় অনেকটা। // জীবনের সাথে জীবন জোড়াটা // সহজ নয় ভাবনা টা। // ছোট্ট এই জীবনটা // শিখাতে পারে অনেকটা । // ভাবনা নয় তো ভাবাটা // জীবন শিখায় অনেকটা। // ||--©➽ANRC--07/04/2017---|| ||=================|| 

389>গান ||-মন চল নিজ নিকেতনে-||

389>গান ||-মন চল নিজ নিকেতনে-||                 <----আদ্যনাথ--->( © ) মন চল নিজ নিকেতনে, চলরে মন চল রে ওরে , চলরে ওরে তরা করে, চল রে  নিজ নিকেতনে। মনরে তুই কেন রে--- পাগলের ন্যায় ঘুরে মরিস হেথায় হোথায় ওরে । আজ যা আছে তোর নিজের বলে, কাল যে যাবে ফুরায়ে ওরে। তখন কেমনে তুই বাঁচবি ওরে। মনরে চল নিজ নিকেতনে, সাথী হারা মনকী বাঁচেওরে, বেদনায় ভরে রাখে যারে। একলা হয়ে মনকী বাঁচে ওরে, মন যদি না হয় স্থির। ওরে পাগল সকলি তোর হবে অস্থির। মনরে চল নিজ নিকেতনে, মনের টানে মন যে আসে, চিদাকাশে ঐযে ভাসে, দেখবি কিরে ওরে পাগল, ওঁ কারে যদি মন না হল স্থির, পাগলের ন্যায় ঘুরবি ভূমন্ডলে, কলুর বলদ হয়ে রবি মনের অন্ধকারে। মনরে চল নিজ নিকেতনে, অন্ধ কূপের বদ্ধ হাসি, নিয়ে যাবে তোরে তাকি জানিস ওরে। মনে লাগাম যদি না টানিস ওরে মন হারাবে অকুল পাথারে, কোথা খুঁজবি মনকে ওরে, বিধির বিধান মানতে হবে, নচেৎ কোথায় পাবি ওরে, মনের মতন আপন করে। মনরে চল নিজ নিকেতনে, মনকে লাগাম দিয়ে রাখিস, মনকে ডুবায়ে, মনের অন্তরে। ওঁ কারের দ্বীপ্ত আলোতে। ওঁ কা...

388>||--মোক্ষ লাভ--||

388>||--মোক্ষ লাভ--||            <----আদ্যনাথ--->( © ) মনকেন রে চরণ ছাড়া, হতে কি চাস লক্ষি ছাড়া। লক্ষি ছাড়া হুতাশন, লাগায় আগুন সর্বক্ষণ। মন জখোন হয় নিজে পাগল, খুঁজে মরে অনর্থ কেবল। কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-মদ মাৎসর্য্য, ষড়রিপু অশান্ত মনের নিতান্ত পরিহার্য। পাগলের থাকে যদি চিতে ভক্তি, বাড়বে পাগল মনের ভক্তি। ভক্তির শক্তিতে প্রশস্ত মুক্তি, ভক্তি শক্তি মিলে নিশ্চিত মুক্তি। মুক্তির অব্যবহতিপূর্বে চরণে স্মরণ যদি থাকে, শুদ্ধ মন কাঙ্খিত লাভ করে। তৎপর মাতৃ চরনের দর্শন যদি মেলে, পুঁজিওতাঁরে নিজ আপ্লুত অশ্রু জলে। নিশ্চিত মোক্ষ লাভ ইহ জগৎ হতে, আসিবেনা আর ফিরে পুনর্জন্ম লয়ে। ব্রহ্মে মিলন হবে ব্রহ্মতেজ রূপে, সার্থক ইহজন্ম সার্থক ভুবনে।    <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--24/09/2018--】      【=রাত্রি:10:18:22pm=】 【=বেলঘরিয়া=কোলকাতা -56=】 =========================

387>||সুখ নামে সুখ পাখী -||

  387/1>  ||-সুখ নামে সুখ পাখী -||                <--©➽--আদ্যনাথ -- সুখ নামে সুখ পাখী থাকে যে খাঁচায়, খাঁচার মালিক জেনেও জানেনা, সেই পাখীর খোঁজ তো রাখেনা। পাখীতো সদাই আনন্দে বিভোর রয়, পরমানন্দের খোঁজ দিতে চায়, কিন্তু মণ বাহিরেই সুখ খুঁজে বেড়ায়। যে নিত্য তাই আনন্দ, একথা নয় মিছে, তবুও ঘুরে মরা মিছে। নিত্য কে অবহেলা করে, অনিত্যের পিছনে ছোটা, জীবনটাই হারিয়ে যায় সেথা। অনিত্য হারিয়ে যায় সময়ের সাথে, নিত্য সদাই সুখ,আনন্দের আধার হয়ে থাকে, জীবনের সাথে সাথে। সুখ নামে সুখ পাখী থাকে যে খাঁচায়, নিজের মতন করে খুঁজে নিতে হয়। সত্যম্,শিবম্,সুন্দরম্ সদাই সত্য ভাবনা, চিদাকাশে ভ্রমিলে মনে থাকেনা ভাবনা। ------<--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------      【--anrc-22/03/2019--】      【=সকাল:08:08:22=】   【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ||==========================||                    387/2 || সুখানন্দ মনের ভাবনা ||             ...

||386>|| পিঠে-পুলি ।।

  386> || পিঠে-পুলি ।।                    <--©➽--আদ্যনাথ--> মকর সংক্রান্তি/পৌষ সংক্রান্তি পৌষ সংক্রান্তি বাঙালির পিঠা পুলি তারে কীকরে ভুলতে পারি। সারাদিন ঘুড়ি উড়ানো সন্ধ্যায় পটকা ফুটিয়ে ফানুস উড়িয়ে  পিঠা পুলি খাওয়া। সেদিনের দিনভর আনন্দের মেলা। বীরভূমের কেন্দুলী গ্রামের জয়দেব মেলা। নাচ গান আর বাউল গানের মেলা । সূর্যের আজ মকর রাশিতে করবে প্রবেশ। তাই তো মকরের পূণ্য স্নানের আবেশ। সকল তীর্থ বার বার গঙ্গাসাগর একবার, গঙ্গাসাগরের পূণ্য স্নানে জিবন উদ্ধার। বাঙালির পিঠে পুলির উৎসব, আনন্দে পিঠে পুলি খাবার উৎসব। গঙ্গাসাগর যেথায় আছেন ধ্যান মগ্ন কপিল মুনির আশ্রম। ভগিরথের আরাধনায় তুষ্ট গঙ্গা, স্বর্গ হতে মর্তে আগমন কালে, ক্রোধান্বিত কপিল মুনি, গঙ্গাকে উদরস্থ করলেন। ভগিরথের আরাধনায় তুষ্ট মুনি অনুপায় হয়ে, নীজের  উরু চিরে গঙ্গাকে মুক্ত করেন। নচেৎ গঙ্গা উচ্ছিষ্ট হবার কারন। তাইতো গঙ্গা জাহ্নবী রূপে মর্তে আভির্ভুত হলেন। মকর সংক্রান্তির দিনে জিবন উদ্ধারের তরে কপিল মুনির  জাহ্নবী তে ডুব দিয়ে পূণ্য ল...

385>||-জীবন একাই একশো-||

385>||-জীবন একাই একশো-||                  <----আদ্যনাথ--->( © ) জীবন একদিন্দু ভালোবাসার কাঙাল, বিন্দু বিন্দু ভালোবাসায় গড়ে ওঠে জীবন। বিন্দু বিন্দু হিংসায় গড়ে ওঠে প্রতি হিংসা, জীবন নিজেই পুড়ে মরে প্রতি হিংসার আগুনে। পুঞ্জীভূত ভালোবাসার এক বিন্দু দেয় নুতন জীবন, ভালোবাসার ক্রোড়ে ভালোবাসা দিলে সুন্দর নুতন জীবন গড়ে। উৎশৃঙ্খল,লম্পট,অমিতব্যয় জীবন সমাজকে ধংস করে। জীবন ব্যাকুল ভালোবাসার তরে। প্রেম ভালোবাসা চাইলে দিতে হবে সমান তালে। নইলে প্রেম ভালোবাসা ব্যর্থ মনস্কাম। ভালোবাসায় গড়ে ওঠে সমাজ সংসার। ভালোবাসায় খুলে যায় প্রকৃতির দুয়ার। ভালোবাসায় গড়ে ওঠে সপ্ন ময় জীবন। ভালোবাসায় গড়ে ওঠে নুতন জীবন। জীবনে জীবনযোগ জীবনের শ্ৰেষ্ঠ উপহার। সংযুক্ত জীবনে জুড়ে থাকাই আসলো কারিগর। একলা জীবন সেতো জীবন নয়। একলা জীবন তো বন্য পশুর সমান। অযথায় হারিয়ে যাবে অতল সমুদ্রে। অথবা মরুভূমির বালুকা ঝড়ে। জীবন জীবনের জন্য, জীবন জীবনকে ভালোবাসে। জীবন প্রকৃতির শ্ৰেষ্ঠ কৃতি, জীবন প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। ক্ষনিকের জীবন তবুও অহঙ্কার, একবিন্দু ভা...

384>||-ভারতবর্ষ আমার দেশ-||

384>||-ভারতবর্ষ আমার দেশ-||                    <----আদ্যনাথ---->( © ) ভারতবর্ষের সন্তান মোরা মনে রেখেছি অতীশ দীপঙ্কর কে। করেছি বিশ্বজয় বার বার প্রেম ভালোবাসা বিলায়ে। প্রেম ভালোবাসা আমাদের মন্ত্র, বিশ্বশান্তির এই মহা মন্ত্র। শিখিয়েছি বিশ্বকে প্রেম ভালোবাসা, বিলিয়েছি যুগ যুগ ধরে একনিষ্ঠ ভালোবাসা। প্রেমের মহা মন্ত্র দিয়ে, বিশ্ব করেছি জয় । আমাদের পতাকা সম্মানিত আজ, সবার উপরে রয়। আমাদে আদেশ সোনার দেশ,বারমাস সোনা ফলে। কতো দেশ, কত সভ্যতা, লুটেছে আমাদের, ইংরেজের মতন সভ্য জাতিও, লুটেছে ভারতেরে সু-দীর্ঘ কাল ধরে। তথাপি ভারতবর্ষ আজও সর্বশ্রেষ্ঠ সবার উপরে জ্ঞান বিজ্ঞান ধর্মে। এই ভারত যেদিন কর্মে শ্রেষ্ঠ হবে, সেদিন ভারত সর্বশ্রেষ্ঠ আসন লবে।  <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-15/09/2018--】      【=রাত্রি:12:08:22=】      【=কোলকাতা -59=】 =======================

383>||-জীবন কথা কয়-||

383>||-জীবন কথা কয়-||                <---------আদ্যনাথ-------->( © ) অনেকেই বলেন--- "ভালো আছি কিনা জানি না, ভালো থাকতে চাই প্রতিনিয়ত, ভালো রাখতে পারি কিনা জানি না, ভালো রাখার প্ৰচেষ্টা আবিরত।" তবে এই সত্য টুকু জানি----- ভালো থাকার ও ভালো রাখার প্রচেষ্টাই মানুষকে ভালো রাখে,বাঁচিয়ে রাখে। তারপরে সবই সময়ের খেলা। যে খেলা চলছে নিরন্তর। বিরামহীন এখেলা চলবে ততদিন, যতদিন থাকবে জীবন। শরীরে রক্ত বইবে, শ্বাস টুক চলবে। হৃদস্পন্দন  টিক টিক করে চলবে। বেঁচে থাকবার আশ্বাস টুকু থাকবে। জীবন এমনি বয়ে চলবে, জীবন বয়ে চলে নদীর স্রোতের মতন, কখনোই ফিরে পায়না ফেলে আসা রতন। যে সময় বয়েযায় সেটিই মূল্যবান হয়। আগামী দিনে দুঃখের বোঝা বয়। যদিনা একনিষ্ঠ সত্য পথে রয়। এরই নাম জীবন কথা কয়।  <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-15/09/2018--】      【=সকাল:08:27:22=】      【=কোলকাতা -56=】 ==========================

382>||-সোনার দেশ-||

382>||-সোনার দেশ-||             <----আদ্যনাথ--->( © ) এদেশ আমার দেশ, এদেশ সোনার দেশ। আমার দেশে সোনা ঝড়ে, নীল সাগরের নিচে মুক্ত ফলে। মুক্ত আকাশে বিহঙ্গ উরে চলে, কতো পাখি আনন্দে ঘর বাঁধে। আমার দেশের জল,বায়ু, মাটি, সকলি সোনার চেয়েও খাঁটি। এদেশ সকলের আদরের দেশ, সকল মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিবেশ। মানুষে মানুষে নাই হানা হানি, সকলেই সকলেরে আপন মানি। সকল ধর্ম এখানে সমাদ্রিত, সকল হৃদয় সদা উল্লসিত। সকল জাতি,ধর্ম, তথা লিঙ্গে, ভেদা ভেদ নাই আমাদের এই বঙ্গে। এখানে সকল সম্প্রদায়, বাস করি এক টোলা, পারায়। আমার এইদেশে বার মাস সোনা ফলে, ঋতুর সাথে সাথে প্রকৃতি সদা খেলা করে। চাঁদের কিরনে রুপালি ঝলক, সূর্যের কিরনে সোনার ফলন। এখানে নাই কোন বিদ্বেষ, আমাদের বঙ্গে বড়ই শান্তির পরিবেশ। এই বঙ্গ ভান্ডারেই আছে অমূল্য রতন, আমাদেরই করতে হবে রক্ষা করে যতন। আমাদের ধন,আমাদের জন, আমাদের পরিবেশ,আমাদের মান, আমাদের শুভ চিন্তা ও একনিষ্ঠ কর্ম, নিশ্চিত রুপে বাঁচবে দেশের মান। এসো সকলে মিলে হই আগুয়ান, ভুলে সকল গ্লানি মান অপমান। আমরা মানুষ মনেতে ওরাই ফানুস, ...

381>||-| जीवन ||

  381>|| जीवन ||     <--©➽-आद्यनाथ--> बहुत विचित्र इस जीवन, कभी रंगीन कभी मलिन। कभी सफेद कभी काले, कभी हँसते, कभी हँसाते। जीवन कभी स्वप्न के तरह कभी आश्चर्य कभी अद्भुत। जीवनको जानना बहुतई कठिन, और मनुष्यको पहचानना उससेभी कठिन।  <--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->      24/01/2021  to fb =========================

380>||-দাম্পত্য জীবন-||

380>||-দাম্পত্য জীবন-||            <---আদ্যনাথ-->( © ) দাম্পত্য জীবন কি কেবল রাতের অন্ধকারে, জৈবিক ক্রিকলাপে মত্ত হয়ওয়া দুটি মনে। কাম তৃপ্ততার লালশায় পরিপূর্ণ দুটি মন, দুটি শরী সকল জীবন আদর্শ ভুলে, ক্ষনিকের তরে-- রাতের অন্ধকারে মেতে চলা রোজনামচার জীবনে অনন্ত কালের জৈবিক কর্মে? দাম্পত্য জীবন---- কখনো সরল স্বচ্ছ জলের মতন, কখনো ভয়ঙ্কর প্রবল ঝড়ের মতন। দুইনদীতেই বইতে হয় তরী নিপুণ কুশলে, দাম্পত্য জীবনের সুখ বুদ্ধিমত্তার বলে। নিপুনতার অভাবে ডুবেজায় তরী অকুলে, অথবা হাল ছাড়া ভাসে তরী স্রোতের টানে। দাম্পত্য জীবনের সুখ প্রেমের বন্ধনে, দাম্পত্য জীবনের কলহ স্বার্থের কারনে। দাম্পত্য জীবনের সুখ গড়ে তোলে সংসার, দাম্পত্য কলহে সর্বনাশ সোনার সংসার। দাম্পত্য সুখ ফুলের ন্যায় সুবাস ছড়ায়, দাম্পত্য কলহে ফুল অকালে ঝড়েযায়। দাম্পত্য জীবন এক স্বর্গীয় আনন্দময়, দাম্পত্য কলহে সংসারের সর্বনাশ হয়। দাম্পত্য সুখ গড়ে তোলে সুন্দর সমাজ, দাম্পত্য কলহ গড়লে বিষাক্ত করে সমাজ। সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে সুন্দর পরিবেশ, সুন্দর প্রজন্মের জন্ম হয় সুন্দর পরিবেশে। দাম্...

379>|| ও একটু ভারী ||

379>|| ও একটু ভারী || আরে আরে ওভারী নয় বেশি, ভারিক্কি একটু বেশি। ওর রাশ ভারী তাই দেখায় ভারী, আসলে সুন্দর ভারী। ওজন-পেশী একটু বেশি, আসলে একটু বেশি হাসি খুশি। এর আসল তথ্য তুমি কি জান? ওজন-পেশী কেন বাড়ে? ওজন পেশী কি আর এমনি বাড়ে ? ওদের ভোজন সামান্য, জ্ঞান যে অসামান্য। সকলের সামনে অতি নম্র, একলা পেলে বুঝিয়েদেয় ধর্ম। নিজের ছারা প্রতিবেশীর চিন্তা বেশি, আসলে চোখের জলও যে বেশি। যতই বাড়ে চিন্তা ওদের, ওজন পেশী বাড়ে ওদের। মস্তিষ্ক টা তো গুণেই ভরা, তাইতো ওরা হয়না নেড়া। ভেবনা ওরা অতি সামান্য, ভুলেও যেন কোরোনা অমান্য। মোটা মোটা কখনই বলোনা ভায়া, আদরে বলতে পার একটু ভারী কায়া। দেখে ভাবছো এতো স্থূল কেন? অন্য কিছু ভেব না যেন! ওগুলো নয় এমনি স্থূল ওহে মশাই, স্তরে স্তরে বুদ্ধি, চিন্তা, জ্ঞানে, যে বোঝাই। ঐযে সুন্দর কুচযুগল অপূর্ব নিটোল ভরা, ওতে আছে মাতৃত্ব ও সন্তানের চিন্তা ধারা। পেটে দেখছো কতো ভুঁড়ি, ওগুলো কি আর এমনি থোরি। ওতে আছে রেসিপি বোঝাই, কত দেশ বিদেশের রসনা মালাই। ওইযে দেখছো নাভির চার পাশ টা ওতে একান্ত ওর নিজের চিন্তার জটা। থাকেনা কোন কথাই গুপ্ত ও গোপন, ...

378>||-| সংসার সমুদ্র || --to fb

 378>|| সংসার সমুদ্র || --to fb                  <--আদ্যনাথ-> জীবনে অনেক পেলাম, যতটুকু মনে প্রানে চেয়েছিলাম। তবে রয়েগেল কিছু বুদ্ধির ভুল, কিছু বুঝতে হয়েছিলাম আকুল। বুঝিনা কে মূর্খ কে জ্ঞানী, ভাবনা গুলি ভাবায় কেবলি। তর্কের শুরু হয় যে কথায়, কিছু পরেই পথ বদলায়। সংসার বড়ই জটিল, সকলের মন রাখা ততোধিক কঠিন। ঝগড়া হলেই হম্ভী তম্ভী শোনা যায়, কে মূর্খ কে জ্ঞানী বোঝার কি উপায়। নৌকার কে মাঝি কে দারি তুফানে কি বোঝা যায়! সংসার সমুদ্র মাঝে সারাদিন চলে  ভীষণ ভয়ঙ্কর ভাঙা গড়ার খেলা, তবুও দিন রাত সমুদ্রে ভেসে চলা কঠিন বড় সেই নৌকা বেয়ে চলা। ঢেউগুলি আঁছড়ে পড়ে মনের তীরে, দু:খ গুলো রয়ে যায় মনের বালুচরে।  <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->       ========================

377>||--Ant=পিপড়া--||

377>||--Ant=পিপড়া--||                      <----অনাথ-----> এই পৃথিবীতে আছে কত পিঁপড়ে, নাম গুলি জানা আছে কি ঠিক করে? জানতে হলে পড়তে হবে এই লেখা, যে টি পিঁপড়ের নামের তালিকা। যদিও অনেক অতীতের লেখা, আজকেই খুঁজে নিলাম সেই লেখা। অনেক পিঁপড়েই ত দেখলাম, কতো পিঁপড়ের কামড় খেলাম। সবচেয়ে বড় বড় বিশাল  ant----- যার নাম --(Eleph+ant)--=Elephant জখোন কেউ যদি হয় বুদ্ধিমান তখন তারে বলি জুড়েদিয়ে---ant---- সেটিকে বলি --(Brilli+ant)---=Brilliant কত মানুষইত থেকে আমাদের সাথে, তবে সেই per man এর সাথে জুড়ে দিলে ant হয়ে যাবে স্থায়ী ভাবে থাকা আমাদের  সাথে, তখন বলবো তাকে---- (Per+man+ant)-----= Permanant Eleg এর সাথে জুড়ে দিলে ant, হয়ে যাবে সর্বদা সুন্দর পোশাক পরে থাকা, সুন্দর এক নাম----- তিনি হলেন---(Eleg+ant)--= Elegant খাজাঞ্চি, যিনি সকল হিসাব  রাখেন, এমন একটি ant. তিনি দক্ষ অতি, নিশ্চই তিনি --- -( Account+ant )--`= Accountant Ant কে রাখতে সুস্থ লাগে যে ওষুধ ---    এমন ওষুধের নাম তাও ঠ...

376>||-হায়রে জীবন-||

376>||-হায়রে জীবন-||                    <--------অনাথ-----> শরীর নামের খাঁচাটা, এখনো বেঁচে বর্তে আছে যেটা। কতইনা আপন, আছে মান, আছে কত চিন্তা অপমান। কেটেছে এত গুলি বছর, কত কৃচ্ছসাধন কত কষ্টের ধন। করেছি সঞ্চয় কত দিয়া মন, এখন নানান চিন্তায় মগ্ন হয়। জীবন সূর্য অস্তমিত প্রায়, খাচাটাও জীর্ণ প্রায়। (হাড়ের জোড়গুলি শিথিল প্রায়) কি হবে ওই গচ্ছিত ধন, যা হয়েছে সঞ্চয় দিয়ে মন। কিহবে এই শরীরের খাঁচাটার, যে ছিল আদরে বলে আমার। দেবে তো নিশ্চই পুড়িয়ে, আগুনে অথবা যাইবে কবরে। যেটুকু আছে সঞ্চয় গচ্ছিত ধন, সকলি রইবে পরে কষ্টের ধন। আসতে হয়েছে একলা, যেতেও হবে যে একলা। মাঝ পথে পেয়ে ছিলাম যাদের, তাঁরা ব্যস্ত সংসার কর্মে নিজেদের। মাঝের একটু আগে প্রথম স্টেশন, সঙ্গী হয়েছেন একজন। স্ত্রী রূপে তাঁরে করেছি গ্রহণ, তাঁর সাথেই চলেছি করে যতন। এখন তিনি রুগ্ন, কত বিলাপ করে, ক্লান্ত প্রায় শরীরের ভারে। ঈশ্বরের নাম জপেন দিবা রাত্র, পরিত্রানের তরে জপে গুরু মন্ত্র। আমি রূপে এই খাঁচা ও মাংস পিন্ড, যার আছে অহঙ্কার প্রচন্ড। কি হইবে তা...

375>|| -ব্যাভিচারিণী-||

375>|| -ব্যাভিচারিণী-||                   <----অনাথ----> তোমার নির্লজ্জ্ব  উদাম উলঙ্গতা, আদি মানবের কামুকতা। নিকৃষ্ট কিটের মতন যৌনতা, মনুষ্য ভাবনার অধিক চাহিদা। যাকে অধিক ভালোবাসা দিয়ে, নোংরা নালি থেকে তুলে নিয়ে, বেঁধে দিতে চেয়েছিলাম ছোট্ট একটি ঘর, ভেবে ছিলাম  ফুলের মতন হবে সেই ঘর। ঈশ্বর প্রদত্ত তোমার গুন গুলি যা দেখে ভেবে ছিলাম হয়তো, অভাবের তাড়নায় সমাজের যাতনায়, তুমি এসে পড়েছ এমন নর্দমায়। তাই তোমাকে দিতে সম্মান, বাঁচাতে দেশের এক নারীর সম্মান। করিনি পরোয়া নিজের সম্মানের, করেছি আপ্রাণ বাঁচাতে তোমার সম্মানের। কিন্তু না হলনা সমাধান যার বাস নর্দমায়, তার নিকট শ্ৰেষ্ঠ স্থান ঐ নর্দমায়। তোমার যৌন চাহিদা,রমন ইচ্ছা, শরীরের চাহিদা,চোখের নেশা, কাম উত্তেজনার তাড়না অফুরন্ত কাম ক্ষুধা। কাম গন্ধের প্রতি লালায়িত লিপ্সা, পুরুষ সঙ্গ ও অর্থের লালসা। তুমি সমাজে বাসের নও যোগ্য, তুমি নারী নামের কলঙ্ক অতি ঘৃণ্য। তুমি কি নারী কুহকিনি। ঘৃণ্য কীট অতি জঘন্য, তুমি নরাধম অতি অধম সমাজের কলঙ্ক, ঘৃণ্য। কথায় কথায় তোম...

374>||-স্বচ্ছ মোরা-||----( 1--3)

374>||-স্বচ্ছ মোরা-||         2>||-স্বচ্ছতা-||          3||-स्वच्छता-|| ======================== 374>||-স্বচ্ছ মোরা-||        <----অনাথ----> ব্রীজ আতঙ্কে কাঁপছে দেশ, স্বচ্ছ মোরা স্বচ্ছ মোদের দেশ। ব্রীজ তুচ্ছ রাস্থা উহ্য ডিজিটাল এ দেশ, টাকার আতঙ্ক কাটেনি এখনো, পেট্রল ডিজের রান্নার গ্যাসে নয় খ্যান্ত। বন্যা পীড়িত নদী ভাসাচ্ছে গ্রাম গঞ্জ। কার আছে হুঁশ সবাই ব্যস্ত নিয়ে ঘুষ, গণ্য মান্য নেতারা ধন্য ভুগছে মানুষ। ভাঙছে ভাঙুক ব্রীজ,পুল, দোষ চাপিয়ে এওর ঘাড়ে, ঘুরবো দেশ বিদেশ প্লেনে চড়ে। গড়া হবে কমিটি নিতান্ত পরিপাটি, হিসাব নিকাশ প্লান পোগ্রাম করবে কমিটি। ষষ্ঠ বার্ষিকী নয় দশম বার্ষিকী। কাগজ আর ফাইলের বোঝা বাড়বে। আগে নুতন নুতন গড়বে। তার পরে নাহয় ভাঙা গুলোর প্লান হবে। ব্রীজ পুল ভাঙছে, দোষ টা যে কার, সেটা খোজা হোক আগে। নদী গ্রাম ডোবাচ্ছে, বন্যা হবার হচ্ছে, নেতারা করবে টা কি তার। প্রকৃতির দোষে মানুষ ভুগছে, নেতারা করবে টা কি তার। তবু ও ত্রাণ দিচ্ছে খিচুড়ি খাওয়াচ্ছে। নেতারা করবে টা কি আর। ভোট ...

373>||-ব্রিজ আতঙ্ক-|| =+|--ব্রিজ--||

373>||-ব্রিজ আতঙ্ক-|| 2>||--ব্রিজ--|| ==================== 373>||-ব্রিজ আতঙ্ক-||               <----অনাথ----> ব্রিজ আতঙ্কে দেশ আতঙ্কিত, সাধারণ মানুষ অতি ভয় ভীত। ব্রিজের নীচে যাদের বাসা, তারা ছেড়েছে প্রানের আশা। তথাপি দেশকে ভালোবেসে, অনেক আশা নিয়ে বসে। পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ জেলা, ব্রিজ উড়াল পুলের মাজা ভাঙার খেলা। এমনদেশটি কোথাও খুঁজে পাবেনাকো তুমি। ব্রিজ আতঙ্কে দিশে হারা, আমার জন্ম ভূমি। একের পরে এক ভাঙছে ব্রিজ, উড়াল পুলের ওভার পিচ। পিচের ভারে ভাঙছে ব্রিজ, মেট্রো গড়তেই হচ্যাং ফিস। একটা কথাই বলে রাখি, যেখানে যাও না রে ভাই দুনিয়ার এপার ওপার, আমাদের ব্রিজের কাছে যেও না খবরদার! সতর্কতা ভুলে গেলেও যেওনা ব্রিজের  ধারে। কে বলতে পারে কোনটা, কখন ভেঙে পড়বে ঘাড়ে। সর্বনাশের  ব্রিজ গুলো সব, কর্ম নাসের ফন্দি আটে। ভেঙে পড়লেই ফন্দি আটে, দোষটা আসলে কার হবে বটে। ইনসিওরেন্স কম্পানি গুলি, ফাইল নিয়ে দৌড়চ্ছে অলী গলি। খুঁজতে কে কখন যাবে, ব্রিজের উপরে বা নিচে, তার আগে যদি পারাজায়, ইনসিওরেন্স টা করিয়ে নিতে। ...

372>||-আমাদের আরাধ্য শ্রেষ্ঠ ডন----||

372>||-আমাদের আরাধ্য শ্রেষ্ঠ ডন----|| সেই আদি কাল থেকে এখন পর্যন্ত শ্ৰেষ্ঠ ডন একজন । এমন কোন পাপ কার্য নাই যা তিনি করেননি। জেলের মধ্যে হয়েছে জন্ম যার, মা বাবার হয়েছে অদল বদল। এমন অঘটন ঘটেছে কোন কালে কার। তথাপি তিনি শ্রেষ্ঠ সকলের মান্য বড়। শিশু কাল থেকেই প্রেম, বিলাসিতা, মেয়েদের করতো উৎপাত। যৌবনে মেয়েদের ছের খানি, এমনকি পর নারীর সাথে ঘনিষ্ঠ প্রেম। নাগ দেবতাকে দিয়েছে দন্ড, করে খন্ড খন্ড। পথে ঘাটে পাথর মেরে মেয়েদের করতো উৎপাত, পাথর মেরে মেয়েদের জল ও দধির হাঁড়ি ভাঙতো। গ্রামের ঘরে ঘরে মাখন চুরি করতো। কতো মেয়ে যে ছিল তার প্রেমিকা তাঁর অন্ত নাই। স্ত্রী ছিল দুজন। তথাপি নিজের মামাকে করেছেন মার্ডার। মথুরায় ছিল নিবাস। তথাপি কোনদিন ধরা পড়েন নি। কোন শাস্তিই পান নি। উল্টে অন্যকে দিতেন শাস্তি। কতজে করেছে অন্যায় , তার কোন হিসাব নিকাশ নাই। এত কিছু করেও কোনদিন কোন দন্ড ভোগেন নি। আর এই কারনেই তিন শ্রেষ্ঠ ডন, সবার আরাধ্য হন। আজকে তাঁরই জন্মদিন । তাই চলছে ধুম ধাম। তিনি শ্রীকৃষ্ণ, আমাদের সকলের আরাধ্য শ্রীকৃষ্ণ। জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় শ্রীকৃষ্ণ। জয় শ্রীকৃষ্ণ । জন্মাষ্টমী উপলক...

371>||- দূষণের প্রতি-||+>|| প্রদুশনের সকাল ||

371>||- দূষণের প্রতি-|| 2>|| প্রদুশনের সকাল || ===================== 371>||- দূষণের প্রতি-|| কি হোল শ্রবণেন্দ্রিয়ে লাগছে তালা, ধ্বনি-বিবর্ধক যন্ত্রের শব্দদূষণের পালা। বাঁচেত হলে শুনতে হবে, দিনগুলো তো কাটাতে হবে। তারস্বরে বাজবে মাইক, প্রচার করতে চাইযে মাইক। আমরা এখন প্রগতির দিকে, প্রচার যে চাই দিকে দিকে। যার যেমন খুশি তেমন চলবে, বাঁচতে চাও নিজে বাঁচবে। অন্যকে কে কেন দূষবে, তারাতো তোমার প্রতি ফুঁসবে। থাকতে হবে সাবধানে, বাঁচতে হবে ব্যবধানে। শব্দ দূষণের ভয় কেন, শব্দ আছে তাই দূষণ হবে। এত ভয় করছো কেন, কানে তালা লাগবে বলে। কান টি তোমার নিজের বলে, যা ইচ্ছা তাই যাবে বলে। সহ্যের একটা সীমা আছে, শব্দের ও তো সীমা আছে। শব্দ যদি সীমা ছাড়ায়, তুলো তো আছে হাতের গোড়ায়। কানে তুলো গুঁজবে, কান দেবেনা গুজবে। আমর উপদেশ মানতে পার, নয়তো যেমন খুশি চলতে পার। চলা নাচলা নিজের ব্যাপার, যে যেমন চলে তার নিজের ব্যাপার। নিজেকে হবে বাঁচতে, সমাজে হবে থাকতে। ধরোএকটু ধৈর্য নাহয় আছে তুলো, যেমন খুশি তেমন বলো চলো। শব্দ দূষণ,শব্দ দূষণ, দূষণ ই তো আমাদের ভূষণ। এইযে প্লাস্টিক নিয়ে ক...

370>||--আকাশ--||

370>||--আকাশ--|| আজশ টা কি কারো নিজের! সেতো সকলকে দেয় ধরা, কখনো মেঘ হয়ে কখনো বৃষ্টি দিয়ে, কখনো নীল হয়ে মুক্ত বিহঙ্গেরে। রূপ বদলের পালা চলে, আপন খেয়ালে। মুক্ত বিহঙ্গ গুলি উড়ে বেড়ায়, আকাশের কোলে, কতো স্বপ্নদেখে আকাশে উড়ে উড়ে। প্রভাতের রক্তিম সূর্যালোকে, পৃথিবী রাঙ্গিয়ে নেয় নিজেকে। বৃক্ষ লতা সকল আনন্দে নেচে ওঠে, পাখিরা মুক্ত আকাশে, আর বৃক্ষ সাখে বসে ডেকে ডেকে, নিজেদের সাথিরে খোঁজে। মনের মতন সাথী পেলে ছোট্ট ঘর বাঁধে, মিলন মধুর হলে দুজনে মিলে, বংশ বিস্তারে জোড়ে। সেই নিরালায় পাখিদের প্রেম, অপূর্ব সেই প্রেম আকাশ চেয়ে দেখে। এই আকাশ চুপি চুপি সকল দেখে, এতো দেখেও সাক্ষী না হয় কভু। আকাশে পাখিদের ওড়ার সীমা থাকে, আকাশ সকলি আপন মনে চেয়ে দেখে। আকাশ ডরায়না কভু কারে, প্রকৃতি এতো ঝঞ্ঝা বজ্রবিদ্যুৎ হানে, বায়ু তো উথাল পাথাল করে, বার বার সকল তছ নছ করে, তবুও আকাশ ভিত হয়না ক্ষনিকের তরে। মুক্ত আকাশ, অফুরন্ত মুক্ত থাকে। প্রকৃতির রোষানলে বিক্ষিপ্ত মেঘগুলি, আকাশের কোলে ভাসে, বায়ু মেঘগুলিকে তারা করে চলে, মেঘ গুলি খন্ড খন্ড হয়ে ভেসে চলে। কখনো প্রবল বেগে বৃষ্টিহয়ে ঝড়ে,...

369>||--সংসারের জ্বালা--||

369>||--সংসারের জ্বালা--|| সংসারের দুটি মহৎ জ্বালা, অশান্তি ও অনিষ্ঠের মূল, একটি দিনভর সিরিয়াল, দ্বিতীয়টি টক ফ্রি মোবাইল। জ্বলছে জ্বলুক গ্যাস, কাঁদছে বাচ্চা কাঁদুক, সিরিয়ালের কোন স্পিচ, যেন না হয় মিস, মোবাইলে চলছে রান্নার ফিরিস্তি, সবকাজ যাক চুলায় ক্ষতি কি। রেসিপির রকমারি বাহাদুরি, তার কত কি কারি কুড়ি। আরে আরে ছারিস না বলে যা, আন লিমিটেড কল ফ্রি আমারটা। তোর কেবলে কেমন চলছে টিভি? আমাদের আগের টা পাল্টে নুতন কানেকশন মিলাম। দাঁড়া একটু ছারিসনা কিন্তু ফোন, ভাত হয়ে গেছে গেলে আসি ফ্যান। একটু পড়ে ভাতের ফ্যানটি গেলে নিয়ে--- হ্যালো হ্যালো হ্যালো, যাহাঃ ছেড়ে দিলো। মনের দুঃখে ফোন ছেড়ে মন দিল টিভি সিরিয়ালে। মুস্কিল একটাই ফোনে স্পিকারে দিয়ে পরে রান্নাটি করা চলে। কিন্তু সিরিয়াল দেখা, রান্না ঘরের বাইরে ডাইনিংএ। সিরিয়ালের দেখতে, কতদিন রান্না পুড়ে গেছে। কোনদিন নুন বেশি হয়েছে, কোনদিন নুন ছাড়াই রান্না হয়েছে। গিন্নির চিৎকার কি হলো রে করবি, সারাদিন কি ফোনই কোরবি। নাকি রান্নায় একটু মন দে এবার, রান্না না পুড়ে যায় আবার। এইএক মুস্কিল গিন্নি চেল্লাবে, রান্নার ম...

368>||-প্রেমের সংসার-||

368>||-প্রেমের সংসার-|| প্রেম ভালোবাসা দিয়ে গড়ে সংসার, কিছু চাওয়া পাওয়া প্রেম প্রশংসার। সুখে দুঃখ ভালো বাসা নিয়ে সংসার, সামান্য অহঙ্কারে বিষাক্ত হয় সংসার। রমণীর গুনেই হয় সুন্দর সংসার, বিশ্বাস ভালোবাসাতেই চলে সংসার। ঘরকন্না,পরিবার,সকল নিয়েই সংসার, মায়ার বাঁধনেই টিকে থাকে সংসার। ভালবাসার এ সংসারে বাড়তি চাওয়া, হলেও হতেপারে উভয়ের চাওয়া পাওয়া। চাইবে স্বামী স্ত্রীর কাছে একটু আদর বেশি, স্ত্রী বলে সর্বদা নির্যাতন, খাটাও কেন পেশী! স্ত্রী বলে ক্লান্ত  সারা দিনের পরিশ্রম, স্বামী বলে তুমিই কাজী,আমিও কি কম! সংসারের চাওয়া পাওয়া নিত্য দিনের খেলা, আজ সংসারে প্রেম যেন অনল বন্দীশালা! তথাপি চলছে সংসার প্রকৃতির নিয়মে, বাক্ বিতণ্ডা রাগ অনুরাগ নিত্য দিনে। চাওয়া পাওয়ার বোঝা পড়া অম্লমধুর, তথাপি একে অন্যের তরে ভাবনা মধুর। এভাবেই চলছে সংসার যেন তেপান্তরে, স্বামী স্ত্রীর বোঝাপড়া হয়নি যুগান্তরে। বুঝেও বুঝিনা কেবেশি ঝগড়া সারাক্ষণ ক্ষণেক পরে পুনঃপ্রেমের সংসার যেমন। জীবন তো একটাই প্রেমের সংসার, প্রেমেই বন্ধন বাঁধে জীবন সংসার। প্রেম নিতান্ত সংবেদনশীল সংসারে, প্রেমকে সাম...

367>||-নিয়তির খেলা-||

367>||-নিয়তির খেলা-|| ওই যে ওরা,অসহায় ওই পথশিশুরা, অথবা যারা আছে আশ্রমে বা হোমে। কেউ পিতামাতা হারিয়ে, কেউ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে। কাউকে তার অযাচিত,অবৈধ মা, ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল ডাস্টবিনে । কেউ পঙ্গু, কেউ অন্ধ,ভগ্ন শরীর, কেউ অসুস্থ্য,কেউ কতো সুন্দর। ওরা অবোধ জানেনা পিতামাতার নাম, কিন্তু ওদের হাসি টুকু সদাই অম্লান। ওরা সমাজে অবহেলিত অবহেলায় লালিত পালিত। স্টেশনে সিঁড়ির নীচে অন্ধকারে, অথবা ওই পাইপ গুলির ভিতরে। ওদের আছে অফুরন্ত উচ্ছ্বাস, নাই জীবনের কোন হা-হুতাশ। ওদের মুখের হাসি কখনো হয়না ম্লান। হয়েও সর্বহারা সকলকে করে সম্মান। কে জানে কোন পাপের ফলে, ওই পথ শিশুরা, কাঁদিছে রাস্থার ধারে বসে। বোধ হয় ঈশ্বরের সদিচ্ছা, দিতে আমাদের শিক্ষা, কাদাইছেন ওই পথশিশুদের। ওরা না কাঁদিলে কি করে বুঝব, সুখ,দুঃখ,হাসি কান্না সকলি সময়ের খেলা। ওদের যাতনায় হয়তো জাগিবে, আমাদের মনের চেতনকরুনা। ঈশ্বর হাসিবেন অলক্ষ্যে বসে, কারন ঈশ্বর আমাদের ভালোবাসে। তাইতো জাগাইতে চেতনা, ঈশ্বর অলক্ষ্যে খেলিছেন নিয়তির খেলা।  <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-22/08/2018--】 ...

366>||-আজকের ছোট পরিবার-||

366>||-আজকের ছোট পরিবার-|| সবাই খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত, কেউ খায় ঘুষ,কেউ খায় দুধ, কেউ মদ বেচে দুধ খায়, আর কেউ দুধ বেচে মদ খায়। এই বেচা ও খাওয়া নিজের সিদ্ধান্ত, মানুষ বেছে নেয় তাঁর নিজের পছন্দ। যে যার খাওয়া নিয়েই ব্যস্ত। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কিখাব কিখাব--- ব্যাগ নিজে বাজারে ছুট। বাজার থেকে ফিরে, কোনমতে খেয়ে, অফিসের জন্য ছুট। স্বামী স্ত্রী উভয়েই ছুটছে, শিশুটি ডে-কেয়ারে ধুকছে। ডেকেয়ার ছুটি হবে সন্ধ্যা 7টায়। স্বামী বলে তুমি রিসিভ কর সোনাকে, স্ত্রী বলে না না তুমিই যাও 7টায়, আমার কনফারেন্স 7টায়। এমনি চলে আজকের জীবন। নানা বাজার রইল ফ্রিজে, হোম ডেলিভাটিতেই  অভ্যস্ত। শিশুটিও নুডুলস চাওমীনে ব্যস্ত। ছোট পরিবার সুখী পরিবার, আজ সকলে আই টি অথবা ইন্টারনেটের নেটওয়ার্কে ব্যস্ত। সকলেই খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত, কিন্তু খাবার সময় কোথায়? রোজ রোজ ফাস্ট ফুড, কতো আর থাকে মুড। শনি আর রবিবারে জমিয়ে খাওয়া, সেওতো উইকএন্ডের খাওয়া। উইকএন্ডে ঘরের খাওয়া, সেতো মনেহয় জাবরা খাওয়া। হোটেলের বাসী পচা পেট পুরে খাওয়া, রুচি থাকে না ঘরের তাজা খাওয়া। --©--●অনাথ●--->      【--anr...

365>||-মরার আগে-||

365>||-মরার আগে-|| মরার আগে শ্রীকৃষ্ণের পাদপদ্মে রাখ মন। মরার আগে মরতে চাই না। মরার আগে মনথেকে মরতে চাই না। মরার আগে কোন বন্ধন মানতে চাই না। মরার আগে হাসি টুকু বন্ধ করতে চাই না। মরার আগে কোন সাধ অপূর্ণ রাখতে চাই না। মরার আগে শরীর নিয়ে ভাবতে চাই না। মরার আগে কোন শাসন মানতে চাই না। মরার আগে কোন লালসা রাখতে চাই না। মরার আগে বয়স নিয়ে ভাবতে চাই না। মরার আগে পথ চলা থামাতে চাই না। মরার আগে ভাবনায় বাধসাধতে চাই না। মরার আগে দুঃখ কে ডেকে আনতে চাই না। মরার আগে অহেতুক চিন্তা করতে চাই না। মরার আগে ভালো বাসতে ছাড়বো না। মরার আগে কখনো কাঁদবো না। মরার আগে নিজের মতন চলবো। মরার আগে যেমন ভাবনা তেমন করবো। মরার আগে বুক ফুলিয়ে চলবো। মরার আগে পারলে আকাশে উড়বো। মরার আগে পারলে হিমালয়ে চরবো। মরার আগে পারলে উজানে দাঁড় বাইব। মরার আগে পারলে বিশ্ব ঘুরে দেখবো। মনে মনে করি পণ, আজ এই ক্ষণ, জীবন আছে যতক্ষণ। নিজের জন্য ভাববো না। অপরকে সহায়তা করতে পিছে হাঁটবো না। অসহায় দুস্থ দের পাশে দাঁড়াবো। অপরের জন্য এজীবন সদা ব্যস্ত রাখবো। এ নয় মনের কল্পনা, এ আমার সঙ্কল্প। জীবনে যতটুকু পারি নিশ্...

364>||--ওল চিংড়ি-||

364>||--ওল চিংড়ি-|| আজকের খাবারের মেনু একটু অন্য, রোজ রোজ যা খাই তার থেকে ভিন্ন। গরম ভাতে পোস্ত বাটা,আলু পোস্ত, ওল সেদ্ধ,চিংড়ি ওলের তরকারি। এই বর্ষায় ইলিশ ছেরে অন্য অপশন, পোস্ত, ওল,আর চিংড়ির কম্বিনেশন, সে এক মজাদার প্রেজেন্টেশন। ভাদ্র মাসের মজা ইলিশ আর কচু, ভদ্র মাসে নাকি খাওয়া ভাল কচু। কচু খেতে করে ভয়, আজকে ইলিশ ছিল মনের মত নয়। ছিল ছোট ইলিশ তাই কাটার ভয়। তাই চিংড়ি তেই দিলাম মন, চিংড়ি আর ওলের কম্বিনেশন । খাবারের রস বোধ রসনার তৃপ্তি পেটুক দের নানান সৃষ্টি। পেটুকের চাহিদা নানান রসনা, কখনো মেটেনা এদের বাসনা। আমি নই পেটুক,একটু খেতে ভালো বাসি, মনের মতন খাবার পেলে খাই একটু বেশি। তাতে এমন আর কি দোষের হয় বটে, মনের মতন খাবার কি রোজ জোটে? <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--31/08/2018--】      【=রাত্রি:10:00:22pm=】      【=কোলকাতা -56=】 ========================

363>||-ভাদ্রের বর্ষায় সুখ-||

363>||-ভাদ্রের বর্ষায় সুখ-|| দুনিয়া বদলে গেছে প্রকৃতিও কেমন পাল্টে গেছে। ভাদ্রের রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে শরতের মেঘেদের উকি ঝুঁকির মাঝে, হঠাৎ কালো মেঘ গুলি এগিয়ে শরতের মেঘ কে দিল তাড়িয়ে। ঝরে পড়লো অঝরে বৃষ্টি হয়ে। সূর্যকে ঢেকে দিয়ে কালো পর্দায় ঝরতে লাগলো অফুরান ধারায়। চলছে মেঘের তরজন গর্জন, আকাশটা বুঝি ভেঙে পড়বে এখন। এ কেমন তরা প্রকৃতির খেলা, হঠাৎ রোদ বৃষ্টির এমন খেলা। পুকুর নালা সব টইটুম্বুর জলে, আর একটু হলেই সব ভাসবে জলে। বৃষ্টির সাথে সবজির দাম বাড়ন্ত, মাছ পাওয়া যাচ্ছে ভালো জ্যান্ত। বাজারে ইলিশের ছড়া ছড়ি, তবুও  চলছে দরা দড়ি। এমনদিনে খিচুড়ি ইলিশ ভাজা, বর্ষার এমন খাওতেই আসল মজা। এতো সস্তায় ইলিশ পেয়ে রুই কাতলা গেছি ভুলে। রোজ রোজ ইলিশের চার, বাড়বে ক্লোরস্ট্রাল হাই প্রেসার। বাড়ুক প্রেসার, ক্লোরস্ট্রাল,ভুড়ি, এমন ইলিশের মজা কি ছাড়তে পারি। খাওয়াটা যদি হয় পেট পুরে, ভাত ঘুমটাও হলে পরে দুপুরে, সুখ তো তাকেই বলে।  <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--31/08/2018--】      【=:07:30:22pm=】      【=কোলকাতা -56=】 ====...

362>||-বঙ্গ সন্তান-||

362>||-বঙ্গ সন্তান-|| হে বঙ্গ সন্তান, দেশ তো আজ প্রায় প্রগতির শিখরে, তবে তোমরা কেন মরছো অকাতরে। পার না কী একটু ধর্যশীল হতে! দেশের অগ্ৰ গতির স্বার্থে? দেশমাতৃকার নাই রক্তের লালসা, মা চাইছেন ভক্তি শ্রদ্ধা ভালোবাসা। আজ হও এক জোট শিক্ষার তরে, বিশ্বে বিলাও জ্ঞান বিজ্ঞান অকাতরে। তোমার আমার এদেশ বিশ্ব সেরা, আছে তার প্রমান ইতিহাস জোড়া। জানি তুমি বীর যোদ্ধা করোনা ভয়, আজও তুমি পার করতে বিশ্ব জয়। তুমি কেন অবহেলায় দিচ্ছ প্রাণ, তুমিই তো দেশের শক্তি বলে বলীয়ান। তুমিওতো দেশের সর্ব শ্রেষ্ঠ সন্তান, কেন দিচ্ছ অযথায় নিজেরে বলিদান। হও আগুয়ান লয়ে শিক্ষাও ত্যাগের মন্ত্র, শিক্ষাকে ছড়িয়ে দাও গ্রাম হতে গঞ্জ। যেথায় পৌঁছোয়নি শিক্ষার আলো, সেথায় জ্ঞান বিজ্ঞানের জ্বালো আলো। কতো দরিদ্র অসহায় বসে কাঁদে, দুবেলা দুমুঠো খাবারের আশে। তাঁরা চেয়ে আছে তোমার পানে, তুমি নাহইলে সহায় কে বাঁচাইবে তাঁরে। এসো ভাই এসো সকল দ্বিধা ভুলে , নেও ওদের কোলে তুলে । যারা কাঁদছে ওই বসে পথের ধারে, দেও অন্ন ও শিক্ষা ওদের আদর করে। তুমিই তো জ্বালাবে শিক্ষার আলো, শহর হতে প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের ঘরে। হও দি...

361>||-মানুষ শ্রেষ্ঠ-||

361>||-মানুষ শ্রেষ্ঠ-|| মানব প্রকৃতি বড়ই জটিল---- মানব প্রকৃতির কিছু তত্ত্বের অবদান জীববিজ্ঞানগত, কিছু সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিবেচ্য। ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ কৃতী মানুষ সৃষ্টি। ঈশ্বরের শ্ৰেষ্ঠ দান মানুষের জ্ঞান। ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ বিভঙ্গ মানুষের বিবেক, ঈশ্বরের অমোঘ কৃতী মানুষের বিচার বুদ্ধি। মানুষের বিভা তার সৃজন ক্ষমতা। মানুষের বিভা তার বুদ্ধি মত্তা, মানুষের বিভা তার কর্ম কুশলতা। মানুষের শ্রেষ্ঠ কৃতী তার সমাজ সৃষ্টি। মানুষের মনুষ্যত্ব ই শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয়, আকৃতি মানুষের হইলেই মানুষ নয়। মানুষের মধ্যেও কত অমানুষ রয়, অমানুষ নিকৃষ্ট পশু অপেক্ষা অধম হয়। অমানুষ বোঝেনা মনুষ্যত্ব কাহারে কয়, অমানুষ সমাজে বিষের তুল্য হয়। মৃত মানুষ তো লাশ রূপে গণ্য, সেথায় থাকেনা কোন মনুষত্বের চিহ্ন। সততা মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম, সততা ভিন্ন হয়না কোন শ্রেষ্ঠ কর্ম। মনুষ্যত্বের সাথে সততাও অতি জরুরি, সততা ওএকতা সমাজের উন্নতির সিঁড়ি। মনুষ্যত্ব বাড়ায় একতা,সমাজ উন্নতির অঙ্গ, সত্য ও সততা উভয় মুষত্বের অঙ্গ। সত্য বড়ই কঠোর কঠিন, সত্যের প্রকাশ ততোধিক কঠিন, সত্যনিষ্ঠতা সদাসর্বত্র সর্বশ্রেষ্ঠ ঈশ্বরীয় ক্ষম...