Posts

Showing posts from August, 2018

360>||--প্রেমের পরশ--||

360>||--প্রেমের পরশ--|| প্রেম আসে নীরবে, প্রথমে মনের কোনে, হৃদয়ের খোলা জানালা দিয়ে। কখনো আনমনে, বসে একলা বাতায়নে, আনন্দ উপভোগের তরে। প্রেমাস্পদেরে একান্তে, গভীর আপ্যায়নের আশে। প্রাণ ভরে নিরালায় মিলনে, মনের শ্রদ্ধা ভালোবাসা দিয়ে। প্রেম আসে চুপি চুপি যৌবনের সাথে, বলেযায় মনের গোপন পরশের সাথে। প্রেমের শীতলবাতাস আনমনে, ছুঁয়েযায় গোপনে মনে। প্রেম প্রভাতের স্নিগ্ধআলোর হরষে, সকল জ্বালা জুড়াইবে একটু পরশে। দিনে দিনে বাড়ে প্রেম সময়ের সাথে, অলীক স্বপ্ন সকল ছুঁয়ে যায় প্রাণে। প্রেম যৌবনের গন্ধ অঙ্গে অঙ্গে, পরশে তৃপ্ত গোপন কোমল অঙ্গে। প্রেমতো নয় যৌন মিলনের তৃপত্তা, প্রেম হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা পূর্ণতা। প্রেম মধুর হয় দুটি হৃদয় একাত্মহয়ে, পঞ্চ রিপুকে উপেক্ষা করে হৃদয় দিয়ে। প্রেম মিলন শুখের আনন্দে, মনে মনে স্বপ্নের জাল বোনে। প্রেম আসে নীরবে, প্রথমে মনের কোনে,     <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-30/08/2018--】      【=সকাল:08:08:22am=】      【=কোলকাতা -56=】 ==========================

359>||--প্রতারণা--||

359>||--প্রতারণা--|| সেদিন প্রথম দেখি তোমায়, দুলছিলে দোলায়। তোমার বাড়ির আঙিনায়, নানানরঙের ফুলে সুশোভিত বাগিচায়। আর পাইনি সময়, ব্যস্ত কলেজের প্রথম বর্ষের পরীক্ষায়। তারপর কেটেছে দীর্ঘ কিছু সময়, আবার দেখলাম দোল পূর্ণিমায়। তুমিই মাখিয়ে দিলে আবির, আমি বিস্ময়ে স্থবির। তুমি নিজেই  করলে ইচ্ছা প্রকাশ, তাই আমার সাহসের প্রকাশ। সেই প্রথম তোমাকে ছোঁয়া, যুবতী নারীকে ছোঁয়া। সে ছিল অদ্ভুন সীমাহীন শিহরন স্পর্শ, বোধহয় তুমিও অনুভব করেছিলে হর্ষ। সালোয়ার কামিজে লাল, নীল, রঙ, মুখেও ছিল লাল আবিরের রঙ। কেস শোনালি, রুপালি, ঝলকান, বুকের কাছে লাল হলুদ রঙের মিশ্রণ। তুমি নিজে কাছে না এলে চেনা অসম্ভব, স্তম্ভিত হয়েও হৃদয়ে আনন্দের অনুভব। তোমার নীরব সম্মতির সম্মোহন এমন দিনকে জানিয়ে ছিলাম সেলাম। মনেপরে ভিক্টরিয়া,মেট্রো সিনেমা, সেই টাইগার হলটি আজ আর দেখি না। ইডেন গার্ডেনে সেই প্যাগোডার পাশে, কত কথা বলতে নির্জন পরিবেশে। সকল গেল কোথায় হারিয়ে, চাকুরির কারনে যেতে হল দূরে। বারি ফিরে আর পাইনি অনেক খুঁজে, জানলাম করছ সংসার বৃত্তবানের ঘরে। আমাদের চেনা জানা ক্ষনিকের খেলা, এমন খেল...

358>||--একটু কথা--||

358>||--একটু কথা--|| ৺তারাপীঠ হোটেলে বসে একটু লিখবো ভেবে, করতে হল বাহানা/ লোক দেখানো নাটক তারপরে পেলাম সুযোগ লিখলাম কিছু কথা। ||--একটু কথা--|| নিরালায় বসে বলবো দুটি কথা তেমন সময় টুকুও তোমার নাই, জানিনা সময় নাই নাকি ইচ্ছা নাই, তাই তো হৃদযের কোন আছে ব্যথা। এই পৃথিবীতে হয়তো, তুমি,আমি অতী নগন্য,মূল্য হীন। তথাপি আমার মনের পৃথিবীতে--- তুমি অনন্য, তুমি শ্রেষ্ঠ,আনন্দ অসীম। তুমি আজো আমার কাছে ঠিক ততোটাই সুন্দর ও নুতন, যতটা তুমি ছিলে আজ হতে-- 37 বৎসর পূর্বে আমার মনের সুন্দর, নুতন ও আদরের। কত আশার স্বপ্ন দেখেছিলাম, মেঘমুক্ত আকাশে। পৃথিবী সুন্দর, প্রকৃতি ও সুন্দর, তুমি আজো তো অপূর্ব সুন্দর। এত সুন্দরের মাঝে মুখ ভার, মনে হয় লাঞ্ছিত হোল সুন্দর। কিছু ঘটনা ঘটলেও ঘটনার প্রবাহ আমার মনের তলে হয়নি এতটুকু গণ্য। তাহলে মনের গতি কেন এতো নিম্ন, সেটাই বুঝতে রাত দিন চিন্তায় মগ্ন। আজ এক বিছানায় শুয়েও হাত বাড়িয়ে তোমাকে পাইনা খুঁজে। মনে হয় তুমি কতো দূরে--- রাতের গভীর অন্ধকারে----- অসীম সীমানার ওপারে মরি খুঁজে। বয়স ও রোগের তাড়নায়, আজ বোধ হয় শরীর ভগ্ন প্রায়, তবুওতো ম...

357>||-নিস্তব্ধতা ও হাসি-||

357>||-নিস্তব্ধতা ও হাসি-|| নিস্তব্ধতা এবং হাসি দুটিই অতি শক্তিশালী। কারন নিস্তব্ধতা দিয়ে অনেক সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়, আর হাসি দিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়। নিস্তব্ধতা ও হাসি দুইটি বিশাল অস্ত্র, সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়ের প্রধান এক যন্ত্র। শরীর গঠন, বুদ্ধির বিকাশ,যেমন হয়, নানান রোগের প্রতিকার অবশ্যই হয়। উঠতি যৌবনের হাসি আকাশে উড়তে চায়, যুবতীর কামের তারনার আহবাহন, চটুল হাসিতে চেনা যায়। যৌবনের হাসি মানেনা নিস্তব্ধতা বৃদ্ধ বয়সে সব হারিয়ে নিস্তব্ধতারে ভয় পায়। নিস্তব্ধতার প্রকাশের অনের অর্থ----- নিস্তব্ধতা মানে নীরবতা, মিল, সন্ধি,  বিশ্রাম, নিশ্চলতা, শান্তি, উৎপাতনিবৃত্তি, যুদ্ধনিবৃত্তি, স্বস্তি, মিত্রতা,নিশ্চলতা, স্থিরতা অনুচ্চার্যতা, শান্ত অবস্থা,বিশ্রাম, স্থৈয্র্য, বিরামপ্রশান্তি, অবিরোধ,নিরূদ্বেগ,ধীরতা, ধৈর্যশীলতা, অব্যাকুলতা,শান্ত করা,শান্ত হওয়া, নীরব হওয়া, নীরব করা, চোপ, চুপ!, চুপ করা। আমি দেখেছি নিস্তব্ধতা------ অমাবশ্যার রাত্রে মেঘ মুক্ত আকাশে, একলা জ্বলতে তারাদের টিপ টিপ করে, গ্রহ গুলি শান্ত ধীর স্থির উজ্জ্বল আকাশে। দেখেছি নিস্তব্ধতা গভী...

356>||-আমার জিজ্ঞাসা--||

356>||-আমার জিজ্ঞাসা--|| আমার প্রশ্নটা অতি ছোটো, তথাপি উত্তর জানতে মন খোঁজে দিগ দিগন্ত। সন্তানের নিকট পিতা মাতা কি ছাতার মতন? নাকি সন্তানেরা পিতা মাতার ছাতার লাঠির মতন। ছাতা প্রয়োজনীয় বটে, রোদ, বৃষ্টি,জল ঝরে। কিন্তু বৃষ্টি থেমে গেল প্রাই, ছাতা ছিড়ে গিয়ে পড়ে থাকে, ওই ঘরের কোন এক কোনে। কে আর ছাতার কথা মনে রাখে? বৃদ্ধ বাবা মা কিন্তু সর্বদা ছাতা খোঁজে, সে বাঁচাতে চায় সন্তানেরে রোদ বৃষ্টি হতে। খকনো চায় ওই ছাতার লাঠিতে ভর দিতে। একটু পথ চলার মনের ইচ্ছা, ছাতা হোক বা লাঠির খোঁজ করে, যাতে ভর দিয়ে চলতে সহজে পারে। ছাতা জখোন উপেক্ষিত হয়, লাঠি কিআর খুঁজে পাওয়া যায়। ছাতা যদি ধরাহয় শক্ত হাতে, হয়তো লাঠি থাকলেও থাকতে পারে হাতে। কিন্তু কতক্ষন, বৃদ্ধ বয়সে কিআর হাত শক্ত থাকে? ছাতা আর লাঠি কে কারে খোঁজে? জীবন সংসারে উভয়েরএই চাওয়া পাওয়া হওয়া উচিত দেনা পাওনার ঊর্ধ্বে। সময়ের সাথে পরিবর্তন প্রয়োজন মনের, সমাধান খুঁজতে হবে আন্তরিক ভাবে মনের। <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-17/08/2018--】      【--05:08;22am---】      【=কোলকাতা -...

355>||-বলতে পার--||

355>||-বলতে পার--|| বলতেপার সন্ধ্যা হয় কেন কেমন করে? কি হবে সূর্য টাকে উল্টে দিলে পরে? চাঁদ টাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দিলে পরে? সপ্ত সাগরের সব জল রান্না করে শেষ করে দিলে পরে? অথবা সাগরের জল চুমুকদিয়ে পরে, সব টুকুই শুকিয়ে দিলে পরে? হওয়া গুলিকে ঘরে বন্দ করে দিলে? সব নদীর সব জল হাড়িতে ভরে দিলে? পৃথিবীটার ঘোড়া ঘুড়ি বন্দ করে দিলে? নাহয় পৃথিবী টাকে দূরে ছুড়ে ফেলে দিলে? আকাশ টাকে গামছায় বেঁধে নীলে পরে? নাহয় করলে মজা একদিনের তরে, পৃথিবীর সব গাছগুলি কেটে কুটে মনের মতন তক্তা বানিয়ে নিলে। জন্তু গুলিকে সব এক ঘরে বন্দ করে দিলে। মানুষ যদি পা উপরে করে হাতের ভারে চলে। মানুষ যদি পাহাড় গুলি খেতে শুরু করে? ভাবছ কেন চিন্তা কিসের জন্য, একটু কিছু ভাবলে নাহয় অন্য। হতে কিচাওনা দেশের গণ্য মান্য, তাহলেই ভাবতে হবে কিছু অন্য। ভাবনার আছে অনেক কিছু, কেউ যেন না নেয় তোমার পিছু। ভাব ভাব বসে ভাব, শুয়ে ভাব, পথ চলতে চলতে অনেক ভাব। জতো ভাববে ভাবনার জট পাকাবে, ভাবনার চোটে মাথার চুল পাকাবে। চুল গুলি উবে গেলে নাঙ্গল দেবে পরে, ইচ্ছে মতন লাগাও গাছ মাথার উপরে। গাছ গুলি তোমার রক্ত খাবে, তুমি গাছের ...

354>||-জীবন এক যুদ্ধ-||

354>||-জীবন এক যুদ্ধ-|| জীবন মানেই কঠিন পরীক্ষা, এখানে সকলের চলার পথ ভিন্ন। এখানে অন্যকে  করলে নকল, জীবনটাই হবে নিশ্চিত বিফল। মহতের আদর্শ করা উচিত স্মরণ, মহতের মতন হতে চাওয়া মূর্খতার লক্ষন। নিজের চলার পথ নিজেকেই বাছতে হবে, সফলতা চাইলে মনে দৃঢ়তা রাখতে হবে। স্থির লক্ষ্য আর দৃঢ় মনের কঠিন পরীক্ষা, দৃঢ় আত্মবিশ্বাস ই একমাত্র শ্রেষ্ঠ নির্দেশিকা। জীবনের পরীক্ষা চলতেই থাকে, বাঁচতে হলে জীবন যুদ্ধে লড়তেই হবে।     <--©--●অনাথ●--->      【--anrc-17/08/2018--】      【--10:48:15 pm---】      【=কোলকাতা -59=】 =======================

353>||--পজিটিভ চিন্তা--||

353>||--পজিটিভ চিন্তা--|| পজিটিভ চিন্তা কি???? পজিটিভ চিন্তা কি তা একটু জানতে চেষ্টা করি।----- আমি মনেকরি সকলকেই এই বিষয়ে জানা উচিত। যে চিন্তা মনকে করে তোলে উদ্বেগ পূর্ন, অস্থির ,অশান্ত, এমন চিন্তা কখনো নয় পজিটিভ চিন্তা। যে চিন্তা মনে দেয় শান্তি, অর্থাৎ যে চিন্তা মনকে করে শান্ত,ধীর স্থির, যে চিন্তা যোগায় উৎসাহ ও উদ্দীপনা,আনন্দ, এমন ভাবনাই পজিটিভ চিন্তা। যে সকল চিন্তা দ্বারা মনে জাগে হিংসা, বিদ্বেষ, স্বার্থপরতা,অহঙ্কার, মনকে করে আত্মকেন্দ্রিক এমন ভাবনা  ------ কখনই হয়না পজিটিভ চিন্তা। এমন ভাবনা----- শরীর মনকে করে তোলে বিকৃত,বিভ্রান্ত, মনে তৈরি হয় নেতিবাচক উদ্দীপনা মন ও শরীরকে করে তোলে অশান্ত, বিকৃত। যে ভাবনায় মন হয় শ্রদ্ধা শীল,মনে জাগবে সহমর্মিতার ভাবনা, সহযোগিতা,করুনা, অন্যের কল্যাণে মন কাঁদবে,মনে জাগবে সেবার ভাবনা, ভালোবাসার এমন চিন্তা ই হয়----- পজিটিভ চিন্তা । যার ফলে লাভ হয়----- অসীম আনন্দ, সুখ, শান্তি ও সন্তুষ্টি। পজিটিভ চিন্তাই মানুষ কে মহান। মানুষ মানুষের জন্য এমন চিন্তার সার্থকতা পজিটিভ চিন্তাতেই সম্ভব। পজিটিভ চিন্তার শ্ৰেষ্ঠ ভাবনা ...

352>||- अहंकार || D10 (1+2)--------------

 352>|| अहंकार || (1+2)--------------  >|| अहंकार ||  (१म-भाग )          <--©➽-आद्यनाथ-> अक्सर अहंकार मनुष्य को शक्ति और हिम्मत देता है, और मनुष्य के अंदर वीरता की भावना जागृत करता है। जिसके बल पर वह दृढ़ता से चुनौतियों का सामना कर सकता है। बुद्धिमान , व्यापारी  सेवक या नेता के लिए अहंकार हमेशा नाकारात्मक रूप में होता है, और राह में रुकावटें पैदा करता है, लेकिन एक योद्धा या प्रतियोगी के लिए अहंकार बहुत आवश्यक होता है। अहंकार ही मनुष्य के पतन का मूल कारण है।  अहंकार न हो तो मनुष्य परमात्मा तक भी पहुंच सकता हैं। अहंकार रहित होकर ही मनुष्य ईश्वर के दिव्य दर्शन कर सकता है।  अहंकार हर प्रकार के ऐश्वर्य को नष्ट कर देता है,  अहंकार से देवता भी दानव बन जाते है।  अहंकार रहित मनुष्य देवता बन जाता है, हर पराजय का मूल कारण अहंकार ही होता है। कदाचित अहंकारी मनुष्य कुछ भी प्राप्त कर लेता है, लेकिन वह सुख, शांति, और  प्रेम से हमेशा वंचित रहता है। <--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->          24/01/202...

351>||-আমার জন্মভূমি--||

351>||-আমার জন্মভূমি--|| ভারতবর্ষ আমার জন্মভূমি, ভারতবর্ষ আমার দেশ, বাংলা মায়ের সন্তান আমি ভারত আমার দেশ। এই ভারতে মানুষে মানুষে নাই কোন ভেদাভেদ। এখানেই আছে অফুরন্ত আনন্দ হৃদয়ের স্পর্শ আবেগ। আমাদের ভারতবর্ষ হেথায় সর্বত্র প্রেম ভালোবাসার পরিবেশ। হেথা নাই কোন অস্পৃশ্যতা নাই হিংসা দ্বেষ। ভারতের নদী পুণ্যতোয়া গঙ্গা, যমুনা, নর্মদা, ভাগিরথীর পবিত্র জল ধারা, করিছে সিক্ত পবিত্র সকল ধর্মের মানুষ ভারতবাসী আছেন যারা। ভারতবর্ষ মানে শস্য শ্যামলা সবুজের মেলা এক দেশ। এই ভারতে জন্মেছি তাই বুক ভরা গর্বের নাই শেষ। আমাদের ধর্ম আমাদের কর্ম সর্বশ্ৰেষ্ঠ মহান, ভারতবর্ষ সকল ধর্মকে করে অন্তর হতে সন্মান। স্বাধীনতার তরে কত শহীদ দিয়েছেন আত্ম বলিদান। এই দেশেতে জন্ম আমার তাই আছে অভিমান। ভারত মায়ের শীর্ষ মুকুট এভারেস্ট হিমালযের  শৃঙ্গ উচ্চে। চরণ ধৌত করিছে সদা গঙ্গাসাগরে, বঙ্গপোসাগর নিম্নে। তুষার কিরীটিনী শৈল নিবাসিনি, মাতৃ রূপী পবিত্র গঙ্গে, করিছেন ধৌত সদা, অমৃত প্রবাহ সঙ্গে। এই ভারতের মহা তীর্থে বিশ্বমানবের আসা যাওয়া। এই ভারতে জন্ম আমার ধন্য এই জীবন পাওয়া। ...

350>|| -মেঘলা দিনে-||=+1

  350>||-মেঘলা দিনে-||             <--©➽-আদ্যনাথ----> এমন মেঘলা দিনে  বৃষ্টি ভেজা সকাল মনেপড়ে সেই আমাদের  ছোট বেলার বৃষ্টি মাথায়  স্কুলে যাবার তাড়া। পথের মাঝে রাস্তার বাঁকে খালেরধারে কোই মাছ ধরা। বইখাতা ভিজে সারা ঘরে ফিরে উনুনের ধারে। বাবার সেই ছাতার লাঠি মায়ের হাতে কান মলাটি। সেদিনের বৃষ্টির সকাল খিচুরি আর ডিম ভাজা। হাঁস গুলোর ভীষণ মজা, উঠনেই পাচ্ছে কতো পোকা। ছাগল গুলি কুক্রেবসে কাপছে বসে শীতের পরশে। গরু বাছুর কেউ যাবেনা মাঠে মা ঠাকুরমার নাইজেছুটি। ভিজে ভিজে ই সেই গোবর ছড়া, পুকুরঘাটে স্নান করা। এক ডুবেতেই কাপুনি ধরা, মা বলবেন ওরে তিন ডুব দেরে তোরা। ঘরে ফিরে লেপ মুড়িদিয়ে অঙ্কো করা। দাদু আছেন লাঠি নিয়ে, ঝিমুনি এলেই দেয় কষিয়ে। দিদিমা বলেন আরে আরে মারছ কেন এই ঠান্ডায় একটু ঘুমাক না কেন। দিদিমার পানের ডাবর, এই ডাবরের রাখো কি খবর। দিনে এক কাজ রাতে অন্য, সেসব না হয় বললাম এখন। ঠাকুর দাদার হুকো সাজতে হবে। টিকিয়া আর তামাক দিয়ে। গর গড়িয়ে দিলাম টান, ধোয়া গুলো বাঁধালো কাশি, দাদু এসে দিল কানটি মুলে। দাদা দিদি পড়তে বসে, এসব দেখে ...

349> ||-একমুঠ ভাত-|| ( কবিতায়)

349> ||-একমুঠ ভাত-||(কবিতায়) বালি ব্রিজের উপরে, যাকে বিবেকানন্দ ব্রিজ বলে, হাটছিলাম আপনমনে। হঠাৎ একটি বাচ্চা মেয়ে, জুঁই ফুলের মালা দিল হাতে। নেবেন বাবু একটা মালা 5টাকা দামে, ফুল কুড়িয়ে গেঁথেছি দুই ভাই বোনে। মা আছেন জ্বরে পড়ে, সারবে জ্বর অসুধ দিলে পরে। দুদিন হোল ভাত পড়েনি পেটে, তাই মালা বেচি ভাই বোনে মিলে। কিনবো অসুধ,আর একটু চাউল হাটে, ফুটিয়ে নিলে একমুঠ ভাত পড়বে পেটে। সকাল থেকে ভাইটা দেখুন কাঁদছে বসে, পেটের খিদে না পারে সইতে। বিস্ময়ে স্তম্ভিত হৃদয়ে, নিদারুণ অনুভূতি নিয়ে, দশটি মালা নিলাম কিনে, শিশুটির চোখের জল দেখে। টাকা পেয়েই বাচ্চা দুটি উর্দ্ধশ্বাসে ছোটে। ওদের মুখে দেখলাম হাসি, এক ঝলকের তরে, ওই হাসিতে হাসি তো নয় বিদ্যুৎ চমক ছিল, ক্ষনিকের আনন্দে  মনটা ভরে গেল। চেয়ে দেখতে রইলাম ওদের ছোটার পথ, ওদের চাওয়া,পাওয়া একমুঠ ভাত।    <--©--●অনাথ●--->     【--anrc--10/08/2018--】     【=বিকেল 05:30:22=】     【=কোলকাতা-56=】 ============================

348>||-- বিশ্বায়নের হুজুগ ||

 348>|| বিশ্বায়নের হুজুগ ||             <--©➽-আদ্যনাথ---> চারিদিগে এ কেমন হুজুগ, ডিজিটাল মানে কি মোবাইল ও লেপটপের যুগ? শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই ব্যস্ত, মব, ট্যাব নিয়েই দিনরাত ব্যস্ত। একেই বলে ডিজিটাল যুগের হুজুগ, সকল কিছুতেই ডিজিটালের সুযোগ। পাসওয়ার্ডের অপূর্ব কেরামতির যুগ, পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেই সব চুপ। সকলকে-ই দেখি ভীষণ ব্যস্ত, আঙ্গুল গুলি অতিব্যস্ত মুখেনাই শব্দ। কানে হেডফোন ভীষণ কর্ম ব্যস্ত, ডিজিটালের যুগ তাই তো এত ব্যস্ত। স্বার্থ বুঝেই ব্যস্ত বুঝি দেনা পাওনা, নিজের স্বার্থ টুকুই বুঝে নেওয়া। ছোট পরিবার বৃদ্ধজনের নাই দরকার, স্বার্থ বুঝে নিজের টুকুই শুধু দরকার। বয়ঃ বৃদ্ধজনের কিছু চাহিদা সামান্য, একটু ভালবাসা একটু আদরের জন্য। ভুলে যাই কে আপন কে পর প্রকৃত, ডিজিটালের ধাক্কায় সব অদ্ভুত বিকৃত। বিংশ শতকের বিশ্বায়নের স্রোতের বেগে, ডিজিটালের অলীক ভাবনার তাগিদে। বয়ঃবৃদ্ধজনের হয়তো সামান্য চাহিদা, নানান অজুহাত মেটাতে তাদের চাহিদা, শিশুরা মোবাইল,ট্যাবেই পড়ছে,লিখছে,   হয়তো অনেক কিছুই জানছে,শিখছে।আজ খাতা কলমে লেখার হয়েছে অন্ত, কে বোঝাবে ওদের হাতের ...

347>||---নিলীন---||

347>||---নিলীন---|| সেদিন কাজিরাঙ্গা ফরেস্টে, একটি গাছের ডালে, পাতার আড়ালে, দেখলাম দুটি নীল পাখি। বোধয় ওটি নীল গাছ ছিল, ওরা কি নাম যেন বললো, ওদের ভাষা বুঝলাম না, আমি নাম দিলাম নিলীন পাখি। নীলিকায় বসে নিলীন যুগল, সূর্যালোকে ঝল মল। কিসুন্দর নীল রঙ, একটির গলার কাছে হলুদ--  রঙ এর রেখা, লেজেও বোধ হয় ছিল দুই একটি হলুদ রেখা। ওরা মেতে ছিল গভীর প্রেমে, সেকি আদর একে অন্যকে। পাখিরাই বুঝি জানে এমন প্রেম, কতো আদর কত সমাদর। আনন্দে কখনো করছে নৃত্য, কখনো পাখনা মেলে আদর। কখনো ঠোঁটে ঠোঁট মিলন, বুঝি ওটাই ওদের চুম্বন। ঘন্টা ভর চলেছিল ওদের প্রেম নিবেদন, প্রেমের চরম সময়ে বুঝলাম,  হলুদ রেখা ছিল যার--- সেই পুরুষ পাখি,অন্য টি স্ত্রী। মিলন নৃত্যে প্রণয়ে হয়ে তৃপ্ত, উভয়ে উড়েগেল গভীর জঙ্গলে। প্রেমে হয় আদর জানি, কিন্তু এতো সমাদর আনন্দের উৎছ্বাস, ভাবিনি কখনো। এমন  প্রণয় সৌহার্দ্য, মন ভরে গেল।         <--©--●অনাথ●--->        【--anrc--13/08/2018--】        【রাত্রি 01:59:36 am==】     ...

346>||--स्वतंत्रता दिवस--||

346>||--स्वतंत्रता दिवस--|| स्वतंत्रता दिवस एक राष्ट्र का वार्षिक उत्सव । आगामी बुधवार 15 अगस्त 2018 को मेरा भारत मे 72वाँ स्वतंत्रता दिवस  मनाया जायेगा। मैं उम्मीद रखते हैं इस वर्ष भारत की 72वें स्वतंत्रता दिवस 2018 पर विशेष रूपसे प्लास्टिक पर लगेगा पूर्ण रुप से प्रतिबन्ध, यह मेरा अपना हार्दिक इच्छा है कि 15 अगस्त 2018 से प्लास्टिक और थरमाकोल से बनने वाले उत्पादों जैसे कप, ग्लास और प्लेट इत्यादि पर भी प्रतिबंध लागू होने का आबेश हो। अगर ऐसा होने पाएंगे तो----- हमारे पर्यावरण और हमारे नदियों की सुरक्षा के लिये, यह एक अच्छे पहल की शुरुआत होंगे।  आजादी के 72वा वर्ष पर मेरा हार्दिक सेलूट --- ||--हम हैं हिंदुस्थानी--|| हम हैं हिंदुस्थानी, मेरा भारत हैं महान, हम रहे सबसे आगे, रहेंगे भी सबसे आगे। मेरा खंडा हैं सबसे सुंदर, 71 वर्षोसे हैं बुलन्द। अभी 72 वर्षों होंगे पार, सारे दुनिया को जताते हैं मेरा प्यार। जो भी रखते हैं दुश्मनी हमसे हम तबभीको जताते हैं मेरा प्यार। यह गुल्सिताँ हमारा रहेंगी बुलन्दी, सबसे ऊंचा रहेंगे मेरा तिरंगा। ज़माना तो करवट...

345>||--ভালোবাসার জন---||

345>||--ভালোবাসার জন---|| কে বলতে পারে কতদিন বাঁচবো আমিও জানিনা কতদিন বাঁচবো, হঠাৎ যদি মরেইজাই তবে, তোমার জন্যই ফিরে আসবো। রোজ আবার ঝগড়া করবো। খুঁটি নাটি নিয়ে লড়বো। খুনটুসীর লরাইতেইত মজা, লড়াই  টুকুই নাহয় যদি, জানবো কি করে যে বেঁচে আছি! লড়াই ছাড়া জীবনটাই ফাঁকি। এইটুকু বোঝেনা যারা, সারাজীবন পায় অনাদরের সাজা। কত আদর ওই কথার তীক্ষ্ন বানে, বোঝে সে যে ভালোবাসে মনেমনে। ভালোবাসার গোপন কথা, মিটায় মনের অনেক ব্যাথা। ভালোবাসা মনেমনে, বোঝে যে আনমনে। হৃদয়ের অনেক কথা অনেক ব্যাথ, নিমেষে মিলায় মিলনে, না বলে কথা। হৃদয় আছে যার ভালবাসা বোঝে সে, হোক খুনটুসি,কথার বান উভয়ে আপসে। শব্দই ব্রহ্ম, শব্দ দিয়ে হয় কথা, লক্ষ্মীর পাঁচালি কথা, সরস্বতী পূজার কথা, জতো পূজাপার্বন সকলি কথায় বর্ণন। তবে গিন্নির কথামালার সম্পর্ক, সেতো জীবনের আদরের মধুপর্ক। জীবনে থাকবে যতক্ষন আশ, গিন্নির কথার হবে আশ্বাস। শুধু একটু বোঝার ভুলের ফাঁক, গিন্নি যতই করুক হাক ডাক। একটু আদরেই সব ঠিক ঠাক, ভালোবাসা পায় যদি ঠিক ঠাক।   <--©--●অনাথ●--->      【--anrc--12/08/2018--...