Posts

Showing posts from July, 2018

344>||-স্বয়ম্ভর-||

344>||-স্বয়ম্ভর-|| ব্রহ্মশক্তির আঁধার মনুষ্য, চিন্তাও তাঁর নিরালা অবশ্য। ভেদ কেবল সময়ের কর্ম ফল, চিন্তন মননে বাড়ে কর্ম করার বল। বুদ্ধিমান কুড়ায় আনন্দের ফল, মূর্খের নিকট সকলি মাত্র  ছল। পৃথিবী সুন্দর, প্রকৃতি সুন্দর, সৃষ্টি সুন্দর,স্রষ্টা ততোধিক সুন্দর। স্রষ্টার গুনেই সকল জীবন সুন্দর, সকল জীবনের গুনে প্রকৃতি সুন্দর। জীবন হবে যত সুন্দর, প্রকৃতিও হবে ততোধিক সুন্দর। সুন্দরের এমন অপূর্ব খেলায়, প্রকৃতি সাজে বারে বারে। মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব হয়েও, সর্ব গুনে শ্রেষ্ঠ অধিকার যাচে। মানুষ মাত্রেই নিজের দোষ, অপরের ওপর চাপিয়ে, আরামে থাকতে চায় সুখে। কিন্তু সময় সদাই বলবান রয় যে। সময় ও প্রকৃতির নিয়মে, জল যখন নাকের গোড়ায়, মাথা স্পর্শ করে যায় পাষাণ রূপ ছাদে। ত্রাহি ত্রাহি রবে মধুসূদনকে ডাকে। তার আগে কি ওই ত্রাহি কর্তা রূপে, মধুসূদনকে বারেকের তরেও ডাকে? তাইত বলি প্রকৃতি সে তো নির্দায়, কারন হয়না কারুর কোন দায়। অতএব চিন্তার কিছুই নাই , ব্রহ্মাণ্ডের কোন কিছুই স্থির নয়, সকলেই চলছে গতি হলেও নির্ণায়ক, সময়ের ফেরে কিছুই নয় উপযাচক। মানুষ মাত্রেই স্বয়ং স্বয়ম্ভর, একটু চেষ্...

343>||-নাহক প্রেম -||

343>||-নাহক প্রেম -|| জানি অনেক আশা ছিল তোমার, কিন্তু তেমন সঙ্গতি ছিলনা আমার। তুমি বিত্তবান পিতার দম্ভের ভালোবাসা, আমার ছিলনা বিত্ত,ছিল ভালোবাসা। তোমারও ছিল একান্ত মোহ বিত্তের প্রতি, চলেও গেলে নীরবে রেখে কিছু স্মৃতি। বুঝতে চাইলে না ভালোবাসার দাম, বিত্ত ই তোমার কাছে মূল্যবান। তুমি নারী, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ত্যাগী, বুঝলেনা নিজের মহত্য তুমি যে মহিয়সী। তুমি যে বিশ্ব প্রকৃতির শ্ৰেষ্ঠ প্রকৃতি, রইলে বদ্ধ বিত্তের জালে ত্যাগিয়া প্রকৃতি।। যদি এই ছিল মনে তবে কেন এত ছলনা, নিজের ভালবাসার মূল্য টুকুও বুঝলেনা। ছলনাই যদি ছিল মনে, কেন এতো আপন করে নিয়ে ছিলে। এত ঘনিষ্ঠশরীর দান সকলি ছলনা মাত্র, নাকি ক্ষণিক মোহে কামনার পূর্তি মাত্র। নারী মন পেবল, চরিত্র জটিল জানি, নারীর মনের কথা ঈশ্বরও নাহি জানে।           <--©--●অনাথ●--->          【--anrc-06/07/2018--】          【06:21:30==20 L=】 =====≠====================

342>||-শুকতারা-||

342>||-শুকতারা-|| ভোরের ওই শুক্তারাটা জ্বলছে, মনেহয় তোমায় খুঁজে চলেছে। তুমি চাইতেই পার আলো এক মুঠো, চাঁদের জোৎস্না কুড়িয়ে নিও মুঠো মুঠো। বিছানায় শুয়ে দেখছো কি মজা, কিছু স্বপ্ন নাকি সিলিং পাখা। সন্ধাতারা কি কিছু বলছে তোমার কানে, কিছু ভবনা আছে  কি মনে মনে। আকাশটা কি ছুঁতে চাইছো? ছাদের পাঁচ তলার রেলিংএ বসে আছো? পাশের বাড়ির ছাদে গোলাপের চারা, কিসুন্দর ফুল ফুটিয়েছে ওরা। সেই ভাল লাগা গান গুলির জতনে, দু-কলি গাইবার ইচ্ছা মনে মনে। ওই নীলাম্বর নীলিমায় ভরা, সন্ধ্যায় ওখানেই ফুটবে সকল তারা। চাঁদ যখন জোৎস্না নিয়ে দেবে ধরা, তখোনো আকাশ থাকবে তারায় ভরা। তুমি কি ফুল দেখলে আকাশের নিচে, আকাশটা দেখো কি সুন্দর সেজে আছে। স্বপ্ন সূখ স্বপ্নতেই রয়ে যায়, ক্ষণিকের আনন্দে জীবনটা জড়িয়ে যায়। আজো বার বার মনে পড়ে যায়, কান্না ভেজা চোখ দুটি আদর জানায়। কেমন হত যদি গোলাপের মতন, আকাশের তার গুলি তুলে আনতাম। তুমিকি ভুলেগেছ সেই দিনগুলি, অফুরন্ত উত্তেজনার ক্ষণ গুলি। যেখানে দাঁড়িয়ে তোমার গল্প বলা, সেই সেদিনের ফ্রক পড়া সন্ধে বেলা। এলো চুলে হওয়ায় দোলা দেওয়া, আধো অন্ধকারে সন্ধ্যাবেল...

341>||-এস প্রিয়ে এস-||

341>||-এস প্রিয়ে এস-|| এস প্রিয়ে এসো ফিরে আমার পাশে, হৃদয়ে বড় আশ থাকব তোমার সকাশে। অনেক তো হল চলো এবার যাই বদলে, দিন বদলের ভাবনায় না হয় একটু ভাবলে। এস ফিরে এই বুকে সকল ব্যাথা ভুলে, হৃদয়ের সকল কষ্ট অশ্রু মুছে। তুমি কি চাও না আবার মিলি দুজনে, বুকের সব কষ্ট দূরে রেখে সরিয়ে। তুমিত ছিলে আমার সবটুকু হৃদয় ঘিরে, হয়ত কিছু অপরাধ করেছি তোমার কাছে। তুমিকি পারেনা  ক্ষমা করে দিতে , দিন রাত তোমার ভাবনায় জ্বলছি হৃদয়ে। এই শূণ্য হৃদয়ে তোমার ছবি সাজায়ে, কত রাত কেঁদেই চলেছি  অন্ধকারে। এস ফিরে এস এই শূন্য হৃদয়ে, তুমি ছাড়া এ জীবন ব্যর্থ অসহায়। সত্য চেতনায় সকল অহঙ্কার করেছি বর্জন, শুধু চাই তোমার ভালোবাসা করতে অর্জন। এস প্রিয়ে এসো ফিরে আমার পাশে, এ হৃদয় শুধু তোমাকেই ভালো বসে।      <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-08/07/2018--】            【01:27:15 am==20 L=】 =========================

340>||-ধৈর্য ও বিশ্বাস-||

340> ||-ধৈর্য ও বিশ্বাস-|| ধৈর্য জীবনের এক মুহূর্ত, ধৈর্য জীবনের এক তপস্যা, ধৈর্য জীবনের এক সাধনা, ধৈর্য জীবনের এক পরীক্ষা। ধৈর্য জীবনের এক সোপান ধৈর্য জীবনের এক অপেক্ষা ধৈর্য জীবনের এক বিশ্বাস ধৈর্য জীবনের আশ্বাস। ধৈয় কিছু পাওয়ার আশ্বাস, ধৈর্য অনেক নাপায়াকে পাওয়ার আশ্বাস। ধৈর্য জীবন সাফল্যের এক মোড়, ধৈর্য দিতে পারে অনেক আশার আলো, ধৈর্যের প্রেরণা আত্ম বিশ্বাস, ধৈর্যের বিশ্বাস,জীবনের আশ্বাস। ধৈর্য ধারণ জীবনের  এক তপস্যা, যা মিটিয়ে দেয় সকল সমস্যা। ধৈর্যের সাথে জানতে হবে,সময়ের মূল্য, তবেই জীবনে লাভ হয় সাফল্য। ধৈর্য কিছু সময়ের অপেক্ষা মাত্র নয়। ধৈর্য এবং সংযম, সফলতার সোপান। ধৈর্যের সাফল্য বিশ্বাসে নিহিত। ধৈর্য নিস্পৃহতা,প্রশান্তি,কখনো ধীরতা, ধৈর্য সহিষ্ণুতা,সত্য, অপেক্ষাকরার ক্ষমতা। যদিও বিশ্বাসের অর্থ সময়ে পরিবর্তিত, বিশ্বাস আকাঙ্খিত বস্তুর অধিকার মাত্র। বিশ্বাস- সত্য বা যথার্থ বলে ধারণা মাত্র। বিশ্বাসে যুক্ত আস্থা,শ্রদ্ধা,এক ধারণা মাত্র। বিশ্বাস কখনো হয়তো অন্ধ অসঙ্গত। বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলায় ধৈর্য ব্যর্থ। "বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহু দূর।...

339>||-জীবন প্রবাহ-||

339> ||-জীবন প্রবাহ-|| কত বাকি পথ চলা, কত আছে কথা বলা। জীবন তো বয়েই চলেছে , গতি তার দুরন্ত। কখনো অতি শান্ত, রক্ত প্রবাহ বহিছে নিরন্তন। শৃঙ্খলায় আবদ্ধ প্রবাহের সঙ্গে, সর্বাঙ্গে সূক্ষ্ম হতে সূক্ষ্ম অঙ্গে। স্পন্দন আছে প্রাণে, মনে আছে গভীর টান। যেন উজানে বইছে তরী, ঢেউ গুলি আছড়ে পরে বারে বারে। প্রবাহের অহঙ্কার উজানের টান, ব্যর্থতা ফিরে আসে ভাটার টান। চিন্তার রাসগুলি জোড়ার চেস্টা, ভাটার টানের নিষ্প্রভ প্ৰচেষ্টা। পথ হারিয়ে ঘুরে মরি ঘূর্ণিতে, অফুরন্ত প্রবাহের ভয়ঙ্কর টানে। কেন নদী বয়ে চলে পাগলের প্রায়, সমুদ্রে মিলন বেলায় হাঁ হাঁ কার প্রাণে।**** জীবন প্রবাহ চলে, তার দুরন্ত গতি, কত আশা,আকাঙ্খা,অভিমানের ভিড়। জন্মে ক্রন্দন তীব্র, মৃত্যুতে হাঁ হাঁ কার, মাঝের জীবন টুকুই স্মৃতি রুপে রয়ে যায়।              <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-18/07/2018--】            【07:16:22 pm==24 L=】 ============...

338>||-পিন্ড শরীর-||

338> ||-পিন্ড শরীর-|| নদী বয়ে চলে প্রকৃতির খেলা, শরীরে শোণিত প্রবাহ শৃঙ্খলার খেলা। বিন্দু বিন্দু জলরাশি সমুদ্র মন্থন, উত্তাল ঘূর্ণিতে সমুদ্র পাগল যখন। কাম, ক্রোধ,লোভ, মোহ,মুলাধারে প্রবুদ্ধ, সর্পের কুন্ডলি যেন শীত ঘুমে প্রবৃত্ত। শান্ত মন নিরালা বিশুদ্ধ বাতায়ন, চিন্তামগ্ন ধীরস্থির প্ৰচেষ্টার প্রত্যবেক্ষন। স্বাধিষ্ঠান,নাভি, হৃদয়, বিশুদ্ধ,প্রশস্ত, আজ্ঞা ও সহস্রারে যদি গুরু হন উববিষ্ঠ। ব্রহ্মাণ্ডের শক্তি তত্বতেজ তীব্র টঙ্কার, মুহূর্তে জীবন রহস্যের উজাগার । শরীরতো পিন্ড মাত্র পঞ্চ ভূতের মিলন, প্রকৃতির পঞ্চ রূপের অপূর্ব মিলন। মাতৃ জরায়ু উৎপত্তির আধার, জননীর ক্রোড়ে শুরু ধরিত্রীর ক্রোড়ে মৃত্যু। মাঝে নদী প্রবাহের গতি, কাল নির্দিষ্ট করে  প্রকৃতি।          <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-07/07/2018--】            【01:57:28 am==18 L=】 ==============================

337>|| দেখলাম মানুষ ||

337>|| দেখলাম মানুষ ||                  <---©-আদ্যনাথ---> দেখলাম মানুষ, দেখলাম দুনিয়া, তবুও খোলেনি চেতনার দুয়ার, পার হোল এতগুলো বৎসর। এতো দেখে শুনে জেনেও, কেন জন্মেছি আমি, এইটুকুই জানানাই আমার। দেখলাম মানুষ, মানুষের স্বভাব বদলে যায়, ধনে আর ধর্মে.  ধনের প্রাচুর্য হলে দম্ভ অহঙ্কার বাড়ে। ধর্ম সাধনা পূর্ন হলে নম্রতা বাড়ে। হে ঈশ্বর, দিয়েছো জীবন, আমি যন্ত্র তুমি যন্ত্রী থেকো আজীবন। কিছু যদি দিতে চাও আমায়, দিও মাত্রএমন বল, সকলের হৃদয়ে যেন থাকি অবিচল। যতদিন দেবে এ ধরায় জীবন, থাকে যেন জীবের সেবায় মন, জীবের সেবাই যেন করতে পারি জীবন ভর।        <---©-আদ্যনাথ--->           06/05/2019::09:28:12pm ===========================

336>|-স্মৃতি টুকুই আছে-||

336>|-স্মৃতি টুকুই আছে-|| কলেজের দ্বিতীয়বর্ষ 1971  ডিসেম্বর,  চলছে বাংলাদেশের  মুক্তিযুদ্ধ , তুমি করেছিলে মানা অনেক  শুনিনি,  নিজের দোষে  সামান্য আঘাতে,  বর্ডার বেস ক্যাম্প  হস্পিটালের লোহার ফোল্ডিং সাদা চাদরে শুয়ে, রাত গুলি ছিল বেদনায় কান্না চিৎকার। মনে সর্বদা সযত্নে তোমার স্মৃতি, তুমি বুঝেও বোঝনি আমার মিনতি। ব্যাকুল ভালোবাসার একান্ত মিনতি, ভুলিয়েছ মন, শরীরের লালসায় দিয়েছ তৃপ্তি। ভালো লাগা মুহূর্তের কিছু আকর্ষণ, বারে বারে রাঙিয়ে মিথ্যে কিছু স্পন্দন।   জীবন হৃদয় মিলনের তৃপ্তির অপূর্ণতা, অনাবৃষ্টির শস্য ক্ষেত্রের নির্মম শুষ্কতা। কোন ঘূর্ণিঝড় নিয়েগেল সকল চাওয়া, প্রতীক্ষার ভাবনা ছিঁড়ে ধূলি উড়ে যাওয়া। বাগানের ফুলগুলি ঝরে যাওয়া, সময় কি কারুর অপেক্ষা করে? স্কুল থেকে শিশুরা এসে ছিল সান্তনা দিতে, কমলা লেবু দিয়ে গেল সকল বেডে। বেডে বেডে সৈনিক শুয়ে খালি হাতে, কালকেও ছিল রাইফেল সকলের কাঁধে। কেউ হারিয়ে হাত ভীষণ বিষণ্ন মন, কেউ হারিয়েছে পা,কেউ মরণাপন্ন। রাতে জ্বলেনা আলো গহন অন্ধকার, রাত্রের ডিনার ব্রেড, সস,একটু জল। ...

335>||-অসংখ্য ধন্যবাদ--||

335>||-অসংখ্য ধন্যবাদ--|| কথায় বলে অসংখ্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদের সংখ্যা নিরুপণ, কঠিন নয় অবাস্তব মনেহয়। কিন্তু অবাস্তব ও বাস্তব হয়, যখন বহু জনে গ্রাহ্য হয়। কেউ বুঝেও নাবোঝে, অনেকে নাবুঝেই করে গ্রাহ্য। অবাস্তবতার সংখ্যা বৃদ্ধি, মূর্খতার লক্ষণ। মূর্খতারও করা হয় সীমা অতিক্রম, যেথায় আছে মূর্খ আমার মতন। মূর্খকে এড়িয়ে চলা, বুদ্ধিমানের কাজ। এক সহস্র গর্ধভের মৃত্যুর পর, তাদের পুনর্জন্ম হলে, একজন মূর্খের  হয় জন্ম। ভাবা যেতেই পারে এমন তথ্য, কিভাবে মান্য হয়! উপমায় বলতে পারি, আমার লেখনী গুলি। আমার চিন্তার ছেড়া বস্থাপচা ভাবনা গুলি। আমি মনে করি এমনটাই সর্বউৎকৃষ্ট উপমা। বাকি আপনার চিন্তা,ভাবনা ---- আমি আনাড়ি, এর বেশি জানিনা।           <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-09/07/2018--】     【06:30:15 ==সোমরার সকাল=】 =====≠=======================

334>||-65 বৎসরের পরে-||

334>||-65 বৎসরের পরে-|| হয়েছে  65 বৎসর পার, হওয়া উচিত একটু সাধন। নিজের স্বাস্থ্যের ও সময়ের। হাসি কান্নার এই দুনিয়ায়, কেউ কাদে,কেউ হাসে, তাতে কিএমন যায় আসে। দুনিয়ায় কেউ স্থির নয়, চাইবে সবার আদর, সেটা কি করে হয়। তবুও চেয়ে দেখ, আসে পাশে, কেউতো নিশ্চই ভাল বাসে। চিরকাল করবে শাসন। সেটাও নয় সম্ভব। ভাল থাকতে হতে হবে সচেষ্ট, অন্যকে না দিয়ে কষ্ট, নিজের মতামত প্রকাশ চাই স্পষ্ট। মানুষের মন তাঁর নিজের, বিশ্লেষণ করাও অধিকার নিজেস্ব, রাতের পরে দিন আসবেই, সেতো প্রকৃতির নিয়মেই। সকল দিন সমান যায়না, নিজেকেও বদলে নিতে হয়। বর্তমানে ডিজিটাল ইন্টারনেটের যুগে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে, বদল হচ্ছে দ্রুততায়। বৃদ্ধ বয়স মানে ডানাভাঙা পেচক, শুধুই দেখা ও হুম হুম ডাক। যে জানে সকল সইতে, সেই সুন্দর রয়। বিচার নিজের,নিজের, পেচকের মতন হয়েই রইব-- নাকি সুন্দর ভাবে বাঁচব।     <--©--●অনাথ●---     【--anrc-15/07/2018--】      【02:00:22 am==34 L=】 ====≠====================  

333>|| জীবন ও সমস্যা ||

 333>|| জীবন ও সমস্যা ||           <--©➽-আদ্যনাথ---> জীবন যখন আছে  সমস্যা ও থাকবে। সমস্যা জীবনকে থামিয়ে দেয় না সমস্যা জীবনকে নুতন পথ দেখায়। সমস্যা ভাবায় নুতন পথে কিছু নুতন ভাবনার প্রতি, বাঁধার সামনে নুতন পথ খুঁজে নেওয়াই  জীবনের অগ্রগতি। সে নাবিক নাবিক নয়,  যে উজানে নৌকা বাইতে না জানে। সে পথিক পথিক নয়, যে কঠিন পথে চলতে না জানে। জীবন চলিষ্ণু তাই চলতে হবে, মাথা উঁচিয়ে বাঁচতে হবে। নিত্য নুতন পথ খুঁজতে হবে  সমস্যার সমাধান নিজেকেই করতে হবে। খুজেঁপেতে জীবনের মনে, চলতে হবে সমস্যার পথে। জীবনকে সুন্দরকরে গড়ে তুলতে, নুতন ভাবনায় নুতন পথে চলতে হবে।  নদী পথেই হারিয়ে যায়, তাকে  মনে রাখে কে কবে কোথায়। জীবনের পথে হরেক সমস্যা, নুতন পথ দেখায় সর্বদা। চলা তো এক প্রক্রিয়া মাত্র, আসল তো মনের দৃঢ়তাই সত্য। জীবন সাফল্যে  চলার বিলম্ব, হতে পারে জীবন সাফল্যে বিঘ্ন। জীবন তো স্রোতের উজানে চলা, থেমে গেলেই পিছিয়ে পরা। চলার পথে সমস্যা যদি বিঘ্ন ঘটায়, খুঁজে নিতে হবে সমাধানের উপায়। <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->     27/01/2021;;10:30a...

332>||--আমি বাঁচব ই--||

332>||--আমি বাঁচব ই--|| বাঁচব আমি ঠিক, যতই তোমরা চাওনাকেন বন্ধ করতে চার দিক। হাসব আমি প্রাণ খুলে, যতই তোমরা চাওনাকেন থামিয়ে দিতে ভুলে। জ্বলব আমি প্রচন্ড হয়ে, যতই তোমরা চাওনাকেন নিভিয়ে দিতে চেয়ে। উরবো আমি হওয়ার বেগে, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় থামিয়ে দিতে। উজানে আমি বাইবই তরী, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় পিছু টানতে। বাঁচার মতন বাঁচব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় নত করতে। গিরী লঙ্ঘন করবোই আমি, যতই  তোমরা চাওনাকেন আমার পথের বাধা হতে। দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছুটবই আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় থামিয়ে দিতে। মেঘের মতন ভাসব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় ভেঙে দিতে। বিদ্যুতের মতন ঝলসাব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় প্রতিহত করতে। বজ্রের মতন নিনাদিব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় থামিয়ে দিয়ে। কবির মতন গাইব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় থামিয়ে দিতে। সম্রাটের মতন সাজব আমি, যতই তোমরা চাওনাকেন আমায় হারিয়ে দিতে। বাঁচার মতন বাঁচবই আমি যতই তোমরা চাওনাকেন আমার সর্বনাশ করতে।       <--©--●অনাথ●--->           ...

331>||-হারিয়ে যাওয়া-|| / ||-প্রেমের ব্যাথা-||

331>||-হারিয়ে যাওয়া-||          ||-প্রেমের ব্যাথা-|| নিরবে  নিভৃতে মনের  কত কথা, দুজনে বলেছিলাম সকল ব্যাথা। ওই চোখে দেখেছিলাম সাগরের নীল, ওই ঠোঁটে এঁকে ছিলাম মনের মন্দির। ওই হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দন, আজও জাগায় শরীরে কম্পন। ওই চোখের পাতায় যে ছবি এঁকেছি , ব্যাথা পাবে ভেবে ঠোঁট দিয়ে মুছেছি। আজ তুমি চলেগেল নীরবে, একবারও ভাবনি আমারে। আমি বলতে চেয়েছিলাম কথা, তুমি রইলে নীরবে,শুনলেনা কোন কথা। তোমার নীরবতার মুহূর্ত গুলির নিঃশ্বাস, মনে হতো আমার প্রেমের ব্যর্থ প্রকাশ। এই ভাবনায় চলে গিয়ে ছিলাম দূরে, চিন্তার ছায়া থেকে দূরে,বহু দূরে। ভেবেছিলাম যাবে ভুলে, সুখে বাঁধবে ঘর, থাকবে আনন্দ মহলে। আজ দেখলাম বহু বৎসর পর। ওই চোখে  সেই  চাহনি, আজও আমি চেয়েছিলাম কিছু বলতে, তুমি মুখ ফিরিয়ে নিলে। ওই চোখে দেখেছি বেদনা, না বলেও বলেছে অনেক কথা। হয়তো ছিল অভিমানের ব্যথা। কি হবে আর কথা বলে, আমাকে তো যেতেই হবে। তুমি আজো রইলে নীরবে। রও তুমি মুখ ফিরিয়ে দেখো না ফিরে, এ জীবনে বোধহয় আর হবেনা দেখা। আর ফিরবোনা রইবো একা, শুধু বলা হলনা অন...

330>||-হাসি এক মহা মন্ত্র-||

330>||-হাসি এক মহা মন্ত্র-|| জীবনে খুশি রব কি না রব, সেতো নিজেতেই বর্তায়। খুশি আশীর্বাদ বা বৃক্ষের ফল নয়। খুশি, মনের এক সচেষ্ট ইচ্ছা, চাইলেই পাওয়া যায়না, অভ্যাস করতে হয়। মিথ্যা দিয়ে খুশি, ক্ষনিকের মাত্র, সত্যের খুশি হলেও কষ্টসাধ্য, জীবনে প্রকৃত আনন্দ যোগায়। ভলবাসতে জানলেই, অন্তর শুদ্ধ হয়। অপরকে আনন্দ দিতে পারলেই, জীবন আনন্দময় হয়। আনন্দ লুটাইছে ভুবনে, এই আনন্দ ভবনে। আনন্দ পূর্ন হোক সকল হৃদয়ে। যে হৃদয় জানে হাসতে, সে অপরকেও পারে হাসাতে। হাসিই  জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার, হাসিই বহু রোগের প্রতিকার। খুশি, আনন্দ আহমিকার শত্রু। হাসি এক মহা মন্ত্র ব্রহ্মানন্দ স্বরুপ, হাসিতেই স্বর্গীয় সুখের প্রকাশ।         <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-16/07/2018--】            【07:10:15==23 L=】 ===========================

329>||-দিন কাল-||

329>||-দিন কাল-|| আজকাল আর কেউ বলেনা ডাক্তার হও। ইঞ্জিনিয়ার হও। করন, ডাক্তার হলেই মারখাবে নিশ্চিত।  ইঞ্জিনিয়ার হলেই বেকারত্ব বাড়বে। কেউ বলেনা ভাল হও, মানুষ হও। ভাল মানুষ হলেও চাকরি জুটবে না। সকলের একটাই কামনা টাকা কামাও। নিজের পায়ে দাঁড়াও, টাকা কামাও। কেন ভাই, টাকা তো আর ভগবান না। কিন্তু টাকা ভগবানের থেকে কম তো নয়। ভাল মানুষ কজন খোঁজে! টাকা সবাই খোঁজে। টাকা চাই টাকা। হোকনা পকেট ফাঁকা। তবুও চাই টাকা। যেপারে সে সমর্থ যে নাপারে তাঁর ইহকাল ব্যর্থ।             <--©--●অনাথ●--->            【--anrc-14/07/2018--】            【05:56:18==】

328>||-অহঙ্কার-||

328>||-অহঙ্কার-|| অহঙ্কার অতীব ভয়ঙ্কর। অহঙ্কারের যাতনাও ভয়ঙ্কর। অহঙ্কার দুঃখ ভয়ঙ্কর। অহঙ্কারের ব্যর্থতাও ভয়ঙ্কর। অহঙ্কার  ভয়ঙ্কর এক ব্যাধি। অহঙ্কার  ভয়ঙ্কর প্রতিবন্ধক। অপরকে ছোট বা তুচ্ছ করাই অহঙ্কার। অপরকে ঘৃণার চোখে দেখাই অহঙ্কার। সত্যকে প্রত্যাখ্যান করাই  অহঙ্কার। অহঙ্কারী ব্যক্তি নিজের ধনসম্পদ, সন্তানসন্ততি, জ্ঞানবুদ্ধি, চলন-বলন, সৌন্দর্যে নিজেকে বড় মনে করেন। অহঙ্কার মুখে  প্রকাশ যেমন ভয়ঙ্কর, অহঙ্কারের ভাব প্রকাশ তেমনি ভয়ঙ্কর। অহঙ্কার  অবিশ্বাস থেকে জঘন্য। অহঙ্কার নিজের সর্বনাশ, অহঙ্কার বিষাক্ত ভয়ঙ্কর। অহঙ্কার অহমিকা উভয় সমান। অহঙ্কার আমিত্ব বৃথা গর্ব,দম্ভ। অহঙ্কার বর্জন  মনুষ্যত্বের গুন। নিরহঙ্কার মানুষের শ্রেষ্ঠ গুন। নিরহঙ্কারী সদাই পূজ্য। নিরহঙ্কারী সর্বশক্তির অধিকারী। নিরহঙ্কারী সর্বজ্ঞানের অধিকারী। নিরহঙ্কার নির্লোভ মানুষ সর্বজনের পূজ্য। নিরহঙ্কার নির্লোভ মানুষ ঈশ্বর রূপে গণ্য।           <--©--●অনাথ●--->            【--anrc--14/07/2018--】    ...

327>||সুখের সন্ধানে ||

  327>|| সুখের সন্ধানে ||             <--©➽-আদ্যনাথ---> একটু সুখের সন্ধানে ঘুরলাম কত দেশ দেশান্ত, আপনমনে, সকলের অজান্তে। সুখ কোথায় সুখ কোথায়, ঘুড়েছি শহর জঙ্গল হেথায় হোথায়। দেখেছি সাধু, সন্ত, বৈরাগী, ফকীর, সকলের এক নির্দেশ লভিতে হবে ঈশ্বর। কোথায় পাব ঈশ্বর কে বলবেন পথ, রাত দিন করেছি চেষ্টা হাজারো শপথ। নিজের শত চেষ্টার বিফল যতন, শেষে ত্যাগীব গৃহ করিলাম পণ। দিন যায় মাস যায় মন্দির,মসজিদে, সকল চেষ্টায় ফিরিলাম ব্যর্থ মনরথে। শিশুকালের সুখ ছিল দুঃখের কান্নায়, সময়ের অভিশাপে পরিস্থিতির তাড়নায়। বহুকাল সুখের সন্ধানে ফিরি পথে পথে, রাজপথ হতে নির্জন শ্মশানের ঘটে। পাইনি সুখ বহুকাল খুঁজেছি যেই সুখ, বহু প্রচেষ্টাতেও  পেয়েছি কেবলই দুখ। কে দেবে আমায় প্রকৃত সুখের সন্ধান, বুঝেছি সুখদুখের মাঝে বিস্তর ব‍্যাবধান , হয়তো একদিন নয়তো শেষের দিন, বুঝি ধরা দেবে অচিন পাখি এক দিন। আজও আছি অপেক্ষায় হবে সূর্যদয়, পাবো সেই অলীক সুখ এই ভগ্ন হৃদয়।    <--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->         28/01/2021;;08:10 pm. =========================== ...

326>ইলশে গুঁড়ির ইলিশ- +||-(1--5)|

326>------------------(1---5) 1>||-ইলশে গুঁড়ির ইলিশ-|| 2>|| ইলিশের লাশ ||fb  3>|| কাঁচা ইলিশ || fb   4>|| ইলিশ প্রীতি || 5>||-ইলিশ বৃত্তান্ত-|| ======================= 326> 1>||-ইলশে গুঁড়ির ইলিশ-|| বর্ষায় মজলিস, খাবার পাতে ভাল ইলিশ। ইলশে গুঁড়ি, ইলশে গুঁড়ি, ইলিশ মাছের ডিম, নাম শুনলেই জিভেজল বুক ঢিব ঢিব। রূপে রসে গন্ধে মন আনন্দে তাধিনা ধীন। বর্ষার ইলিশের মজলিস, ইলিশ ভাজা খান দশ পিস। সকাল বেলাই পেট সাফ, থাকবেনা কোন ফুস ফিস। পদ্মার বা মেঘনার ইলিশের স্বাদ, তুলনা বিহীন অপরূপ গন্ধ ও স্বাদ। বাংলার ইলিশের  নাই জবাব, ইলিশ মাত্রেই হার্ট মজবুত পেট সাফ। সব মাছ যেমন তেমন ইলিশ চেনা ভার, চন্দনাকে ইলিশ ভেবে খেয়ে ধুত কার। ইলিশ চেনা ও রান্না করা জানা দরকার, ইলিশের করবে বদনাম সহ্য হবে কার। হিরা চেনে জহুরী ,ইলিশ চিনি আমি, ইলিশের নামে চলে হেরাফেরি। ইলিশ রুপালি মাছ সমুদ্রেই তারবাস, গঙ্গায়,পদ্মার,মেঘনায়,এলেই বাড়ে স্বাদ। ওরা থাকে গভীর সমুদ্রের জলের তলে তখন তাদের ধরতে পারাই দুষ্কর। ওদের  বিশেষ  খাদ্য জলজ শ্যাওলা, তাই খেয়েই  হয় যুবতী রূপসী ললনা। শরীরে জমে ...