Posts

Showing posts from April, 2018

320>||সমস্যা:::---( অনুবাদ )--

320>সমস্যা:::---( অনুবাদ ) সমস্যা তো জীবনের অঙ্গ--- সমস্যা তেই যদি থাকে নজর জোরদার, সামনে পাবে কেবল সমস্যার পাহাড়। যদি খোঁজ পথ সমাধানের কেবল, সদাই পাবে উপায় অঢেল। ||-©➽ --ANRC----03/11/2017:::----|| ||======================|| "When you focus on problems, you get more problems. When you focus on possibilities, you have more opportunities." -Goutam Buddha-

319>||-17সেপ্টেম্বরে ই কেন হয় বিশ্বকর্মা পুজো?-||-

319>||- 17সেপ্টেম্বরে ই কেন হয় বিশ্বকর্মা পুজো?-|| ( 1লা বৈশাখ---to--- ভদ্র সংক্রান্তি= 5 মাস = 165 দিন কালেভদ্রে কখনও কন মাস 29 বা 32 দিনে হলে 17 তারিখের আগে বা পরে হয়। ) জানেন কি, কেন প্রায় প্রতি বছরেই ১৭ সেপ্টেম্বরে হয় বিশ্বকর্মা পুজো? শিল্প যদি সময় নিরপেক্ষ হয়, তবে শিল্পের দেবতার পুজোও কি সেই নিয়ম মেনেই বাঁধাধরা তারিখে হবে? সেই জন্যই প্রায় প্রতি বছরেই ১৭ সেপ্টেম্বরে উদযাপিত হয় বিশ্বকর্মা পুজো? এই জায়গায় এসে একটু কূটকচালি মাথা চাড়া দেবে। অর্থ সব সময়েই প্রয়োজন, বিদ্যাও তাই! বছরের প্রতিটি দিনেই শক্তি জীবনযাপনের অপরিহার্য শর্ত। তাহলে আর বিদ্যাদাত্রী সরস্বতী, ধনদাত্রী লক্ষ্মী বা শক্তিদায়িনী দুর্গা বা কালীর পূজার তারিখ প্রতি বছরে আলাদা আলাদা দিনে কেন পড়ে? তাঁদের পূজার তিথি কেন দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার মতো ইংরেজি ক্যালেন্ডারের একই তারিখে স্থির নয়? আসলে, হিন্দুদের সব দেবদেবীরই পূজার তিথিটি স্থির হয় চাঁদের গতিপ্রকৃতির উপর নির্ভর করে। এ ব্যাপারে অনুসরণ করা হয়ে থাকে চান্দ্র পঞ্জিকা। কিন্তু বিশ্বকর্মার পুজোর তিথিটি স্থির হয় সূর্যের গতিপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে। যখন সূর্য সিংহ রাশি থেকে গম...

318>||-তন্ত্রসাধনা::---||

318>তন্ত্রসাধনা::--- তন্ত্রসাধনা বা তন্ত্র মন্ত্র হিন্দু ধর্মের এক বিশেষ অঙ্গ। মোটা মুটি সব তন্ত্রের উপাস্য দেবতা ও উপাসনাপদ্ধতি এক নয়। কারুর উপাস্য দেবতা শিব, কারুর শক্তি, কারুর বিষ্ণু, কারুর সূর্য, আবার কারুর গণপতি । এই উপাস্য দেবতার বিভেদ অনুযায়ী উপাসকদের শৈব, শাক্ত, বৈষ্ণব, সৌর ও গাণপত্য নামে অভিহিত করা হয়। তবে এদের মধ্যে শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণবরাই সংখ্যায় অধিক । বস্তুত তন্ত্রের জগৎ অতি জটিল । তবে তন্ত্রের উপাসনা পদ্ধতিসমূহে কয়েকটি বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। এই সব বৈশিষ্ট্যের অন্তৰ্ভুক্ত হচ্ছে-মূলমন্ত্র, বীজমন্ত্র, মুদ্রা, আসন, ন্যাস, দেবতার প্রতীক স্বরূপ বর্ণরেখাত্মক যন্ত্র, সাধনার সময় মৎস, মাংস্য, মদ্য, মুদ্রা ও মৈথুন এই পঞ্চ-মকারের ব্যবহার, উদ্দেশ্যসিদ্ধির জন্য মারণ, উচ্চাটন, বশীকরণ প্রভৃতি যট্‌কর্মের আশ্রয় গ্রহণ ও যোগানুষ্ঠান। তবে সব সম্প্রদায়ের উপাসনার মধ্যেই যে এ সব বৈশিষ্ট্য আছে তা নয়। যথা, যারা বামাচারী তান্ত্রিক সাধক তারাই মৎস্য, মাংস, মদ্য, মুদ্রা ও মৈথুন এই পঞ্চ-মকারের আশ্রয় গ্ৰহণ করে । নারীসঙ্গমই এই উপাসনার ভিত্তি । এই সাধনায় নারীসঙ্গমের ভূমিকা সম্বন্ধে তাঁরা ...

317>||--জীবন-+ কয়েকটি ছোটো ছোটো -|| (1 to 9 )

317>||--জীবন-+ কয়েকটি ছোটো ছোটো -||  (1 to 9) 1>জীবন 2>ভালোবাসার এক মাত্র  3>জীবন ক্ষনিকের, 4>সময় করে না 5>হৃদয় তো সকলেরই আছে, 6>জীবন হচ্ছে বড়ই কঠিন দিনের পর দিন, 7>জীবন অতিবাহিত করার জন্য 8>जिंदगी बहुतई कठिन, 9>যাগ, যজ্ঞ্,পূজা,পার্বন,সকলি ================================ 317>||--জীবন--||   1>জীবনের আর এক নাম সংগ্রাম। জীবন কি কখনও সহজ থাকে ? জন্ম থেকে  মৃত্যু পর্যন্ত, পুরোটাই তো সংগ্রাম, যার নাম জীবনসংগ্রাম । ছোট্ট শিশুর নানান সংগ্রাম তার কান্নায়, ভাব প্রকাশ ও আদর চাহিদার সংগ্রাম, কৈশোরের স্কুল কলেজ বন্ধু ও সংগ্রাম। যৌবনের সংগ্রাম জীবিকা অর্জনও সংসার। এর পর নানান ব্যাধি বাধ সাধে শরীর। এমনি করে সংগ্রাম তো থেমে থাকে না। নতুন করে শেখার পালা আসে, শেখারও হয় না শেষ। জন্মথেকে শেখা শুরু মৃত্যুতে হয় শেষ। মাঝে আছে কতো আদর আবদার, ছেলে-মেয়ে-নাতি-নাতনী সকলের আবদারে, শাসনে যেন ফিরে আসে শৈশব ।  আর তাইতো জীবন বর্ণময় । নানান কর্ম যজ্ঞে অতিবাহিত হয়ে বয়েচলে জীবন নদীর স্রোতের মতন, সময়ের তালে তালে চলে জী...

316>||-গজব রাজা-||

316>||-গজব রাজা-||                  <----আদ্যনাথ--->( © ) আজবদেশের গজব রাজা, পটু ভারী দিতে সাজা। ডেকে বলেন ওহে মন্ত্রী চোর ধরলো কি সান্ত্রী। মন্ত্রী বলেন---- এইযে ধরেছি চোর মহারাজ, রাজা বলেন এ কেমন চোর এতো দেখি ক্খানা হাড্ডির জোড়। ওর শরীরে মাংস কোথায়? শুধু হাড় গুলোই দেখা যায়। মন্ত্রী বলেন--- মহারাজ আপনার শাসন যে খাসা, তাই সকল প্রজার এমন দশা। এবেটা চোর ওর দোষ কি বলুন, সকল বাড়িতে খাবার বাড়ন্ত, কোথায় চুরি করবে বলুন। তাই খাবারের এভাবে ক্ষিদের জ্বালায় শরীরের মাংস গেছে উবে, হাড় কখানি আছে কোনমতে জুড়ে। চুরি করবে কার ঘরে সবার ঘরই বাড়ন্ত, এই বেটা খোঁজ নিয়েছে আদ্য পান্ত। শেষে কিনা সিপাহীর ঘরেই চুরি, ভেবে ছিল পাবে অনেক ঝুড়ি ঝুড়ি। বেটা তারা খেয়ে সিপাহীয়ের ঘর থেকে, পালাতে গিয়ে জানালার জালে জড়িয়ে, পা গেল আটকে তাতেই পড়লো ধরা, তাই নিয়ে এলো হাতে পড়িয়ে কড়া। এবেটা চোর শরীরের রক্ত মাংস হীন, হাড়ের কেরামতিতে চুরি করে রাত দিন। বেটা চোর জানালা,নর্দমা, জলের পাইপ, সকলের মধ্য দিয়েই ওর  অবারিত দ্বার। আজ বেটা বুদ্ধির ভুল...

315>||----স্মার্ট ফোন-----||

315>||----স্মার্ট ফোন-----|| 04/02/2018::--- আসাম গৌহাটি তে বসে লিখলাম কামাক্ষা মন্দিরে লাইনে দাঁড়িয়ে শেষ করলাম::---- আজকাল মোবাইল হয়েছে স্মার্ট। এই হাতের মোবাইল এমনিতে হয়নি স্মার্ট, অনেক খেয়ে ,দেখে ,শুনে ,জেনে হয়েছে স্মার্ট। দেখা,শুনা জানার কথা নাহয় দিলাম ছেড়ে, খাবার লিস্ট দেখি একটু নের চেড়ে----- ক্যামেরা- ক্যাচ করে চিবিয়ে নিয়েছে-- রেডিওটা- আনন্দে হজমই করেছে-- টেপ রেকর্ডারটা-ঘোল করে ই খেয়েছে-- রিস্ট ওয়াচ-কব্জি ডুবিয়ে মজায় খয়েছে-- টর্চ লাইট-মাথায় বেঁধে নিয়েছে-- ক্যালকুলেটর- স্বমূলে গুলেই খেয়ে নিয়েছে-- চিঠিপত্র 'মেসেজের' মাধ্যমে উধাও করেছে-- আসে পাশের বন্ধুত্য- ফেসবুকে আবদ্ধ করেছে-- মেলামেশা ভুলিয়ে স্মার্টনিজেই চ্যাটে আছে-- সময়- কে মজায় হজম করেছে-- কতো শুভাশীষ- গিলে নিয়েছে-- পয়সা- তাও আরামে খেয়েছে-- আত্মীয়তা-সকলি ফোন কলে বদ্ধ করেছে-- স্বরণ শক্তি-তো সকলি কব্জা করে রেখেছে-- স্বাস্থ্য-সকলের খেয়ে মজবুত হয়েছে-- এতো কিছু খেয়ে তবেই স্মার্ট হয়েছে-- মানুষকে-করে পাগল ফোনস্মার্ট হয়েছে-- অসকল তো খাবারের এতিবৃতি হোল, এবারে ফোনের কেরামতির কথা একটু বলি--- ফোন যতদিন তারে বাঁধা ছিল, তত...

314>||-এও এক এগিয়ে চলা-।|-

314>||-এও এক এগিয়ে চলা-।| জন্ম ক্ষনের পরমুহূর্তে থেকে শুরু হয় চলা। মানুষের বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে চলা। বার্ধক্য একটি স্বাভাবিক জৈবিক ঘটনা। কারুর হলেও হতে পারে একটু মন্থর, কারুর স্বভাববিক গতিতে এগিয়ে যাওয়া। বার্ধক্য নিশ্চিত কিছু দৈহিক অবক্ষয়, যার ফলে মানুষের কর্মক্ষমতা হ্রাস হয়। দিনে দিনে প্রতিরোধ ক্ষমতা হয় লুপ্ত প্রায়। নিশ্চিত মৃত্যুর দিগে এগিয়ে নিয়ে যায়। সমাজে বার্ধক্য দ্বারা প্রায়ই, বয়োবৃদ্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়। বার্ধক্য একটি অবশ্যম্ভাবী জৈবিক বাস্তবতা, যার আছে একটা নিজস্ব গতির নিশ্চয়তা। হোকনা কেন কতো প্রতিরোধক আবিষ্কার, বার্ধক্য মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। মৃত্যুই শেষ কথা যার। মানুষ মরন শীল এটি সত্য, তাঁর এগিয়ে চলা বার্ধক্য নিশ্চিত সত্য, বার্ধক্যের অবধারিত পরিণতিই মৃত্যু চির সত্য। ||---anrc---18/02/2018:------------|| ||=====================||

313>||শান্তি পুরের শান্তি বার্তা:||:

313>||শান্তি পুরের শান্তি বার্তা:||:--18/20/2018::-- শান্তিপুরে গোবিন্দুরের মোড়ে, আমি আর শঙ্কর দা--- ছোট এক হোটেল দেখলাম-–- গরম রুটি করছেন এক মহিলা। ঢুকলাম সেই হোটেলে, গরম রুটি খাবার লোভে, দোকানদার::-- কি চাই বলুন, আমরা::-- রুটি খাব হবে কি দা দা ? দোকানদার::- খাবেন জখোন দাঁড়িয়ে কেন বসে পড়ুন টেবিলে। এখানে হাত ধোবেন না বা কিছু ফেললে ₹25 টাকা ফাইন। হাত ধোবেন তো রাস্থায় গিয়ে হাত ধোবেন। রাস্থা টা সরকারি, ওখানে জাইচ্ছা করতে পারেন। দোকানদার::--কটা করে রুটি দেব? সবজি বা ভাজা কি দেব? আমরা::---কি দাম, কত করে রুটি সবজি? দোকানদার::--রুটি তিন টাকা পিস, সবজি ছয় টাকা প্লেট। আমরা::--দুটো করে দিন, আরো লাগলে পরে নেব। দোকান দার::-- না না তেমনটি হবে না। যত রুটি চান একবারই দেব। একটা, দুটো,কি দশটা লাগবে যতটা। আমরা::--অবাক হয়ে বললাম সেকি, পরে রুটি লাগলে আর দেবেন না। দোকান দার::-যা যা লাগবে একবারই পাবেন দ্বিতীয় বার চাইলেও পাবেন না। আমরা::-- থাক তবে থাক এমন শর্...