Posts

Showing posts from May, 2018

324>||-গৃহ শান্তি-||(শাস্ত্র বাক্য )

324>||-গৃহ শান্তি-||(শাস্ত্র বাক্য ) 25-Blg-P3/224 শাস্ত্র বাক্য কে একটু সহজ করে দেখা। "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলে পরিচয়।" "A tree in known by its fruit." অতি সামান্য কিছু কারণ আচরণ---- জীবনে আনে পরিবর্তন ------ গৃহে বিরাজে সুখ শান্তি ঐশ্বর্য প্রচুর। এই সামান্য কিছু মেনে-- যে কেউ পরীক্ষা করে নিতে পারে। 1>মুখের থুতু ফেলার সাথে জড়িত মান, সম্মান,সুনাম,বদনাম। ফেললে থুতু এদিক ওদিক হবে জীবাণুর বাড়ন্ত সাথে ভুগতে হবে মান,সম্মান,ও বদনামের কারন। --তাই থুতু ফেল ওয়াশ বেসিনে। সকল কিছুই হবে সুন্দর বাড়বে মান সম্মাম দিনে প্রতি দিনে। 2>আহারের পরে উচ্ছিষ্ট বাসন ছেড়ে ফেলে রেখে গেলে খাবার স্থানে। --------জীবনে সফলতা স্থায়ী নাহি হবে। উচ্ছিষ্ট বাসন রেখে দিলে নির্দিষ্ঠ স্থানে। গ্রহ রাজ শনি ও চন্দ্র বাড়াবে সম্মাম। দেবে স্থায়ী পদ ও,বাড়ন্ত সম্মান। থাকবেনা টেনশন। 3>উচ্ছিষ্ট আহার ফেলে রেখে যেওনা খবরদার। এতে জীবন হবে বিষাক্ত, সব কিছু থাকতেও হয়তো জুটবে না আহার 4>গৃহে হলে কারুর আগমন, হোক সে অথিতি আপন জন বা কোন কর্মী,অথবা চাকর, বা ধবী। তাঁরে দিও পানের উপযুক্ত শীতল জল...

323>||--চাওয়া পাওয়া--||

323>||--চাওয়া পাওয়া--|| মানুষ যাচায় তা পায় কি? জানিনা কেউ পেয়েছে কি না! আমিতো পাইনি। আমার চাওয়া ছিল সামান্য একটু, চেয়ে ছিলাম ফিরে যেতে, আমার সেই ছোট বেলাতে। আজো মনেপড়ে, ফেলেআস সেই দিন গুলি। সেদিন ছিলনা কোন বাঁধন, ছিল মা এর শাসন। ছিলাম পাঁচ ভাই তিন বোন। মা আর দিদি মিলেই করত শাসন। মা রান্নাঘর থেকেই পড়াতেন, আমাদের আট জনকে মা ই করত শাসন। ছিল একটা লাঠি, মা কোনদিন মারেননি। রাত্রে মা যদি বলতেন বাবাকে, আমাদের কারুর কোন অন্যায়ের কথা, বাবাই পেটাতেন ওই লাঠি দিয়ে। পড়তে বসার জন্য খেয়েছি বকা, ছিলনা এখনের মতন বই এর বোঝা। এখন শিশুদের দেখে মনে হয়, সত্যি কি আমরা পড়েছি? নাকি সকলেই পড়াশুনা শিখেই জন্মেছি? আমরা খেলতে খেলতে পড়েছি। আজকালকার শিশুরা কুঁজো হয়ে গেছে, ওদের পিঠের বইয়ের ভারে। স্কুলের ব্যাগ তো নয়, যেন বইয়ের পাহাড় বইছে পিঠে করে। পুকুরে স্নান ঘন্টা ভর সাঁতার দিয়ে, পাড়ার বড় দাদার আসতো লাঠি নিয়ে। আমরাও পারে উঠে দৌড়ে যে যার ঘরে। স্কুলের টিফিনে কোন বাড়ির পেয়ারা, কারুর গাছের আম,কারুর জাম, আম জাম থেকে পেয়ারাতে লোভ বেশি। নারকেল গাছে চরতাম অনায়াসে, পাঁচিল ডিংগিয়ে, গা...

322>||-জীবনকে জানতে--||রোজ একবার পড়ে নিতে পারলে খুব ভাল হবে।

322>||-জীবনকে জানতে--||রোজ একবার পড়ে নিতে পারলে খুব ভাল হবে। জীবনকে জানতে, বা জানবার জন্য বহু চেষ্টার পরে স্বামী বিবেকানন্দ ও  শ্রী রামকৃষ্ণ প্ৰমহংসের কথপ কথনের কিছু অংশ পেলাম। লেখাটি ভাল লাগলো তাই শেয়ার করলাম। পড়ে দেখতে পারেন, আশা করি ভালো লাগবে।------- একদিন স্বামী বিবেকানন্দ নিজের জীবন নিয়ে হতাশ হয়ে গুরু রামকৃষ্ণের কাছে গেলেন। তিনি গুরুকে জীবন সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। স্বামী বিবেকানন্দ:---  আমি অবসর সময় খুঁজে পাচ্ছি না। জীবন আমার জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। রামকৃষ্ণ পরমহংস:---- কাজ তোমাকে ব্যাস্ত করবে কিন্তু সৃজনশীলতা তোমাকে অবসর দেবে। স্বামী বিবেকানন্দ:---- জীবন এখন কেন এত জটিল ? রামকৃষ্ণ পরমহংস:----- জীবনের বিশ্লেষণ বন্ধ করো। .. এটা জীবনকে আরও জটিল করে তোলে। স্বামী বিবেকানন্দ:---  কেন আমরা অসুখী? রামকৃষ্ণ পরমহংস:--- উদ্বেগ তোমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তাই তুমি অসুখী। স্বামী বিবেকানন্দ:---- কেন ভাল মানুষ সবসময় কষ্ট পায়? রামকৃষ্ণ পরমহংস:----- ঘর্ষণ ছাড়া হীরা মসৃণ করা যায় না। আগুন ছাড়া সোনা বিশুদ্ধ হয় না। ভাল মানুষ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায...

321>||-|| শূন্যতা ||

321>|| শূন্যতা || <-©➽-আদ্যনাথ--> অর্থের শূন্যতা,শূন্যতা নয়, অর্থের শূন্যতা ক্ষনিকের হয়। চেষ্টায় সফল হলে গেলে শূন্যতা মিটেযায় সময়ে। প্রিয়জনের শূন্যতারে প্রকৃত শূন্যতা কয়, প্রিয়জনের শূন্যতা হৃদয়ের শূন্যতা হয়। যে শূন্যতা চিরতরে কাঁদিয়ে যায়, মিটাতে চাইলেও মানেনা হৃদয়। শূন্য হৃদয়ে স্বপ্ন দেখা, সেতো এক অলীক ভাবনা। শূন্য হৃদয়ে বেঁচে থাকা, সেতো কেবলি বিড়ম্বনা। প্রিয়জনের শূন্যতা গভীর ভাবায়, একাকীত্ব জীবন ততোধিক ভাবায়। জীবন সদাই অর্থ খুঁজতেচায়, মৃত্যু জীবনকে বার বার কাঁদায়। আর্থিক শূন্যতা জীবনকে ভাবায়, মৃত্যু রূপ শূন্যতা জীবনকে কাঁদায়। আর্থিক শূন্যতা হয়তো মেটে সময়ে, মৃত্যু রূপ শূন্যতার পূর্নতা হয়না জীবনে। জীবন প্রিয়জনকে কাছে পেতে চায়, দুঃসময়েই আপন জন চেনা যায়। শূন্যতার বোঝা বওয়া বড়ই দায়, দূর্বল চিত্তে সেই বোঝা বওয়া অসম্ভব প্রায়। জীবন জানেনা না মৃত্যুর রং,রূপ,গন্ধ, জীবন জানে প্রেম নিশ্চিত অনুভূতি অঙ্গ। জীবন খোঁজে আর্থিক শূন্যতার কারণ, জীবন চেষ্টা করে আর্থিক শূন্যতা করতে পূরণ। মৃত্যুর কারনে শূন্যতা আসবেই সময়ে, আর্থিক শূন্যতা হয়তো মিটেযায় সময়ে। জন্ম মৃত্যুর খেলা চলে প্রকৃতির কারনে, আর্...