376>||-হায়রে জীবন-||
376>||-হায়রে জীবন-||
<--------অনাথ----->
শরীর নামের খাঁচাটা,
এখনো বেঁচে বর্তে আছে যেটা।
কতইনা আপন, আছে মান,
আছে কত চিন্তা অপমান।
কেটেছে এত গুলি বছর,
কত কৃচ্ছসাধন কত কষ্টের ধন।
করেছি সঞ্চয় কত দিয়া মন,
এখন নানান চিন্তায় মগ্ন হয়।
জীবন সূর্য অস্তমিত প্রায়,
খাচাটাও জীর্ণ প্রায়।
(হাড়ের জোড়গুলি শিথিল প্রায়)
কি হবে ওই গচ্ছিত ধন,
যা হয়েছে সঞ্চয় দিয়ে মন।
কিহবে এই শরীরের খাঁচাটার,
যে ছিল আদরে বলে আমার।
দেবে তো নিশ্চই পুড়িয়ে,
আগুনে অথবা যাইবে কবরে।
যেটুকু আছে সঞ্চয় গচ্ছিত ধন,
সকলি রইবে পরে কষ্টের ধন।
আসতে হয়েছে একলা,
যেতেও হবে যে একলা।
মাঝ পথে পেয়ে ছিলাম যাদের,
তাঁরা ব্যস্ত সংসার কর্মে নিজেদের।
মাঝের একটু আগে প্রথম স্টেশন,
সঙ্গী হয়েছেন একজন।
স্ত্রী রূপে তাঁরে করেছি গ্রহণ,
তাঁর সাথেই চলেছি করে যতন।
এখন তিনি রুগ্ন, কত বিলাপ করে,
ক্লান্ত প্রায় শরীরের ভারে।
ঈশ্বরের নাম জপেন দিবা রাত্র,
পরিত্রানের তরে জপে গুরু মন্ত্র।
আমি রূপে এই খাঁচা ও মাংস পিন্ড,
যার আছে অহঙ্কার প্রচন্ড।
কি হইবে তাহার গতি,
কোন কিছুতেই যার নাই মতি।
জানিনা চিনিনা ঈশ্বরকে,
তিনি কোথায় থাকেন।
কেন তিনি সকলের অলক্ষে,
সর্বদা লুকায়ে থাকেন।
জানি তাঁর তুষ্টির নিমিত্তে প্রয়োজন,
পুজার থালি আর ফুল চন্দন,
যারে দেখিনাই তাঁরে মনের মতন,
কি করিয়া করি বন্দন।
কত জ্ঞানী গুণী জন বলেছেন,
জীবেতেই ব্রহ্ম একত্ব আছেন।
কেউ বলেন শিবই সম্মুখে আমার
জীবরূপে সর্বদা আছেন।
এমন সুন্দর চিন্তা বলা সহজ,
আমিতো খুঁজেই হই ব্যর্থ।
আজকাল চেনাই মুস্কিল,
কে সত্য, কে প্রকৃত দরিদ্র আর্ত।
কে সাধু আর কে প্রকৃত জ্ঞানী গুরু,
কতো গুরুই তো গেছেন জেলে।
নিতান্ত কামের তাড়নায় মগ্ন তারা,
তাদের আরাধ্য ঈশ্বর চিন্তা ছেড়ে।
আমি অতি সামান্য নিতান্ত নগন্য,
নিজের চিন্তায় দিন রাত মগ্ন।
কেমনে করি জীব রূপে শিবের চিন্তা,
সব হারিয়ে এখন শেষ দিনের চিন্তা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--07/09/2018--】
【=রাত্রি:01:08:22 am=】
【=কোলকাতা -59=】
||=========59 L=========||
<--------অনাথ----->
শরীর নামের খাঁচাটা,
এখনো বেঁচে বর্তে আছে যেটা।
কতইনা আপন, আছে মান,
আছে কত চিন্তা অপমান।
কেটেছে এত গুলি বছর,
কত কৃচ্ছসাধন কত কষ্টের ধন।
করেছি সঞ্চয় কত দিয়া মন,
এখন নানান চিন্তায় মগ্ন হয়।
জীবন সূর্য অস্তমিত প্রায়,
খাচাটাও জীর্ণ প্রায়।
(হাড়ের জোড়গুলি শিথিল প্রায়)
কি হবে ওই গচ্ছিত ধন,
যা হয়েছে সঞ্চয় দিয়ে মন।
কিহবে এই শরীরের খাঁচাটার,
যে ছিল আদরে বলে আমার।
দেবে তো নিশ্চই পুড়িয়ে,
আগুনে অথবা যাইবে কবরে।
যেটুকু আছে সঞ্চয় গচ্ছিত ধন,
সকলি রইবে পরে কষ্টের ধন।
আসতে হয়েছে একলা,
যেতেও হবে যে একলা।
মাঝ পথে পেয়ে ছিলাম যাদের,
তাঁরা ব্যস্ত সংসার কর্মে নিজেদের।
মাঝের একটু আগে প্রথম স্টেশন,
সঙ্গী হয়েছেন একজন।
স্ত্রী রূপে তাঁরে করেছি গ্রহণ,
তাঁর সাথেই চলেছি করে যতন।
এখন তিনি রুগ্ন, কত বিলাপ করে,
ক্লান্ত প্রায় শরীরের ভারে।
ঈশ্বরের নাম জপেন দিবা রাত্র,
পরিত্রানের তরে জপে গুরু মন্ত্র।
আমি রূপে এই খাঁচা ও মাংস পিন্ড,
যার আছে অহঙ্কার প্রচন্ড।
কি হইবে তাহার গতি,
কোন কিছুতেই যার নাই মতি।
জানিনা চিনিনা ঈশ্বরকে,
তিনি কোথায় থাকেন।
কেন তিনি সকলের অলক্ষে,
সর্বদা লুকায়ে থাকেন।
জানি তাঁর তুষ্টির নিমিত্তে প্রয়োজন,
পুজার থালি আর ফুল চন্দন,
যারে দেখিনাই তাঁরে মনের মতন,
কি করিয়া করি বন্দন।
কত জ্ঞানী গুণী জন বলেছেন,
জীবেতেই ব্রহ্ম একত্ব আছেন।
কেউ বলেন শিবই সম্মুখে আমার
জীবরূপে সর্বদা আছেন।
এমন সুন্দর চিন্তা বলা সহজ,
আমিতো খুঁজেই হই ব্যর্থ।
আজকাল চেনাই মুস্কিল,
কে সত্য, কে প্রকৃত দরিদ্র আর্ত।
কে সাধু আর কে প্রকৃত জ্ঞানী গুরু,
কতো গুরুই তো গেছেন জেলে।
নিতান্ত কামের তাড়নায় মগ্ন তারা,
তাদের আরাধ্য ঈশ্বর চিন্তা ছেড়ে।
আমি অতি সামান্য নিতান্ত নগন্য,
নিজের চিন্তায় দিন রাত মগ্ন।
কেমনে করি জীব রূপে শিবের চিন্তা,
সব হারিয়ে এখন শেষ দিনের চিন্তা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--07/09/2018--】
【=রাত্রি:01:08:22 am=】
【=কোলকাতা -59=】
||=========59 L=========||
Comments
Post a Comment