Posts

399>|| -জীবন সুন্দর করে গড়তে -||

 399>||-জীবন সুন্দর করে গড়তে -||                <---©-আদ্যনাথ---> শুরু করছি আজ আমার ভালো লাগা অতি প্রিয় একটি শ্লোক দিয়ে। যেটি "ঋগ্বেদ" এতে উল্লেখ আছে। ""ওঁ অসতো মা সদ্গময়। তমসো মা জ্যোতির্গময়। মৃত্যোর্মামৃতং গময়। আবিরাবীর্ম এধি।। রুদ্র যত্তে দক্ষিণং মুখং, তেন মাং পাহি নিত্যম্।''" সহজ করে লিখলে------- “ওঁ অসতো মা সদ্‌গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়, মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়, আবিরা বীর্মএধি।” যার অর্থ অনেকটা এইরকম- অসত্য হইতে আমাকে সত্যে লইয়া যাও, অন্ধকার হইতে আমাকে জ্যোতিতে/আলোতে লইয়া যাও, মৃত্যু হইতে আমাকে অমৃতে লইয়া যাও। হে স্বপ্রকাশ, আমার নিকটে প্রকাশিত হও। রুদ্র, তোমার যে প্রসন্ন মুখ তাহার দ্বারা আমাকে সর্বদাই রক্ষা করো। ======================= এবার কিছু বলছি একটু মণ দিয়ে ভালো করে বোঝার চেষ্টা করো। এবং ছেলেদের বোঝাও। আগে নিজে বুঝতে চেষ্টা করো তারপরে ছেলেদের বোঝাও আমি ধর্ম বুঝি না। এবং ধর্মের প্রথাগত কোন আচার আচরণ মেনে চলতে পারিনা। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রার্থনা করার চেষ্টা করি। এবং মনে মনে বলি ওই মন...

398>||-হাসির সুখ-||

398>||-হাসির সুখ-||                  <----আদ্যনাথ--->( © ) কি হাসছেনতো ---হাসুন---হাসা দরকার কারন আগে জানুম হাসির মানে। SMILE=S+ M+ I+ L+ E Speak+ More + in + Less+ Energy Speak more in less energy আবার বাংলায় যদি বলো --- হাসি হ+আ+স+ই--- হবে + আপ্লুত+ সকল +ইচ্ছা হবে আপ্লুত সকল ইচ্ছা।.        এবারে নিশ্চই হাসবেন। হাসুন তবে সাবধান হাসলেই ফাসবেন, তাই বুঝে নিয়ে হাসবেন। কখন কেমন হাসবেন। হাসিতেই হয় সকল মাৎ আবার হাসিতেই চিৎপাৎ। হাহা করে সামলে নিয়ে নিজেকে। হাসুন ,হাসতে হাসতে কাপড় যাক খুলে । তবে মুস্কিল ভুলে গেলে। হাসুন কাপড় সামলে নিয়ে, নিজের সত্ত্বা কে ভুলে না গিয়ে।. মিষ্টি হাসির দুস্টু মিতে একটু ছোঁয়া তল পেটেতে। লাগলে সুর সুরি সেই খানে যেথায় আছে লুকানো ধন। নিম্ন ভাগের উচ্চ যেমন আরাম পেলেই সিসকারীতে। আনন্দের প্লাবনেতে, পুরোটা হেসে নিয়ে পারলে দিতে।. কষ্টের হাসি আরাম দেবে, পুরোটা শয়ে নিলে। হাসবে জখোন ঝাঁকানি দিয়ে, ঠ্যাং চিতিয়ে মুচকি হেসে, আহা আহা বোধির হাসি, চরম সুখের হাসবে হাসি। ...

397>|| অবিশ্রান্ত বর্ষণ +হে মোর বঙ্গবাসী।|

397> 1>||-অবিশ্রান্ত বর্ষণ-||--24/07/2017::- 2>||-হে মোর বঙ্গবাসী।--|| ========================================  1>||-অবিশ্রান্ত বর্ষণ-||--24/07/2017::- ভোগাচ্ছে তিনদিনের নিম্ন চাপ, \\ কোলকাতা বাসীর নাভির স্বাস্। \\ দিন রাত বর্ষণ প্রবল, \\ নগর বাসীর বেজে গেল ঢোল। \\ সবকিছু হয়ে গেল গন্ডগোল, \\ ত্রাহি মধুসূদন রব উঠে গেল। \\ কত জেলা জে ভাসছে জলে, \\ উপরথেকে ডিভিসির জলের ফলে। \\ পশ্চিমবঙ্গ ভাসছে জলে, \\ প্রবল নিম্ন চাপের ফলে। \\ চারিদিক জল থৈ থৈ, \\ নাই কোন হই চৈ। \\ রিপোর্টাররা দিচ্ছে খবর ভিডিও, \\ কতো লোকের আবার পোয়া বারো। \\ এমন তর চললে আর দিনদুই, \\ আমাদের চিরে গুড় আর নেপোয় মারবে দই। \\ তাবলে করিসনে বাপু হৈ চৈ, \\ বাজারে গেলে মিলবে অনেক কই। \\ ইলিশের নামে চন্দনার বাড়বাড়ন্ত, \\ সবজির দাম ক্রমেই বাড়ন্ত। \\ বৃষ্টি দিচ্ছেনা কোনমতেই ক্ষান্ত। \\ আবহাওয়া ঠান্ডা কিন্তু অশান্ত। \\ ||-©➽-ANRC--24/07/2017::------|| ||========================||  2>||-হে মোর বঙ্গবাসী।--|| আমি তোমায় বড় ভালো বাসি। // তোমার চিন্তার ধারা // ছিল জগতের বাড়া। // আজ সকলে // বঙ্গের করছে ব্যাঙ, // সত্...

396>||-সন্তান পালন-||

396>||-সন্তান পালন-||               <----আদ্যনাথ--->( © ) সন্তানের জন্ম প্রকৃতির অনাবিল সৃস্টি, "মা"এর সৃজনশীলতায় হয় অপূর্ব সৃষ্টি। সন্তান পালন এক দীর্ঘ তপস্যার প্রতীক্ষা, সৎ সন্তান মাতা পিতার কর্মের সমীক্ষা। গৃহের পরিবেশে বাড়ে শিশুর কর্ম কুশলতা, শিশুর মনে সর্বদা থাকে জানিবার প্রবণতা। উপযুক্ত শিক্ষা উপযুক্ত পরিবেশ, শিশুমনের হয় উন্মেষ। সন্তান পালন সহজ নয় জানিও, একদিন এক  যজ্ঞ তপস্যা মানিও। যেইরূপ শিখাইবে শুরু থেকে আঠারো, তদ্রুপ ফল দিবে আজীবন জানিও। শিশু নিষ্পাপ কোমল কুসুম, তার জিগীষার করো যতন। **এক থেকে পাঁচ বৎসর শিশুর, করোনা শাসন, করো আদর যতন। **পাঁচ থেকে আট বৎসর শিশুরে, কোমল শাসন, রাখো চোখে চোখে। ভাঙিবে, ছিড়িবে,মিটাইতে কৌতূহল, প্রবল জিজ্ঞাসা সবেতেই কৌতূহল। শেখাও তাহারে উপযুক্ত আচরণে, জিজ্ঞাসা বাড়িবে তার প্রতি দিনে দিনে। শিখাইও না কভু অপরের মতন হইতে, প্রত্যেক শিশুই নিজের মতন হইবে। তুলনা করার প্রচেষ্টা শিশুমনের সর্বনাশ, তুলনা করা বিষাক্ত প্রচেষ্টা নিশ্চিত বিনাশ। **আট হইতে বারো বৎসর শিশুর অতিষয় শ্রেষ্ঠ শ...

395>||- জীবন ও নদী -||

 395>||- জীবন ও নদী -||              <-----©-আদ্যনাথ---> জীবন নদী সম বহে আপন বেগে, শুরুতে ক্ষীণ উৎসাহ তাহে। মাঝে পেলে ধারা উৎসাহ, ক্রম বর্ধমান প্রবাহ। নদী বহে নুতন উদ্দামে। প্রবাহমান নদী প্রবাহের অভাবে,  মাঝপথে যায় শুকায়ে। জল হীন শুষ্ক নদীরে কে মনেরাখে। নদী আর জীবন সুন্দর ততোক্ষণ, প্রবাহের টান বর্তমান যতক্ষণ। নদী বহে রাশি রাশি জল লোয়ে। ধরায় সৃষ্টির কল্যাণে, প্রকৃতির অহেতুক দানে, নদী বহে জীবের কল্যাণে, মানুষের কর্তব্য নদীকে সুন্দর স্বচ্ছ রাখা, নিজের স্বার্থে পরিবেশ কে স্বচ্ছ রাখা। আমরা ভুলেযাই এই সামান্য কথা, প্রকৃতি কিকরে ঘূচাইবে আমাদের ব্যথা। মানুষ শ্রেষ্ঠ প্রকৃতির দান, প্রকৃতি সুন্দর সেতো প্রকৃতির দান। সুন্দর কে উপেক্ষা, সে কি মানুষের শোভা পায়? মানুষ শ্রেষ্ঠ বুদ্ধি ও ভালোবাসার গুনে, সুন্দর পরিবেশ সুন্দরকে বিকশিত করে। বুদ্ধি স্বাস্থ্য দেহ মনে আনন্দ ভরে, প্রকৃতি আনন্দে শতরুপে লহরে।      【--anrc--29/01/2019--】      【=সকাল:04:30:22=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】 =======...

394> ||- আমরা বাঙালি -||

 394>||- আমরা বাঙালি -||                   <--©➽--আদ্যনাথ-->   আমরা বাঙালি বাংলা মোদের ভাষা, মোদের গরব মোদের আশা, আমাদের বাংলা ভাষা। বাংলা আমাদের ভালোবাসা, বাংলা নিয়ে অনেক আশা। বাংলায় কথাবলা, বাংলায় কাঁদা কাটা। বাংলায় আনন্দ প্রকাশ, বাংলায় হৃদয়ের উচ্ছ্বাস। বাংলায় একাত্মতা প্রকাশ, বাংলায় হৃদয়ের কাছে পাওয়া। বাংলার অনাবিল আনন্দ ভালোবাসা, বাংলায় নির্মল শান্তি ভালোবাসা। এমন দেশটি পাবেনা কোথাও তুমি খুঁজে, আমরা দুই বাংলা নিয়েই ভাবি নিজে। আমাদের গর্ব আমাদের আশা, দুই বাংলাকেই হৃদয় দিয়ে ভালোবাসা। আজ হোয়েছি এপার ওপার, দুই বাংলা আজও সবাকার। আমাদের সৃষ্টি কৃষ্টি আনন্দ, আজও মিলে মিশে একাকার। এমন দেশটি  পাবেনাকো  আর, আমরা বাঙ্গালী, বাংলা একাকার। আমাদের সৃষ্টি, কৃষ্টি, বিশ্বজোড়া খ্যাতি, আজও আমরা সমগ্র বিশ্বকে নিয়ে ভবি। ------<--©➽--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------      【--anrc--21/03/2019--】      【=সন্ধ্যা:07:08:22=】   【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】 ||=======================...

393>||-বিশ্ব প্রকৃতি-||

393>||-বিশ্ব প্রকৃতি-||       <----আদ্যনাথ--->( © ) এই বিশ্ব প্রকৃতি সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয় লয়ে, আপন মনে খেলা করে। তাইত বার বার করে সৃষ্টি,আর ধ্বংস । এই সৃষ্টি ও ধ্বংসের মাঝে, কত আদরে করে পালন। ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ, ঈশ্বর নিজের ইচ্ছায়, সৃষ্টি,স্থিতি, প্রলয়ের খেলা খেলে। কিন্তু ঈশ্বর নির্বিকল্প, নির্দায়। ঈশ্বর সকলের মূলে, মানুষকেই দায়ী করে। ঈশ্বর তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, মানুষকে দিয়েই করিয়ে নেয়, সকল কর্ম, সকল ধর্ম, সকল পূজা অর্ঘ। তাইত মানুষ ফেরে নামের ফেরে, ঈশ্বর এক অদ্বিতীয় সেটা ভুলে। প্রকৃতি রূপী ঈশ্বরের খেলায় ভুলে, মানুষ ঘুরে মরে কলুর বলদের প্রায়। বিধাতা অলক্ষে হাসে, পরম সন্তোষে অদ্ভুত তৃপ্তিতে। মানুষ জখোন কাম বাসনায় মাতে, বিধাতা তখনো তৃপ্তির হাসি হাসে । মানুষ জখোন হাসে বিধাতা হাসে। মানুষ জখোন কাঁদে বিধাতা হাসে। আসলে বিধাতা মানুষ লয়ে পুতুল খেলে। তাই মানুষের হাসি কান্না বিধাতার খেলা। মানুষ নিজের নিজের করে ব্যাকুল থাকে, মানুষের কোনটা নিজের, সেটা কজন জানে । যেদিন মানুষ বোঝে, এই ধরায় কিছুই তাঁর নিজের নয়। সেদিন সে নিজেই আর না রয়...