357>||-নিস্তব্ধতা ও হাসি-||

357>||-নিস্তব্ধতা ও হাসি-||

নিস্তব্ধতা এবং হাসি দুটিই অতি শক্তিশালী।
কারন নিস্তব্ধতা দিয়ে অনেক সমস্যাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়,
আর হাসি দিয়ে অনেক
সমস্যার সমাধান করা যায়।

নিস্তব্ধতা ও হাসি দুইটি বিশাল অস্ত্র,
সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয়ের প্রধান এক যন্ত্র।
শরীর গঠন, বুদ্ধির বিকাশ,যেমন হয়,
নানান রোগের প্রতিকার অবশ্যই হয়।

উঠতি যৌবনের হাসি
আকাশে উড়তে চায়,
যুবতীর কামের তারনার আহবাহন,
চটুল হাসিতে চেনা যায়।

যৌবনের হাসি মানেনা নিস্তব্ধতা
বৃদ্ধ বয়সে সব হারিয়ে নিস্তব্ধতারে ভয় পায়।

নিস্তব্ধতার প্রকাশের অনের অর্থ-----

নিস্তব্ধতা মানে নীরবতা, মিল, সন্ধি,  বিশ্রাম, নিশ্চলতা, শান্তি, উৎপাতনিবৃত্তি, যুদ্ধনিবৃত্তি, স্বস্তি, মিত্রতা,নিশ্চলতা, স্থিরতা অনুচ্চার্যতা, শান্ত অবস্থা,বিশ্রাম, স্থৈয্র্য, বিরামপ্রশান্তি,
অবিরোধ,নিরূদ্বেগ,ধীরতা, ধৈর্যশীলতা, অব্যাকুলতা,শান্ত করা,শান্ত হওয়া,
নীরব হওয়া, নীরব করা,
চোপ, চুপ!, চুপ করা।

আমি দেখেছি নিস্তব্ধতা------

অমাবশ্যার রাত্রে মেঘ মুক্ত আকাশে,
একলা জ্বলতে তারাদের টিপ টিপ করে,
গ্রহ গুলি শান্ত ধীর স্থির উজ্জ্বল আকাশে।
দেখেছি নিস্তব্ধতা গভীর জঙ্গলে,
জন মানব হীন শ্বসানে পোড়া কাঠ গুলি
ছড়িয়ে ছিটিয়ে রক্ত মাখা কাপড়,
যেন নিস্তব্ধতারে ডাকছে হাত ছানি দিয়ে,
গভীর অন্ধকারে একলা শ্বসানে।
নিস্তব্ধতা দেখেছি মৃত বৃদ্ধার বুকে
পাজর গুনে গুনে--
একলা ঘরে জঙ্গলে রয়েছে মরে পরে।
আসে পাশে কেউ নাই দাহ করবার তরে।
একলাই তুলে নিয়েছিলাম লাশ কাঁধে,
জঙ্গলে চলার পথে নিস্তব্ধতা ভেঙে ।
জতো হাটি লাশের হাত দুটি বার বার
পিঠে টোকা মারে,
মনে হয় কারা জেনে ডাকে পেছন থেকে।
নিস্তব্ধতা ছিল গভীর অন্ধকারে শ্বসানে।
=================
হাসি
বলাহয় হাসি একপ্রকার মুখমণ্ডলীয় বহিঃপ্রকাশ,
মুখমণ্ডল ছাড়াও চোখের মধ্যেও হাসির বহিঃপ্রকাশ ফুটে উঠতে পারে।
সুখ প্রকাশকেই হাসির সবচেয়ে বহুল ব্যবহার হিসেবে স্বীকৃত ও বিবেচনা করা হয়।

হাসির ছবি দেখেছি
লিওনার্দো দা ভিঞ্চির অঙ্কিত চিত্র,
মোনা লিসার মুচকি হাসি।
শিশুদের হাসি হৃদয় স্পর্শ করে।
সুন্দর মেয়ের প্রাণ খোলা হাসি
মনে আনন্দ প্রদান করে।
অনাথ শিশুদের অসহায় চোখের হাসি,
চোখে জল ভরে।
যুবতীর বাঁকা হাসি শিহরন জাগায়।
প্রেম পূর্তির চরম মুহূর্তের সুন্দর হাসি
আলিঙ্গনের চরম মুহূর্তে তৃপ্তির হাসি
যৌন মিলনের পরম তৃপ্তি তে সুখের হাসি
কাম উন্মাদনার ইচ্ছা প্রকাশের হাসি।
দুস্টু নারীর বাঁকা হাসি।
ওই অসহায় শিশু গুলি খাবার পেয়ে
ওদের চোখে তৃপ্তির হাসি, যা দেখে প্রাণ
জুড়িয়ে যায়।
সুখ প্রকাশ ও তৃপ্তি প্রকাশের হাসি
সকলের চেনা।
অনুভব করছিলাম হাসির সুখ
অঞ্জনা যেদিন প্রথম তার ঠোট দিয়ে
করেছিল আমার ঠোট স্পর্শ।
যেদিন সে হেসে ছিল উলঙ্গ হয়ে আমারে
জড়িয়ে ধরে।
যেদিন সে হেসে ছিল মিলনের চরম প্রাপ্তির
পরে।
সেদিন তুমি কি হাসি হেসেছিলে,
আমার সবটুকু নিংড়ে নিয়েছিলে।
আজো মনে পড়ে সেই হাসির রেশ
ওই হাসিতেই হয়েছে আমার সর্বনাশ।

সেদিন তোমার অমন হাসির ইশারা,
আমি অসহায় হয়েছিলাম দিশা হারা।
যে হাসি অন্তরে জ্বালালো আগুন,
সেই হাসির কটাক্ষ আজ হয়েছে দ্বিগুন।

বারে বারে শিহরন ও তৃপ্ততার হাসি,
সেদিন ছিল নিদারুণ কোমল হাসি।
একটু হাসির ছোঁয়ায় হৃদয় হয়েছিল চূর্ণ,
সেই হাসিতেই হৃদয় হয়েছিল পরি পূর্ন।

হাসির অমোঘ শক্তি জানে অন্তরজামি,
হাসির নির্মলতায় দুরেজায় হানা হানি।
হাসি আছে তাই জীবন আনন্দে ভরে,
হাসি বিহনে জীবন সদাই দুঃখে ভরে।

হাসি দেখেছিলাম ওই মাদার টেরেজার
হোমে শিশু গুলির চোখে মুখে।
হাসি দেখেছিলাম ওদের পথের ধারে,
যারা বেঁচে আছে শুধুই জীবনের তরে।


      <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc-28/08/2018--】
     【=সন্ধ্যা:06:18:22=】
     【=কোলকাতা -59=】
===========================

Comments

Popular posts from this blog

300>||-সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ--||--

318>||-তন্ত্রসাধনা::---||

325>মিমির ছেলের জন্য। ( 12/06/2018.)