350>|| -মেঘলা দিনে-||=+1
350>||-মেঘলা দিনে-||
<--©➽-আদ্যনাথ---->
এমন মেঘলা দিনে
বৃষ্টি ভেজা সকাল
মনেপড়ে সেই আমাদের
ছোট বেলার বৃষ্টি মাথায়
স্কুলে যাবার তাড়া।
পথের মাঝে রাস্তার বাঁকে
খালেরধারে কোই মাছ ধরা।
বইখাতা ভিজে সারা
ঘরে ফিরে উনুনের ধারে।
বাবার সেই ছাতার লাঠি
মায়ের হাতে কান মলাটি।
সেদিনের বৃষ্টির সকাল
খিচুরি আর ডিম ভাজা।
হাঁস গুলোর ভীষণ মজা,
উঠনেই পাচ্ছে কতো পোকা।
ছাগল গুলি কুক্রেবসে
কাপছে বসে শীতের পরশে।
গরু বাছুর কেউ যাবেনা মাঠে
মা ঠাকুরমার নাইজেছুটি।
ভিজে ভিজে ই সেই গোবর ছড়া,
পুকুরঘাটে স্নান করা।
এক ডুবেতেই কাপুনি ধরা,
মা বলবেন ওরে তিন ডুব দেরে তোরা।
ঘরে ফিরে লেপ মুড়িদিয়ে অঙ্কো করা।
দাদু আছেন লাঠি নিয়ে,
ঝিমুনি এলেই দেয় কষিয়ে।
দিদিমা বলেন আরে আরে মারছ কেন
এই ঠান্ডায় একটু ঘুমাক না কেন।
দিদিমার পানের ডাবর,
এই ডাবরের রাখো কি খবর।
দিনে এক কাজ রাতে অন্য,
সেসব না হয় বললাম এখন।
ঠাকুর দাদার হুকো সাজতে হবে।
টিকিয়া আর তামাক দিয়ে।
গর গড়িয়ে দিলাম টান,
ধোয়া গুলো বাঁধালো কাশি,
দাদু এসে দিল কানটি মুলে।
দাদা দিদি পড়তে বসে,
এসব দেখে বেজায় খুশি।
ভোলা এলো বাজার নিয়ে।
বাবা বলেন এইনেও আজ
খিচুরি আর ইলিশ হবে।
সকলের সে কি আনন্দ ধরে,
দিদির দেখো মুখটি ভার,
কারন ওতো খায়না ইলিশ আবার।
ওর জন্য ডিম বরাদ্য।
বেড়াল গুলো পেয়েছে ইলিশের গন্ধ,
মিউ মিউ করে লেজ টি নেরে
মা বিদার পায়ে পায়ে ঘোরে।
আর ওই আমার ধরা কইমাছ,
স্কুল হলো পণ্ড যে মাছ ধরতে,
জিয়িয়ে রাখা হল মাটির হাড়িতে।
গ্রাম বাংলা বড়োই খুশি,
পেয়ে এমন শীত ও বৃষ্টি।
বৃষ্টির সেই মাটির সেঁধ গন্ধে
মন মেতে যায় সকাল সন্ধে।
<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
【--anrc-18/12/2018--】
【=সকাল:07:40:10am=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
531>||-মেঘলা দিনে-||
<---©-আদ্যনাথ--->
এমন মেঘলা দিনে বসে একলা,
বৃষ্টি ভেজা সকাল বেলা।
মনেপড়ে সেই ছোট বেলার
বৃষ্টি মাথায় স্কুলে যাবার তাড়া।
পথের মাঝে রাস্তার বাঁকে,
খালের ধারে কোই মাছ ধরা।
বইখাতা ভিজে সারা বৃষ্টির জলে,
বাবার লাঠি মনে পরে।
বই গুলি শুকাবার ছলে,
একটু আগুন পোহাবার তারা।
ঘরে ফিরে উনুনের ধারে বসে,
মাছ ধরার গল্প দিদার সাথে।
তারপরে বাবার সেই ছাতার লাঠি,
মায়ের হাতে কান মলাটি।
সেদিনের বৃষ্টির মজা,
খিচুরি আর ডিম ভাজা।
হাঁস গুলোর ভীষণ মজা,
উঠনেই পাচ্ছে কতো পোকা।
ছাগল গুলি কুক্রেবসে
কাপছে বসে শীতের পরশে।
গরু বাছুর কেউ যাবেনা মাঠে
মা, ঠাকুরমার নাইজে ছুটি।
বৃষ্টি ভিজেই সেই গোবর ছড়া,
পুকুরঘাটে স্নান করা।
এক ডুবেতেই কাপুনি ধরা,
মা বলবেন ওরে তিন ডুব দেরে তোরা।
ঘরে ফিরে লেপ মুড়িদিয়ে অঙ্কো কষা,
দাদু আছেন লাঠি নিয়ে,
ঝিমুনি এলেই দেয় কষিয়ে।
দিদিমা বলেন আরে আরে মারছ কেন,
এই ঠান্ডায় একটু ঘুমাক না কেন।
দিদিমার পানের ডাবর,
এই ডাবরের রাখো কি খবর।
দিনে এক কাজ রাতে অন্য,
সেই ব্যাপারটা একটু অন্য।
ব্যাপারটা যদিও গোপন,
বলবো নাহয় অন্য কখন।
ঠাকুর দাদার হুকো সাজতে হবে।
টিকিয়া আর তামাক দিয়ে।
গর গড়িয়ে দিলাম টান কশী,
তামাকের গুনে শুরু কাশি।
দাদু এসে দিল কানটি মুলে,
দাদা দিদি পড়তে বসে,
এসব দেখে বেজায় খুশি।
ভোলা এলো বাজার নিয়ে।
বাবা বলেন রাখ এইখানে,
আজ খিচুরি আর ইলিশ হবে।
সকলের আনন্দ কি আর ধরে।
দিদি শুনে মুখ ভেংচে করে বেজার,
কারন ওতো খায়না ইলিশ আবার।
ওর জন্য ডিমের ঝোল বরাদ্য,
ডিম ছাড়া খাবেনা অন্য খাদ্য।
বেড়াল গুলো পেয়েছে ইলিশের গন্ধ,
ছাড়ছেনা মা, দিদার সঙ্গ।
মিউ মিউ করে লেজ টি নেরে,
মা বিদার পায়ে পায়ে ঘোরে।
আর ওই আমার ধরা কইমাছ গুলো
যে মাছ ধরতে গিয়ে স্কুল পণ্ড হলো।
জিয়িয়ে রাখা হল মাটির হাড়িতে,
ও কটায় হবেনা তাই রাখলো জিওতে।
গ্রাম বাংলা বড়োই খুশি,
পেয়ে এমন শীত ও বৃষ্টি।
বৃষ্টির সেই মাটির সেঁধ গন্ধে,
মন মেতে যায় সকাল সন্ধে।
গ্রাম বাংলার রোদ,বৃষ্টি,ঝড়,জল,
বারোমাস চাষী ফলায় সবজি,ফসল।
আমাদের আনন্দ জল আর রোদে,
ফুটবল খেলা রোজ মাঠে মাঠে।
ধান কাটার পরেই মাঠে খেলা,
ধান বুইলে রাস্থা আর পুকুরে খেলা।
সেদিন গ্রাম বাংলায় ছিলো আনন্দমেলা,
আজ শহরে বসে স্বপ্ন দেখার পালা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-18/12/2018--】
【=বিকেল:07:27:10pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
<---©-আদ্যনাথ--->
এমন মেঘলা দিনে বসে একলা,
বৃষ্টি ভেজা সকাল বেলা।
মনেপড়ে সেই ছোট বেলার
বৃষ্টি মাথায় স্কুলে যাবার তাড়া।
পথের মাঝে রাস্তার বাঁকে,
খালের ধারে কোই মাছ ধরা।
বইখাতা ভিজে সারা বৃষ্টির জলে,
বাবার লাঠি মনে পরে।
বই গুলি শুকাবার ছলে,
একটু আগুন পোহাবার তারা।
ঘরে ফিরে উনুনের ধারে বসে,
মাছ ধরার গল্প দিদার সাথে।
তারপরে বাবার সেই ছাতার লাঠি,
মায়ের হাতে কান মলাটি।
সেদিনের বৃষ্টির মজা,
খিচুরি আর ডিম ভাজা।
হাঁস গুলোর ভীষণ মজা,
উঠনেই পাচ্ছে কতো পোকা।
ছাগল গুলি কুক্রেবসে
কাপছে বসে শীতের পরশে।
গরু বাছুর কেউ যাবেনা মাঠে
মা, ঠাকুরমার নাইজে ছুটি।
বৃষ্টি ভিজেই সেই গোবর ছড়া,
পুকুরঘাটে স্নান করা।
এক ডুবেতেই কাপুনি ধরা,
মা বলবেন ওরে তিন ডুব দেরে তোরা।
ঘরে ফিরে লেপ মুড়িদিয়ে অঙ্কো কষা,
দাদু আছেন লাঠি নিয়ে,
ঝিমুনি এলেই দেয় কষিয়ে।
দিদিমা বলেন আরে আরে মারছ কেন,
এই ঠান্ডায় একটু ঘুমাক না কেন।
দিদিমার পানের ডাবর,
এই ডাবরের রাখো কি খবর।
দিনে এক কাজ রাতে অন্য,
সেই ব্যাপারটা একটু অন্য।
ব্যাপারটা যদিও গোপন,
বলবো নাহয় অন্য কখন।
ঠাকুর দাদার হুকো সাজতে হবে।
টিকিয়া আর তামাক দিয়ে।
গর গড়িয়ে দিলাম টান কশী,
তামাকের গুনে শুরু কাশি।
দাদু এসে দিল কানটি মুলে,
দাদা দিদি পড়তে বসে,
এসব দেখে বেজায় খুশি।
ভোলা এলো বাজার নিয়ে।
বাবা বলেন রাখ এইখানে,
আজ খিচুরি আর ইলিশ হবে।
সকলের আনন্দ কি আর ধরে।
দিদি শুনে মুখ ভেংচে করে বেজার,
কারন ওতো খায়না ইলিশ আবার।
ওর জন্য ডিমের ঝোল বরাদ্য,
ডিম ছাড়া খাবেনা অন্য খাদ্য।
বেড়াল গুলো পেয়েছে ইলিশের গন্ধ,
ছাড়ছেনা মা, দিদার সঙ্গ।
মিউ মিউ করে লেজ টি নেরে,
মা বিদার পায়ে পায়ে ঘোরে।
আর ওই আমার ধরা কইমাছ গুলো
যে মাছ ধরতে গিয়ে স্কুল পণ্ড হলো।
জিয়িয়ে রাখা হল মাটির হাড়িতে,
ও কটায় হবেনা তাই রাখলো জিওতে।
গ্রাম বাংলা বড়োই খুশি,
পেয়ে এমন শীত ও বৃষ্টি।
বৃষ্টির সেই মাটির সেঁধ গন্ধে,
মন মেতে যায় সকাল সন্ধে।
গ্রাম বাংলার রোদ,বৃষ্টি,ঝড়,জল,
বারোমাস চাষী ফলায় সবজি,ফসল।
আমাদের আনন্দ জল আর রোদে,
ফুটবল খেলা রোজ মাঠে মাঠে।
ধান কাটার পরেই মাঠে খেলা,
ধান বুইলে রাস্থা আর পুকুরে খেলা।
সেদিন গ্রাম বাংলায় ছিলো আনন্দমেলা,
আজ শহরে বসে স্বপ্ন দেখার পালা।
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc-18/12/2018--】
【=বিকেল:07:27:10pm=】 【=তেঘড়িয়া=কোলকাতা -59=】
=========================
Comments
Post a Comment