325>মিমির ছেলের জন্য। ( 12/06/2018.)
- Get link
- X
- Other Apps
325>মিমির ছেলের জন্য। ( 12/06/2018.)
স্নেহের মিমি,
তোমার ছেলের জন্যই লিখকম।
আজকাল কার ছেলেরা পৈতা নিতে চায় না।
তাদের এহেন অনীহার কারণ যদিও অনেক,
সে আলোচনায় গেলে অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে,
এই সল্প পরিসরে এতো আলোচনা সম্ভব নয়।
তথাপি পৈতা সম্বন্ধে একটু ধারণা থাকা বিশেষ প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
পৈতা ধারণ করবার আগে জানতে হয়--
"উপনয়ন একটি হিন্দু শাস্ত্রাণু ষ্ঠান। এই অণুষ্ঠানের মাধ্যমে হিন্দু বালকেরা ব্রাহ্মণ্যসংস্কারে দীক্ষিত হয়। হিন্দু ঐতিহ্য অণুসারে, উপনয়ন হিন্দু বালকদের শিক্ষারম্ভকালীন একটি অণুষ্ঠান।
হিন্দুধর্মে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রি য় ও বৈশ্য বর্ণের জন্য উপনয়নের ন্যূনতম বয়স যথাক্রমে সাত, তেরো ও সতেরো বছর। উপনয়নকালে বালকদের ব্রহ্মোপদেশ শিক্ষা দেওয়া হয়। মনুস্মৃতিঅণুযায়ী,
এরপর তারা ব্রহ্মচারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। বাঙালি হিন্দু সমাজে অবশ্য কেবলমাত্র ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রেই উপনয়ন সংস্কার প্রচলিত।
উপনয়ন অণুষ্ঠানে শরীরে যজ্ঞোপবীত বা উপবীত (চলিত বাংলায় পৈতে) ধারণ করা হয়।
উপবীত প্রকৃতপক্ষে তিনটি পবিত্র সূতো যা দেবী সরস্বতী, গায়ত্রী ও সাবিত্রীর প্রতীক। উপবীত ধারণের সময় উপবীতধারী গায়ত্রী মন্ত্র শিক্ষা করে। উপনয়নের পর ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যদের দ্বিজ বলা হয়। দ্বিজ শব্দের অর্থ দুইবার জাত। হিন্দু বিশ্বাস অণুযায়ী, প্রথমবার ব্যক্তির জন্ম হয় মাতৃগর্ভ থেকে; এবং দ্বিতীয়বার জন্ম হয় উপবীত ধারণ করে।"
দেবনাগরী হরফে গায়ত্রী মন্ত্র----
ॐ भूर्भुवः स्वः ।
तत्स॑वितुर्वरे॑ण्यं ।
भर्गो॑ देवस्य॑ धीमहि। ।
धियो यो नः॑ प्रचोदया॑त्॥ ।
বাংলায় গায়ত্রী মন্ত্র----প্রতিলিপিকরণ---
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ
তৎ সবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গো দেবস্য ধীমহি
ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ।।
এবার বলি পৈতা কি?
পৈতা কেনো ধানন করতে হয়?
যজ্ঞোপবীত বা পৈতার অপরনাম
প্রতিজ্ঞাসূত্র বা ব্রতসূত্র।
সাধারণ ভাবে আমাদের
আটবছর বয়স থেকে বার বছর বয়সের ভেতর পৈতে ধারণ করবার নিয়ম।
পৈতা তিনটি আলাদা সূত্রকে গিট দিয়ে বেঁধে তৈরী।
এই গিট বা বন্ধনকে ব্রহ্মগ্রন্থি বা ঈশ্বর কর্তৃক
প্রদত্ত গ্রন্থি বলা হয়।এই তিনটি সূত্র ঈশ্বর
কর্তৃক নির্দেশিত প্রতিটি মানুষের
তিনটি ব্রত বা ঋন বা দায়িত্বের
প্রতীক রূপে আম্মান লাভ করে।
কি সেই তিনটি ঋন
যা প্রত্যেকটি মানুষকে শোধ করতে হয়?
এই তিনসূত্র পরিধান করতে হয়
জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য জানতে।
যে ব্যক্তি যজ্ঞোপবীত ধারন করেন তিনি গুরুর কাছ থেকে জানতে পারেন যে তিনটি ঋন তার শোধ করতে হবে-
1>দেব,2>পিতৃ,3>ঋষি।
1> দেবঋণ- ঈশ্বরকর্তৃক প্রদত্ত
আমাদের বেঁচে থাকার অপরিহার্য এইপৃথিবী,
পরিবেশ ও প্রানীকুলের প্রতি দায়িত্ব।
পৃথিবী কে সুন্দর করে গড়ে তোলা,
পরিবেশ শুদ্ধ করা ও জীবে সেবা করা একেই বলে দেব ঋণ।
২) পিতৃঋণ-পিতামাতার প্রতি ঋন।
আমাদের জীবনে শ্রেষ্ঠ জীবন্ত দেবতা হলেন আমাদে পিতা মাতা।
এই পিতা মাতার কল্যাণেই আমরা এই পৃথিবীর রূপ, রস, সৌন্দর্য, উপভোগ করতে সক্ষম হয়েছি।
নিঃস্বার্থ ভাবে এই দুই জীবন্ত দেবতা
আমাদের মানুষ করেন তাঁদের হৃদয় দিয়ে ভালো বাসা,স্নেহ দিয়ে অতি আদর জত্নে। তাই আমাদের কর্তব্য তাঁদের যথাসাধ্য সেবাযত্ন করা।
৩) ঋষিঋণ-প্রাচীন বৈদিক ঋষিগন
থেকে শুরু করে নিজের গুরু- শিক্ষক,এরাই
আমাদের প্রকৃত মানুষ করে গড়ে তোলেন।
এদের সেবা,অনুসরন করাই ঋষিঋণ।
পৈতেতে মত পাঁচ টি গিট দেওয়া হয়।
একারনেই পিতাকে
পঞ্চগিট-যজ্ঞোপবীত বলা হয়।
এই পাঁচটি গিট মনে পাঁচটি বাঁধা।
উপরোক্ত ঋনসমূহ পরিশোধে
পাঁচটি বাঁধার কথাকে স্মরন
করিয়ে দেয় সেগুলি
কাম,ক্রোধ,লোভ,হিংসা,মোহ।
এই পাঁচ টি বাঁধাই জীবনের সব থেকে বড় বাঁধা।----
যজ্ঞোপবীত ধারণ করতে হয় বাঁম কাধ
থেকে ঝুলিয়ে ডান দিকের কোমর পর্যন্ত
থাকে ।
কারন এই পৈতা টি ঠিক হৃদপিন্ডের
উপর দিয়ে যায়।
কারন দায়িত্বগুলো আমাদের হৃদয় থেকে পালন করতে হবে।
ব্রহ্মচর্য পালন একটি বিশেষ কর্ম।
আগেকার দিনে ব্রহ্মচর্য পালন করা
বাধ্যতামূলক ছিল। ব্রহ্মচর্য শব্দটির দুইটি অংশ। ব্রহ্ম এবং চর্য।
ব্রহ্ম-- শব্দটির অর্থ হল স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা এবং
চর্য --শব্দটির অর্থ হল অনুসরনকরা।
অনেক সময় চর্য বলতে ধর্মীয় জীবন পদ্ধতিও বুঝায়। সুতরাং ব্রহ্মচর্য শব্দটি একটি ধর্মীয় বিধিসম্মত জীবনপদ্ধতি নির্দেশ করে।
ব্রহ্মচর্য কি?
এই অংশ টুকু যেমন সংগ্রহ করেছি------তেমনি তুলে দিলাম-------
"ব্রহ্মচর্য সনাতন ধর্ম অনুযায়ী জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময় কাল (মোটামুটি ১৪ বছর বয়শ থেকে ২০ বছর বয়শ পর্যন্ত) বুঝায় যখন কোন ছাত্র বা ছাত্রী বেদ এবং উপনিষদ এর বিধান অনুযায়ী ঐতিহ্যগত বিজ্ঞান, জ্যোতিশাস্ত্র এবং ধর্মীয় অনুশাসন সম্প্রর্কিত বিদ্যা লাভ করে। অন্যদিকে ব্রহ্মচর্য বলতে আধ্যাতিক উন্নতির জন্য ইচ্ছাকৃত কৌমার্য-ব্রত বুঝায় এবং এক্ষেত্রে ব্রহ্মচর্য অর্থ হল কায়-মন-বাক্যে সর্বদা পবিত্রতা রক্ষা করা। ব্রহ্মচর্য পালন অর্থ হল সম্পূর্ণ কাম-বাসনাশূণ্য জীবন যাপন করা যা আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য অপরিহার্য। পুরুষ ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে ব্রহ্মচারী এবং স্ত্রী ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে বলে ব্রহ্মচারিনী।
আদিযুগে আশ্রমের নিয়মানুযায়ী বলছি••••••
বৈদিক আশ্রম ব্যবস্থা অনুযায়ী ব্রহ্মচর্য জ়ীবনের ১ম ২০ বছর বা ২৫ বছর পর্যন্ত ব্রহ্মচর্যের অন্তর্গত। প্রাচীন হিন্দু সমাজ অনুযায়ী মানুষের জীবনকালকে ১০০ বছর কল্পনা করে ৪টি ভাগে ভাগ করা হত। এর মধ্যে প্রথম ভাগ হল ব্রহ্মচর্য। অন্য তিনটি হলো:- যথাক্রমে, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাস।
সনাতন ধর্ম অনুসারে ব্রহ্মচর্য ভাগে একটি শিশুকে ৫ বছর বয়শে গুরুর নিকট বৈদিক জ্ঞান অর্জনের জন্য পাঠানো হত। এর পর উপনয়ন অনুষ্ঠান এর মাধ্যমে উপবীত বা পৈতা ধারণ করে সে তার গুরুগৃহে বিদ্যারম্ভ করত। সঠিক বিদ্যার্জনের পর সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সে ২৫ বছর বয়শে গুরুগৃহ ত্যাগ করত। ব্রহ্মচর্য আশ্রমে একজন শিষ্যকে কঠোর ধর্মীয় অনুসরন করে চলতে হত। এই সময় সে তার গুরুর কাছ থেকে ধর্মীয় অনুশাসন, সদাচার, সঠিক জ়ীবন-পদ্ধতি, দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ, ধ্যান, যোগসাধনা মানবতাবোধ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করত। এছাড়া ব্রহ্মচর্য সনাতন ব্যতীত জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে প্রচলিত ছিলো এবং বর্তমানে তা বিদ্যমান এখনও। কিন্তু সনাতন ধর্মের মধ্যে এখন এই প্রথা নেই, এখন এই প্রথা ব্রাহ্মণ, আশ্রমের ব্রহ্মচারী ও হিন্দু ধর্মের হাতেগোনা দু'একটি জাতি ব্যবহার করে; যেমন:- বৈদ্য, নাথ, আর্য, গোস্বামী। এঁদের পৈতা ধারণকে যজ্ঞোপবীত বলা হয়।"
"ওঁ শান্তি শান্তি শান্ত"
... .. ...<--©--●অনাথ●--->.. .. .. .... ... ..
... .. ...【--anrc---11/06/2018--】... ... ..
... .. ......【--08:03:22===】.... ..... .... ...
...........【বেলঘড়িয়া, কলিকাতা..56 】..........
========≠====================
|-GOD IS GOOD--||
HE is good for ever and always,
HE is always ready to take care,
of all yours Needs,
HE touch your life.
with joy and Contentment,
HE is ready to bless your heart,
with Love and Faith.
HE Comfort your Soul,
with Gladness and inner Peace.
HE Grant you good health lasting Comfort,
And relief from the burdens of life.
So the day is a beautiful day to you.
Try to do something better today,
Don't wait for tomorrow.
Every today is the best time for you.
জানবে ঈশ্বর কোন ফটোতে বা পুটুলে অবস্থাসন করেন না।
ঈশ্বর এক ও অভিন্ন।
সর্ব জীবের অন্ত্রেই তিনি আছেন।
ঈশ্বর সদাই তোমার অন্তরে অবস্থান করছেন।
তুমি নিজেও সেই বিরাট শক্তির এক অংশ।
অর্থাৎ তুমি নিজেও ঈশ্বরের অংশ।
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবের অন্ত্রেই ঈশ্বরের অবস্থাসন।
তাই তুমিও সর্বশক্তমান।
অন্তত এইটুকু তো যান যে একটি মাত্র পরমাণু
বিভাজনে তৈরি হয় একটি এট্যাম বোমা।
অতএব একিট মাত্র পরমাণুর ক্ষমতা কি বিশাল।
এজন মানুষের শরীরে কত লক্ষ লক্ষসেল আছে অর্থাৎ কত লক্ষ লক্ষ অনু পরমাণু দিয়ে তৈরি একটি মানুষের শরীর।
আমরা মানুষ এমন বিশাল শক্তি ধর হয়েও নিজেকে নিজে চিনি না।
আমাদে অবস্থা ওই গাধার পিঠে চিনির বস্থ্যার মতন।
গাধা জানতেও পারেনা তার পিঠে কি আছে।
সে শুধু বোঝা বয়েই চলে।
আমরাও এতো কিছু জেনেও নিজেকেই জানিনা, জানতে চেষ্টাও করিনা।
এটাই আমাদের সব থেকে মূর্খ তামি।
তাইত স্বামী বিবেকানন্দ বার বার বলেছেন
" ওঠো জাগো এগিয়ে চল,
ততক্ষণ যতক্ষন না তুমি তোমার লক্ষে পৌঁছও।"
এ
And try to know yourself.
You ate the supreme power.
You can do each and everything.
Belive "Nothing is impossible,
Every thing is possible,
If the way of doing is correct"
But no the way of life always mind it
" If you lost Money, you have lost nothing.
If you lost Health you may lost some thing, which may recover by Medicine.
But if you once lost your Character,
That's mean you have lost every thing.
Which cannot be repair again in your hole life.
So do some thing, do for all------
काम करते चलिए, दुसरेके लिए,।
मनुष्य जीबन ही दुषरे के लिए ।
पशु जीते हैं आपनेके लजिये।
पशु के भाती मत जिये।
जिये तो मनुष्य के भाती जिये।
दूसरे के लिए जीना ही जीना।
है दोस्त एहि हैं मेरे निर्देश,
मेरा प्रार्थना,आपके लिए।
আজ এই পর্যন্তই থাক।
দেখা হলে কথা হতে পারে।
যদি তুমি চাও।
ইতি ---
আদিনাথ রায় চৌধুরী,
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--12/06/2018--】
【Tuesday 05:22:30 am=】
【 Belghoria, kolkata 700056】
============================
জীবনে যদি কখনো মনে কর যে
ভগবান তোমার জন্য কিছু করবে,
সেটাই হবে চরম বোকামি বা
চরম মূর্খতা।
ভগবান কারুর কিছুই করে দেন না,
ভগবান শুধু সহায়তা করেন।
যে ভাল কাজ করেন তার জন্য
আরো ভালো ভাবে কাজ করার
রাস্থা প্রশস্ত করে দেন।
আর যে খারাপ কাজ বা অন্যের
ক্ষতি করতে চায় তাকে বার বার
সাবধান করে ইঙ্গিতে,তার ভেতরের
শুভ চেতনার দ্বারা।
সেই ইঙ্গিত নামে বা তাকে উপেক্ষা
করা অন্যায় কার্য করলে তাকে আরো
গভীর অন্যারে মধ্যে ঠেলে দেন।
ঈশ্বর সর্বদাই দয়ার সাগর,
তিনি কখনো হন না নির্দয়।
তিনি অতি শান্ত চির নির্দায়,
কর্মকর্তা রই বর্তায় সকল দায়।
<--©--●অনাথ●--->12/06/2018
Tuesday- 01:21:11 Belghoria,
Kol-- 700055
===========================
স্নেহের মিমি,
তোমার ছেলের জন্যই লিখকম।
আজকাল কার ছেলেরা পৈতা নিতে চায় না।
তাদের এহেন অনীহার কারণ যদিও অনেক,
সে আলোচনায় গেলে অনেক দীর্ঘ হয়ে যাবে,
এই সল্প পরিসরে এতো আলোচনা সম্ভব নয়।
তথাপি পৈতা সম্বন্ধে একটু ধারণা থাকা বিশেষ প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
পৈতা ধারণ করবার আগে জানতে হয়--
"উপনয়ন একটি হিন্দু শাস্ত্রাণু
হিন্দুধর্মে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রি
এরপর তারা ব্রহ্মচারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে। বাঙালি হিন্দু সমাজে অবশ্য কেবলমাত্র ব্রাহ্মণদের ক্ষেত্রেই উপনয়ন সংস্কার প্রচলিত।
উপনয়ন অণুষ্ঠানে শরীরে যজ্ঞোপবীত বা উপবীত (চলিত বাংলায় পৈতে) ধারণ করা হয়।
উপবীত প্রকৃতপক্ষে তিনটি পবিত্র সূতো যা দেবী সরস্বতী, গায়ত্রী ও সাবিত্রীর প্রতীক। উপবীত ধারণের সময় উপবীতধারী গায়ত্রী মন্ত্র শিক্ষা করে। উপনয়নের পর ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যদের দ্বিজ বলা হয়। দ্বিজ শব্দের অর্থ দুইবার জাত। হিন্দু বিশ্বাস অণুযায়ী, প্রথমবার ব্যক্তির জন্ম হয় মাতৃগর্ভ থেকে; এবং দ্বিতীয়বার জন্ম হয় উপবীত ধারণ করে।"
দেবনাগরী হরফে গায়ত্রী মন্ত্র----
ॐ भूर्भुवः स्वः ।
तत्स॑वितुर्वरे॑ण्यं ।
भर्गो॑ देवस्य॑ धीमहि। ।
धियो यो नः॑ प्रचोदया॑त्॥ ।
বাংলায় গায়ত্রী মন্ত্র----প্রতিলিপিকরণ---
ওঁ ভূর্ভুবঃ স্বঃ
তৎ সবিতুর্বরেণ্যং
ভর্গো দেবস্য ধীমহি
ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ।।
এবার বলি পৈতা কি?
পৈতা কেনো ধানন করতে হয়?
যজ্ঞোপবীত বা পৈতার অপরনাম
প্রতিজ্ঞাসূত্র বা ব্রতসূত্র।
সাধারণ ভাবে আমাদের
আটবছর বয়স থেকে বার বছর বয়সের ভেতর পৈতে ধারণ করবার নিয়ম।
পৈতা তিনটি আলাদা সূত্রকে গিট দিয়ে বেঁধে তৈরী।
এই গিট বা বন্ধনকে ব্রহ্মগ্রন্থি বা ঈশ্বর কর্তৃক
প্রদত্ত গ্রন্থি বলা হয়।এই তিনটি সূত্র ঈশ্বর
কর্তৃক নির্দেশিত প্রতিটি মানুষের
তিনটি ব্রত বা ঋন বা দায়িত্বের
প্রতীক রূপে আম্মান লাভ করে।
কি সেই তিনটি ঋন
যা প্রত্যেকটি মানুষকে শোধ করতে হয়?
এই তিনসূত্র পরিধান করতে হয়
জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য জানতে।
যে ব্যক্তি যজ্ঞোপবীত ধারন করেন তিনি গুরুর কাছ থেকে জানতে পারেন যে তিনটি ঋন তার শোধ করতে হবে-
1>দেব,2>পিতৃ,3>ঋষি।
1> দেবঋণ- ঈশ্বরকর্তৃক প্রদত্ত
আমাদের বেঁচে থাকার অপরিহার্য এইপৃথিবী,
পরিবেশ ও প্রানীকুলের প্রতি দায়িত্ব।
পৃথিবী কে সুন্দর করে গড়ে তোলা,
পরিবেশ শুদ্ধ করা ও জীবে সেবা করা একেই বলে দেব ঋণ।
২) পিতৃঋণ-পিতামাতার প্রতি ঋন।
আমাদের জীবনে শ্রেষ্ঠ জীবন্ত দেবতা হলেন আমাদে পিতা মাতা।
এই পিতা মাতার কল্যাণেই আমরা এই পৃথিবীর রূপ, রস, সৌন্দর্য, উপভোগ করতে সক্ষম হয়েছি।
নিঃস্বার্থ ভাবে এই দুই জীবন্ত দেবতা
আমাদের মানুষ করেন তাঁদের হৃদয় দিয়ে ভালো বাসা,স্নেহ দিয়ে অতি আদর জত্নে। তাই আমাদের কর্তব্য তাঁদের যথাসাধ্য সেবাযত্ন করা।
৩) ঋষিঋণ-প্রাচীন বৈদিক ঋষিগন
থেকে শুরু করে নিজের গুরু- শিক্ষক,এরাই
আমাদের প্রকৃত মানুষ করে গড়ে তোলেন।
এদের সেবা,অনুসরন করাই ঋষিঋণ।
পৈতেতে মত পাঁচ টি গিট দেওয়া হয়।
একারনেই পিতাকে
পঞ্চগিট-যজ্ঞোপবীত বলা হয়।
এই পাঁচটি গিট মনে পাঁচটি বাঁধা।
উপরোক্ত ঋনসমূহ পরিশোধে
পাঁচটি বাঁধার কথাকে স্মরন
করিয়ে দেয় সেগুলি
কাম,ক্রোধ,লোভ,হিংসা,মোহ।
এই পাঁচ টি বাঁধাই জীবনের সব থেকে বড় বাঁধা।----
যজ্ঞোপবীত ধারণ করতে হয় বাঁম কাধ
থেকে ঝুলিয়ে ডান দিকের কোমর পর্যন্ত
থাকে ।
কারন এই পৈতা টি ঠিক হৃদপিন্ডের
উপর দিয়ে যায়।
কারন দায়িত্বগুলো আমাদের হৃদয় থেকে পালন করতে হবে।
ব্রহ্মচর্য পালন একটি বিশেষ কর্ম।
আগেকার দিনে ব্রহ্মচর্য পালন করা
বাধ্যতামূলক ছিল। ব্রহ্মচর্য শব্দটির দুইটি অংশ। ব্রহ্ম এবং চর্য।
ব্রহ্ম-- শব্দটির অর্থ হল স্রষ্টা বা সৃষ্টিকর্তা এবং
চর্য --শব্দটির অর্থ হল অনুসরনকরা।
অনেক সময় চর্য বলতে ধর্মীয় জীবন পদ্ধতিও বুঝায়। সুতরাং ব্রহ্মচর্য শব্দটি একটি ধর্মীয় বিধিসম্মত জীবনপদ্ধতি নির্দেশ করে।
ব্রহ্মচর্য কি?
এই অংশ টুকু যেমন সংগ্রহ করেছি------তেমনি তুলে দিলাম-------
"ব্রহ্মচর্য সনাতন ধর্ম অনুযায়ী জীবনের একটি নির্দিষ্ট সময় কাল (মোটামুটি ১৪ বছর বয়শ থেকে ২০ বছর বয়শ পর্যন্ত) বুঝায় যখন কোন ছাত্র বা ছাত্রী বেদ এবং উপনিষদ এর বিধান অনুযায়ী ঐতিহ্যগত বিজ্ঞান, জ্যোতিশাস্ত্র এবং ধর্মীয় অনুশাসন সম্প্রর্কিত বিদ্যা লাভ করে। অন্যদিকে ব্রহ্মচর্য বলতে আধ্যাতিক উন্নতির জন্য ইচ্ছাকৃত কৌমার্য-ব্রত বুঝায় এবং এক্ষেত্রে ব্রহ্মচর্য অর্থ হল কায়-মন-বাক্যে সর্বদা পবিত্রতা রক্ষা করা। ব্রহ্মচর্য পালন অর্থ হল সম্পূর্ণ কাম-বাসনাশূণ্য জীবন যাপন করা যা আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য অপরিহার্য। পুরুষ ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে ব্রহ্মচারী এবং স্ত্রী ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে বলে ব্রহ্মচারিনী।
আদিযুগে আশ্রমের নিয়মানুযায়ী বলছি••••••
বৈদিক আশ্রম ব্যবস্থা অনুযায়ী ব্রহ্মচর্য জ়ীবনের ১ম ২০ বছর বা ২৫ বছর পর্যন্ত ব্রহ্মচর্যের অন্তর্গত। প্রাচীন হিন্দু সমাজ অনুযায়ী মানুষের জীবনকালকে ১০০ বছর কল্পনা করে ৪টি ভাগে ভাগ করা হত। এর মধ্যে প্রথম ভাগ হল ব্রহ্মচর্য। অন্য তিনটি হলো:- যথাক্রমে, গার্হস্থ্য, বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাস।
সনাতন ধর্ম অনুসারে ব্রহ্মচর্য ভাগে একটি শিশুকে ৫ বছর বয়শে গুরুর নিকট বৈদিক জ্ঞান অর্জনের জন্য পাঠানো হত। এর পর উপনয়ন অনুষ্ঠান এর মাধ্যমে উপবীত বা পৈতা ধারণ করে সে তার গুরুগৃহে বিদ্যারম্ভ করত। সঠিক বিদ্যার্জনের পর সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সে ২৫ বছর বয়শে গুরুগৃহ ত্যাগ করত। ব্রহ্মচর্য আশ্রমে একজন শিষ্যকে কঠোর ধর্মীয় অনুসরন করে চলতে হত। এই সময় সে তার গুরুর কাছ থেকে ধর্মীয় অনুশাসন, সদাচার, সঠিক জ়ীবন-পদ্ধতি, দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ, ধ্যান, যোগসাধনা মানবতাবোধ ইত্যাদি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করত। এছাড়া ব্রহ্মচর্য সনাতন ব্যতীত জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে প্রচলিত ছিলো এবং বর্তমানে তা বিদ্যমান এখনও। কিন্তু সনাতন ধর্মের মধ্যে এখন এই প্রথা নেই, এখন এই প্রথা ব্রাহ্মণ, আশ্রমের ব্রহ্মচারী ও হিন্দু ধর্মের হাতেগোনা দু'একটি জাতি ব্যবহার করে; যেমন:- বৈদ্য, নাথ, আর্য, গোস্বামী। এঁদের পৈতা ধারণকে যজ্ঞোপবীত বলা হয়।"
"ওঁ শান্তি শান্তি শান্ত"
... .. ...<--©--●অনাথ●--->.. .. .. .... ... ..
... .. ...【--anrc---11/06/2018--】...
... .. ......【--08:03:22===】.... ..... .... ...
...........【বেলঘড়িয়া, কলিকাতা..56 】..........
========≠====================
|-GOD IS GOOD--||
HE is good for ever and always,
HE is always ready to take care,
of all yours Needs,
HE touch your life.
with joy and Contentment,
HE is ready to bless your heart,
with Love and Faith.
HE Comfort your Soul,
with Gladness and inner Peace.
HE Grant you good health lasting Comfort,
And relief from the burdens of life.
So the day is a beautiful day to you.
Try to do something better today,
Don't wait for tomorrow.
Every today is the best time for you.
জানবে ঈশ্বর কোন ফটোতে বা পুটুলে অবস্থাসন করেন না।
ঈশ্বর এক ও অভিন্ন।
সর্ব জীবের অন্ত্রেই তিনি আছেন।
ঈশ্বর সদাই তোমার অন্তরে অবস্থান করছেন।
তুমি নিজেও সেই বিরাট শক্তির এক অংশ।
অর্থাৎ তুমি নিজেও ঈশ্বরের অংশ।
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সকল জীবের অন্ত্রেই ঈশ্বরের অবস্থাসন।
তাই তুমিও সর্বশক্তমান।
অন্তত এইটুকু তো যান যে একটি মাত্র পরমাণু
বিভাজনে তৈরি হয় একটি এট্যাম বোমা।
অতএব একিট মাত্র পরমাণুর ক্ষমতা কি বিশাল।
এজন মানুষের শরীরে কত লক্ষ লক্ষসেল আছে অর্থাৎ কত লক্ষ লক্ষ অনু পরমাণু দিয়ে তৈরি একটি মানুষের শরীর।
আমরা মানুষ এমন বিশাল শক্তি ধর হয়েও নিজেকে নিজে চিনি না।
আমাদে অবস্থা ওই গাধার পিঠে চিনির বস্থ্যার মতন।
গাধা জানতেও পারেনা তার পিঠে কি আছে।
সে শুধু বোঝা বয়েই চলে।
আমরাও এতো কিছু জেনেও নিজেকেই জানিনা, জানতে চেষ্টাও করিনা।
এটাই আমাদের সব থেকে মূর্খ তামি।
তাইত স্বামী বিবেকানন্দ বার বার বলেছেন
" ওঠো জাগো এগিয়ে চল,
ততক্ষণ যতক্ষন না তুমি তোমার লক্ষে পৌঁছও।"
এ
And try to know yourself.
You ate the supreme power.
You can do each and everything.
Belive "Nothing is impossible,
Every thing is possible,
If the way of doing is correct"
But no the way of life always mind it
" If you lost Money, you have lost nothing.
If you lost Health you may lost some thing, which may recover by Medicine.
But if you once lost your Character,
That's mean you have lost every thing.
Which cannot be repair again in your hole life.
So do some thing, do for all------
काम करते चलिए, दुसरेके लिए,।
मनुष्य जीबन ही दुषरे के लिए ।
पशु जीते हैं आपनेके लजिये।
पशु के भाती मत जिये।
जिये तो मनुष्य के भाती जिये।
दूसरे के लिए जीना ही जीना।
है दोस्त एहि हैं मेरे निर्देश,
मेरा प्रार्थना,आपके लिए।
আজ এই পর্যন্তই থাক।
দেখা হলে কথা হতে পারে।
যদি তুমি চাও।
ইতি ---
আদিনাথ রায় চৌধুরী,
<--©--●অনাথ●--->
【--anrc--12/06/2018--】
【Tuesday 05:22:30 am=】
【 Belghoria, kolkata 700056】
============================
জীবনে যদি কখনো মনে কর যে
ভগবান তোমার জন্য কিছু করবে,
সেটাই হবে চরম বোকামি বা
চরম মূর্খতা।
ভগবান কারুর কিছুই করে দেন না,
ভগবান শুধু সহায়তা করেন।
যে ভাল কাজ করেন তার জন্য
আরো ভালো ভাবে কাজ করার
রাস্থা প্রশস্ত করে দেন।
আর যে খারাপ কাজ বা অন্যের
ক্ষতি করতে চায় তাকে বার বার
সাবধান করে ইঙ্গিতে,তার ভেতরের
শুভ চেতনার দ্বারা।
সেই ইঙ্গিত নামে বা তাকে উপেক্ষা
করা অন্যায় কার্য করলে তাকে আরো
গভীর অন্যারে মধ্যে ঠেলে দেন।
ঈশ্বর সর্বদাই দয়ার সাগর,
তিনি কখনো হন না নির্দয়।
তিনি অতি শান্ত চির নির্দায়,
কর্মকর্তা রই বর্তায় সকল দায়।
<--©--●অনাথ●--->12/06/2018
Tuesday- 01:21:11 Belghoria,
Kol-- 700055
===========================
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment