311>||--জীবন শৈলী----||-
311>||--জীবন শৈলী----||
প্রকৃতির রহস্য আর সৃষ্টির খেলা
বোঝা কঠিন বড় এসকল লিলা।
হয়তো একেই বলে টেলিপ্যাথি রহস্য,
সৃষ্টির এক অপূর্ব লীলা প্রকৃতির রহস্য।
সেদিন নিতান্ত অর্থের চাহিদা পুরাইতে,
বাধ্য হয়ে থাকা ঘর ছেড়ে বহু দূরেতে।
স্ত্রী ও দুটি সন্তানকে রেখে ঘরে,
একান্ত চাকুরীর অজুহাতে।
সেদিন ছিলনা এত ফোনের সুযোগ,
কিন্তু দুটি হৃদয়ে ছিল অদৃশ্য সংযোগ।
মনের বার্তা গুলি প্রকৃতি পৌঁছে দিত মনে,
দূর বা নিকটের ছিলনা সংশয়।
মনের ভাষা মন বুঝেনিত মনে,
অনেক না পাওয়ার ব্যাথা থাকত মনে।
ব্যাকুল উভয় মনের ভাব যথার্থ,
দূরে থেকেও সুপ্ত চেতনা হতো ব্যক্ত।
কিন্তু কাজের ফাঁকে ফিরলে বাড়িতে,
সব কাজ স্ত্রী করে রাখত সহজেতে।
কাজ গুলি হত ঠিক মনের মতো,
ত্রুটি হীন সেই কাজ মন মাতিয়ে দিত।
সুন্দর জাল বুনতো উভয়ের চিন্তা গুলি,
কি সুন্দর ছিল সেদিনের সেই দিন গুলি।
কিন্তু আজ নিতান্ত অবসর জীবন,
কোনভাবে কাটিয়ে দিতে জীবন।
চাওয়া পাওয়ার কিছুই নাই বাকি,
নিজের মতন করে থাকায় নাই ফাকি।
চিন্তায় যদি আসে অতীতের কথা গুলি
কেমন যেন হৃদয় করে আকুলি ব্যকুলি।
তাইতো ভাবনা আছে বৈকি----
আজ তো থাকা কাছা কাছি দুজনা,
তথাপি বিক্ষিপ্ত উভয়ের চিন্তা ভাবনা।
শুনেছি পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ,
কিন্তু কেন্দ্র বিন্দুতে নাকি শূন্য আকর্ষণ।
এহেন শূন্য আকর্ষণে কাটাবে বাকি জীবন,
সময়ের সাথে বয়ে গেছে অনেকটা জীবন।
রূপ যৌবনে পূর্ন ছিল যে জীবন,
সময়ের মূল্য কেউ বোঝেনি তখন।
দুটি চিন্তার গভীর আকর্ষণ দুটি সন্তান,
তাঁরা আজ স্বাবলম্বী প্রবল ব্যস্ত জীবন।
তাদের ত্রুটি হীন কর্তব্যে শ্রদ্ধায় নত মস্ত,
তবুও অবসর জীবন কেন ভীত সন্ত্রস্ত।
অপসংস্কৃতির ঝোড়ো হওয়ার প্রভাব,
সবটাই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রভাব।
হাসি খুশি দিন গুলি গেছে অস্ত,
সমাজের সুস্থ সুন্দর জীবন আজ সন্ত্রস্ত।
বাড়ন্ত রোগ ব্যাধির জ্বালা দিন প্রতিদিন,
কিংকর্তব্যবিমূঢ় রুগ্ন অস্থির দুটি জীবন।
আজ চিন্তার বিষয় সমাজের অবক্ষয়,
অবসর জীবন যেন দিনগত পাপক্ষয়।
||----anrc------22/03/2018::----------||
||=========================||
প্রকৃতির রহস্য আর সৃষ্টির খেলা
বোঝা কঠিন বড় এসকল লিলা।
হয়তো একেই বলে টেলিপ্যাথি রহস্য,
সৃষ্টির এক অপূর্ব লীলা প্রকৃতির রহস্য।
সেদিন নিতান্ত অর্থের চাহিদা পুরাইতে,
বাধ্য হয়ে থাকা ঘর ছেড়ে বহু দূরেতে।
স্ত্রী ও দুটি সন্তানকে রেখে ঘরে,
একান্ত চাকুরীর অজুহাতে।
সেদিন ছিলনা এত ফোনের সুযোগ,
কিন্তু দুটি হৃদয়ে ছিল অদৃশ্য সংযোগ।
মনের বার্তা গুলি প্রকৃতি পৌঁছে দিত মনে,
দূর বা নিকটের ছিলনা সংশয়।
মনের ভাষা মন বুঝেনিত মনে,
অনেক না পাওয়ার ব্যাথা থাকত মনে।
ব্যাকুল উভয় মনের ভাব যথার্থ,
দূরে থেকেও সুপ্ত চেতনা হতো ব্যক্ত।
কিন্তু কাজের ফাঁকে ফিরলে বাড়িতে,
সব কাজ স্ত্রী করে রাখত সহজেতে।
কাজ গুলি হত ঠিক মনের মতো,
ত্রুটি হীন সেই কাজ মন মাতিয়ে দিত।
সুন্দর জাল বুনতো উভয়ের চিন্তা গুলি,
কি সুন্দর ছিল সেদিনের সেই দিন গুলি।
কিন্তু আজ নিতান্ত অবসর জীবন,
কোনভাবে কাটিয়ে দিতে জীবন।
চাওয়া পাওয়ার কিছুই নাই বাকি,
নিজের মতন করে থাকায় নাই ফাকি।
চিন্তায় যদি আসে অতীতের কথা গুলি
কেমন যেন হৃদয় করে আকুলি ব্যকুলি।
তাইতো ভাবনা আছে বৈকি----
আজ তো থাকা কাছা কাছি দুজনা,
তথাপি বিক্ষিপ্ত উভয়ের চিন্তা ভাবনা।
শুনেছি পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রবল মাধ্যাকর্ষণ,
কিন্তু কেন্দ্র বিন্দুতে নাকি শূন্য আকর্ষণ।
এহেন শূন্য আকর্ষণে কাটাবে বাকি জীবন,
সময়ের সাথে বয়ে গেছে অনেকটা জীবন।
রূপ যৌবনে পূর্ন ছিল যে জীবন,
সময়ের মূল্য কেউ বোঝেনি তখন।
দুটি চিন্তার গভীর আকর্ষণ দুটি সন্তান,
তাঁরা আজ স্বাবলম্বী প্রবল ব্যস্ত জীবন।
তাদের ত্রুটি হীন কর্তব্যে শ্রদ্ধায় নত মস্ত,
তবুও অবসর জীবন কেন ভীত সন্ত্রস্ত।
অপসংস্কৃতির ঝোড়ো হওয়ার প্রভাব,
সবটাই সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রভাব।
হাসি খুশি দিন গুলি গেছে অস্ত,
সমাজের সুস্থ সুন্দর জীবন আজ সন্ত্রস্ত।
বাড়ন্ত রোগ ব্যাধির জ্বালা দিন প্রতিদিন,
কিংকর্তব্যবিমূঢ় রুগ্ন অস্থির দুটি জীবন।
আজ চিন্তার বিষয় সমাজের অবক্ষয়,
অবসর জীবন যেন দিনগত পাপক্ষয়।
||----anrc------22/03/2018::----------||
||=========================||
Comments
Post a Comment